1. abulkasem745@gmail.com : abulkasem745 :
  2. Amranahmod9852@gmail.com : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. Arafathussain736@gmail.com : Arafathussain736 :
  4. didar.kulaura@gmail.com : didarkulaura :
  5. Press.loskor@gmail.com : Press loskor : Press loskor
  6. Rezwanfaruki@gmail.Com : HolyBd24.com :
  7. Sohelrana9019@gmail.com : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. syedsumon22@yahoo.com : syed sumon : syed sumon
শনিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু সামছুল ইসলাম লস্করের ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা মির্জাপুরস্থ বিছালী ইউনিয়ন ভূমি অফিস স্থানান্তর নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠছে আপমর জনসাধারণ জনপ্রতিনিধি-কে সর্বশ্রেষ্ঠ জনসেবক হতে হবে ফেঞ্চুগঞ্জের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুইলক্ষ টাকার চেক দিলেন ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী  ক্ষমতার অপব্যবহার করায় চেয়ারম্যান আহমদ জিলুর বিরুদ্ধে দশজন মেম্বারের অভিযোগ। “আজকের মেহেরপুর” প্রতিনিধিদের পরিচয়পত্র প্রদান রেজিস্ট্রেশন ও ডাক্তার পদবীর দাবীতে উত্তাল হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় শাহজালাল উপশহর সিল আপ গ্রুপের কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত হয় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার দাবিতে মেহেরপুর জেলা বিএনপি’র গণ-অনশন উপশহরে খেলার মাঠে মেলা দ্রুত বন্ধ করার দাবিতে মানবন্ধন

অসুস্থদের রোজার প্রস্তুতি

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫৮ বার ভিউ

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ রমজান মাস শুরু হতে বেশি সময় বাকি নেই। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ের রোগীরা তাদের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় কিছু প্রস্তুতি নিয়ে রোজা রাখতে পারেন। এতে সম্ভাব্য জটিলতাও এড়ানো সম্ভব।

ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস থাকলে অনেকেই রোজা রাখতে ভয় পান। এতে ভয়ের কিছু নেই। তবে ভয়টা অমূলকও নয়। কারণ খাদ্যের ব্যাপারে তাদের ক্ষেত্রে উপদেশ হলো, সময়মতো এবং প্রতি তিন ঘণ্টা পরপর খাবার খাবেন। যারা ইনসুলিন নেন, তাদের খাবারের আগে অর্থাৎ ১৫-২০ মিনিট আগে ইনসুলিন নিতে বলা হয়। এ জন্য রোজার সময় তারা বিভ্রান্তিতে পড়ে যান।

যদি বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে রোজা রাখলে তেমন কোনো অসুবিধা হয় না। বিশেষ সতর্কতা আর নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চললে বেশিরভাগ ডায়াবেটিক রোগীই রোজা রাখতে পারেন। এ জন্য করণীয় হলো-

* প্রথমেই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে ওষুধের ডোজ সমন্বয় করে নিন।

* কেননা অন্য সময়ের তুলনায় সাধারণত এ সময় মুখে খাওয়ার ওষুধ বা ইনসুলিনের ডোজ কিছুটা কমিয়ে আনতে হয়। তিনবারের ওষুধ একবার বা দু’বারে এনে সমন্বয় করতে হবে। এ কাজ নিজে নিজে না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

* এখন থেকেই সকাল বা দুপুরের ওষুধ রাতে এবং রাতের ওষুধ সেহরির সময় খাওয়ার অভ্যাস শুরু করতে পারেন। অর্থাৎ যারা মুখে খাওয়ার ওষুধ খান, তারা সকালের ডোজটি ইফতারের শুরুতে এবং রাতের ডোজটি অর্ধেক পরিমাণে সেহরির আধা ঘণ্টা আগে খাবেন।

* যারা দিনে একবেলা ওষুধ খান, তারা ইফতারের আগে একটু কম করে খাবেন।

* ইনসুলিনের ক্ষেত্রেও সকালের ডোজটি ইফতারের আগে, রাতের ডোজটি কিছুটা কমিয়ে সেহরির আধা ঘণ্টা আগে সমন্বয় করে নেবেন। কতটা কমাবেন, তা চিকিৎসক বলে দেবেন।

* দীর্ঘমেয়াদে কাজ করে এ রকম কিছু ইনসুলিন এখন পাওয়া যায়। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে এসব ইনসুলিন দিনে একবার নিতে পারেন। এসবে হঠাৎ সুগার কমে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।

গর্ভাবস্থা

গর্ভকালীন প্রথম তিন মাস রোজা না রাখাই শ্রেয়। কেননা ওই সময় মায়ের গর্ভে অনাগত শিশুর প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তৈরি হয় বলে এ সময় মায়ের শরীরে সঠিক মাত্রায় ও নির্দিষ্ট পরিমাণে পুষ্টি, ভিটামিন, ক্যালসিয়াম ও পানি ইত্যাদি সরবরাহ করা জরুরি।

