1. [email protected] : abulkasem745 :
  2. [email protected] : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. [email protected] : Arafathussain736 :
  4. [email protected] : didarkulaura :
  5. [email protected] : Press loskor : Press loskor
  6. [email protected] : HolyBd24.com :
  7. [email protected] : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. [email protected] : syed sumon : syed sumon
শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১, ১২:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু বিশ্ববাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সামাদ মিয়া জাকারিয়া  হিংসা-বিদ্বেষ সহ মনের পশুকে পরাজিত করার বাণী নিয়ে এসেছে ঈদুল আযহা, সাইফুল্লাহ আল হোসাইন ভোগে সুখ নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ, ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী আব্দুল আজিজ মাসুক ফাউন্ডেশন এ-র পক্ষ থেকে চিকিৎসার সাহায্যার্থে নগদ অর্থ প্রদান আবার কবে আমার বয়স্ক ভাতা হবে! ঘূর্ণিঝড় “ইয়াস” আগে তোরা মানুষ হ- “মা” প্রতিপক্ষকে ফাঁসাথে গিয়ে, একই দিনের ঘটনায় চিকিৎসার কাগজপত্রে একমাসের পার্থক্য ফেঞ্চুগঞ্জে ছুরিকাঘাতে আহত করে আবারও আহতদের উপরে মিথ্যে মামলা করার অভিযোগ

তাহিরপুরের রিয়াজ উদ্দিন অবৈধ ভাবে টাকা উপার্জন করে আঙ্গুল ফোলে কলাগাছ।

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৪১ বার ভিউ

তাহিরপুর প্রতিনিধিঃঃ
এক সময়ের কয়লা কেরিং এর লেবার রিয়াজ উদ্দিন হঠাৎ করে জিরো থেকে হিরো বনে যাওয়ার পেছনের নেপত্যে আসলেই কি ছিল এবং অল্পদিনে কিভাবে আলাদীনের চেরাগ হয়ে গেলেন তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি শ্রমিক জীবনের শুরুতেই স্বাধীনতা বিরোধী জামাতে ইসলামীর আর্শীবাদপূষ্ট একজন সক্রিয় সদস্য হয়ে রাজনৈতিকভাবে যাত্রা শুরু করেন।
ধীরে ধীরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের ট্যাকেরঘাট সীমান্তে চোরা চালান, মাদক ও ভারতে শ্রমিক অবাধেভাবে পাঠিয়ে দিয়ে রাতারাতি বনে যান কোটিপতি।
ফলে স্থানীয় মানুষজনের মধ্যে একটি শংঙ্কা কাজ করছিল এই রিয়াজ কিভাবে অল্পদিনে আলাদিনের চেরাগ বনে তিনি কোটিপতি হয়ে গেলেন।

এই সুবাধে পরবর্তীতে নিজেকে কয়লা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত করতে তৈরী করেন তামান্না এন্টারপ্রাইজ নামে এল.সি লাইসেন্স। যতদূর জানা যায় উক্ত লাইসেন্স দিয়ে নিজে যৎসামান্য এলসি মালামাল আমদানী এবং অন্যান্য পরিচিত লোকজনকে দিয়ে ভারত থেকে কয়লার এল.সি শুরু করে সুযোগ নেন মরণ নাশক ইয়াবা ও হিরোইন চোরাইভাবে দেশের ভেতরে আমদানী করার কার্যক্রম।

এক পর্যায়ে আস্তে আস্তে সখ্যতা গড়ে তোলেন অদৃশ কিছু বিপদগামি শক্তির সাথে। পরবর্তীতে অল্পদিনে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে এই রিয়াজকে আর পেছনের দিকে তাকাতে হয়নি। তিনি তাহিরপুরের সীমান্ত এলাকাগুলোতে সকল অবৈধ কর্মকান্ডের সম্রট হিসেবে ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর কোম্পানীর আমদানীকৃত হাজার হাজার টন চুনাপাথর রাতের আঁধারে অফিসকে ম্যানেজ করে বিক্রি করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

সীমান্ত এলাকায় চলছে রিয়াজের ত্রাসের রাজত্ব। তার একক আধিপত্য ও শক্তির কাছে যেন সবাই ছিল অসহায়। সু-কৌশলে কয়লার ব্যবসার অধিক মুনাফার কথা বলে কাছে টেনে নেন পার্শ্ববর্তী এলাকার লাকমা গ্রামের জসিম উদ্দিন, পুটিয়া গ্রামের জহির, কামড়াবন্দ গ্রামের আজিজুল হক, মাটিকাটা গ্রামের আব্দুল্লাহ আল-মাসুদ ও ভৈরবের রাশিদ মিয়াকে।

পরবর্তীতে ব্যবসায়িক ব্যর্থতার মারপ্যাচ দেখিয়ে জসিম উদ্দিনের ৩০ লক্ষ, জহিরের লক্ষ লক্ষ, আজিজুল হকের ১ কোটি টাকা না দিয়ে অদৃশ ̈ শক্তির সহযোগিতায় মামলা মোকদ্দমার ভয় দেখিয়ে তাদেরকে ব্যবসায়ীক পার্টনার থেকে বের করে দেন।
ভাগ্য ̈আকাশে দেখা দিল নতুন চাঁদ। এরই মধ্যে ভৈরবের রাশিদ মিয়া টাকা না পাওয়ার শোকে হার্টষ্টোক করে মৃতু ̈বরণ করেন।
অনায়াসে রাশিদ মিয়ার পুঁজির ১ কোটি টাকা রিয়াজ উদ্দিনের পকেটে। ব্যবসা বাণিজে ̈র বাহানায় ধরে রাখেন মাটিকাটার আব্দুল্লাহ আল-মাসুদকে। রিয়াজ উদ্দিনের পরামর্শে মাসুদ আর রিয়াজ উদ্দিন যৌথভাবে বাদাঘাট বাজারের পাশে কামড়াবন্দ গ্রামে ২২.৭৬ শতক ভূমি খরিদ করে তৈরী করেন তিনতলা একটি বিল্ডিং।

উক্ত বিল্ডিং দিয়ে রিয়াজ উদ্দিন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে গভীর ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ̈ মাসুদ এর নামে ইসলামী ব্যাংক,সুনামগঞ্জ শাখা হইতে ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা টি আর ঋন উত্তোলন করেন। ব্যাংক থেকে টাকা তুলে রিয়াজ উদ্দিন ৬২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে তাহার ব্যক্তিগত ব্যবসার কাজে নেন আর বাকী ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে সুনামগঞ্জ শহরের হাসপাতালের পাশে তিনগুন মুনাফার কথা বলে ২০ শতক ভূমি খরিদ করে মাসুদ এর নামে দলিল করে দেন।

কিছুদিন পর মাসুদ সুনামগঞ্জ শহরে জায়গা দেখতে গিয়ে জায়গার মূল মালিকের সাথে পরিচয় হয়। আলাপ প্রসঙ্গে মাসুদ জানতে চান জায়গা কত টাকা দরে বিক্রি করলেন। জায়গার মালিক বলে দিলেন প্রতি শতকের মূল ̈ ৩০ হাজার টাকা,শুনেই মাসুদের মাথায় হাত। এই জায়গা খরিদের জন্য মাসুদ রিয়াজের হাতে তুলে দিলেন ৬৬ লক্ষ টাকা ।
কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় ঐ জায়গার মূল্য মাত্র ৬ লক্ষ টাকা । এই ঘটনা জানতে পেরে মাসুদ সিদ্ধান্ত নেয় প্রতারক রিয়াজ উদ্দিনের সাথে আর চলাফেরা করা যাবে না। এই বিষয়ে রিয়াজ উদ্দিনের নিকট মাসুদ প্রশ্ন করলে রিয়াজ উদ্দিন কোন সঠিক উত্তর দিতে পারে নাই। ফলে মাসুদ এবং রিয়াজের মধ্যে শুরু হয় অন্তর দ্বন্ধ।
অন্তর দন্ধ চলমান অবস্থায় শুরু হয় রিয়াজ উদ্দিনের এ্যাকশন। প্রথম এ্যাকশনেই মাসুদকে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কুরবান নগর ইউনিয়নের মেসার্স আজিজ বিক্স এর পার্টনারশীপ থেকে মাসুদের পুঁজির টাকা ফেরৎ না দিয়ে তাকে বের করে দেয়া হয়। দ্বিতীয় এ্যাকশন শুরু করে বাদাঘাট বাজারের পাশে কামড়াবন্দ গ্রামের তিনতলা বিল্ডিং বাসা থেকে মাসুদকে স্বপরিবারে বের করে দেওয়ার।