এ সময় শিশুর জন্য দরকারি কোনো কিছুর অভাব ঘটলে পরবর্তী জীবনে তা দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। এ সময় অনেকের বমি বমি ভাব থাকে বা বমি হয়, মাথা ঘুরায়, অনেকে খেতে পারেন না, ওজন কমে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই এ তিন মাস রোজা না রাখাই উচিত।

* গর্ভকালীন মধ্যবর্তী তিন মাসে গর্ভবতী মায়েরা একটু ভালো বোধ করেন এবং এ সময় গর্ভস্থ বাচ্চার শারীরিক গঠনও তৈরি হয়ে যায়। এ সময় গর্ভবতী মা ইচ্ছা করলে রোজা রাখতে পারেন, যদি অন্য কোনো সমস্যা না থাকে।

* শেষের তিন মাস একজন গর্ভবতীকে বেশ সতর্ক হয়ে চলতে হয়। এ সময় বাচ্চা দ্রুত বাড়ে। তাই দু’জনের পুষ্টি নিশ্চিত করতে গর্ভবতীকে খাওয়া-দাওয়ার বিষয়ে জোর দিতে হয়। তাই এ সময় রোজা না রাখাই শ্রেয়।

* এ ছাড়া যারা হাইরিস্ক প্রেগন্যান্সি বা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভধারণ করা অবস্থায় রয়েছেন, যাদের গর্ভকালীন ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ রয়েছে, তারা রোজা না রাখলেই ভালো করবেন।

হৃদরোগ

জটিল বা ঝুঁকিপূর্ণ হৃদরোগী ছাড়া অন্য হৃদরোগীদের জন্য রোজা বেশ উপকারী। এ সময় নিয়ম মেনে চলা হয় বলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেই থাকে। হৃদরোগীদের জন্য পরামর্শ হলো-

* প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তিরা অনায়াসেই রোজা রাখতে পারেন, বয়োবৃদ্ধ হৃদরোগীদের রোজা না রাখাই উত্তম। বিশেষ করে পঞ্চাশোর্ধ্ব হার্টের রোগী, যারা বেশি দুর্বল, তারা দীর্ঘ সময় অনাহারে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন বলে তাদের রোজা রাখা অনুচিত। পাশাপাশি হার্ট ফেইলিওর রোগীদের রোজা রাখা উচিত নয়।

* আনকন্ট্রোল্ড অ্যানজাইনা বা নিয়মিত বুকের ব্যথা থাকে যাদের, তাদের তিন বেলা ওষুধ খেতে হয় বলে রোজা না রাখাই উচিত।

* হৃদরোগীদের রোজা রাখা অবস্থায় যদি খুব বেশি খারাপ অনুভব হয়, দ্রুত রোজা ভেঙে ওষুধ খাওয়া উচিত।

কিডনি রোগ

কিডনি রোগে আক্রান্তরা রোজা রাখতে পারবেন না- এমন কথা নেই। আকস্মিক কিডনি বিকল রোগে আক্রান্তরা এবং এন্ড স্টেজ রেনাল ফেইলিওর বা শেষ স্তরের কিডনি রোগীদের রোজা রাখা উচিত নয়। বরং রোগ নিরাময় হওয়ার পর রোজা রাখা যাবে।

* রক্তের ক্রিয়েটিনিন ৩০ শতাংশ বেড়ে গেলে, পটাসিয়াম বেড়ে গেলে রোজা রাখা ঠিক হবে না।

* যাদের কিডনি ফেইলিওরের মাত্রা শেষ পর্যায়ে, তাদের পক্ষে রোজা রাখা উচিত নয়।

* কিডনির পাথরজনিত রোগে যারা ভুগছেন, তারা রোজা রাখার সময় পুরো রমজান মাসে অবশ্যই বেশি বেশি পানি পান করবেন।

* ডায়ালাইসিস গ্রহণকারী রোগীদের রোজা রাখার প্রয়োজন নেই।

অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট

রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকলে অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টের রোগীদের রোজা রাখতে কোনো বাধা নেই। তবে রোজা রাখা অবস্থায় ইনহেলার নেওয়া যাবে কিনা, এ বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে। কেননা ওষুধ সরাসরি রক্তে মিশে গেলে রোজা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে সঠিক নিয়মে ইনহেলার নিলে রক্তে ওষুধ মিশতে পারে না বা নগণ্য পরিমাণ মিশতে পারে। এ জন্য সেহরি ও ইফতারের সময় ইনহেলার নিলে ভালো হয়। হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট হলে দেরি না করে চিকিৎসা দিতে হবে।

কনস্টিপেশন বা কোষ্ঠকাঠিন্য

রোজার সময় কনস্টিপেশন বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেশি হয়। এর কারণ- পানিশূন্যতা ও আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া। এ জন্য বেশি করে শাকসবজি ও ফলমূল খেতে হবে। বিশেষ করে ইফতারের সময় বা পরবর্তী সময় ইসবগুলের ভুসি, লাল আটা ও ঢেঁকিছাঁটা চাল খেতে পারলে ভালো উপকার মেলে। এর পরও সমস্যা থাকলে ল্যাক্সাটিভ ওষুধ খাওয়া যেতে পারে।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com