রিয়াজ উদ্দিন ঠান্ডা মাথায় দুষ্ট চক্রের সাহায্য নিয়ে মাসুদ এর নামে ০৪.০১.২০২০ইং তারিখে মাদারীপুর জেলা থেকে মাদক মামলার ভূয়া সাঁজা ওয়ারেন্ট ইস্যু করে তাহিরপুর থানা পুলিশ দিয়ে মাসুদকে গ্রেফতার করানো হয়।

ভূয়া ওয়ারেন্ট নিয়ে সর্বমহলে জানাজানি হলে রিয়াজ উদ্দিনের নামে অভিযোগ উঠে। এই ওয়ারেন্ট মামলা থেকে মাসুদ র্নিদোষ প্রমানিত হয়ে ছাড়া পেয়ে বাড়ীতে আসলে রিয়াজ উদ্দিন আবারো মাসুদের নামে ঢাকা ওয়ারী থানায় সিআর ৯০৫২/১৮ নং মামলার কোর্ট প্রসেস নম্বর ৯৯/২০২০ইং ধারা ১৪৩/১৪৪/১৪৮/১৪৯/১৫১/৩২৩/৩২৬/৩০৭ দিয়ে ঢাকা জেলা থেকে ভূয়া গ্রেফতারী পরোয়ানা তাহিরপুর থানায় নিয়ে আসেন।

পরে চলচাতুর রিয়াজ তাহিরপুর থানা পুলিশ দিয়ে মাসুদকে গ্রেপ্তার করতে চাইলে মাসুদ ওয়ারেন্টটি ভূয়া বলে চ্যালেঞ্জ করে তাহিরপুর সার্কেলের এএসপি বাবুল আক্তারের শরনাপন্ন হন।

সার্কেল এসপি ওয়ারেন্টের কাগজপত্র তদন্ত সাপেক্ষে যাচাই বাছাই করে ওয়ারেন্টটি ভূয়া প্রমাণিত হলে মাসুদকে গ্রেপ্তার না করে বিনা গ্রেপ্তারে ভূয়া ওয়ারেন্টটি তামিল করেন। ভূয়া ওয়ারেন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে মাসুদ সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে রিয়াজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ১৭/০৮/২০২০ ইং তারিখে সুনামগঞ্জ তাহিরপুর জোন আদালতে মামলা দায়ের করেন।

যার মামলা নং ৮৮/২০। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর জোনের বিজ্ঞ আদালত মামলাটি তদন্ত সাপেক্ষে আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারকৃৃত আসামী রিয়াজ উদ্দিনকে আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন না মুজ্ঞুর করে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ প্রদান করেন।

রিয়াজ উদ্দিন জেল থেকে বের হয়ে শুরু করেন নতুন অপকৌশল। পার্টনারশীপ থাকাবস্থায় রিয়াজ উদ্দিনের নিকট জমাকৃত টাকা নিয়ে সকল সমস্যা।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com