1. abulkasem745@gmail.com : abulkasem745 :
  2. Amranahmod9852@gmail.com : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. Arafathussain736@gmail.com : Arafathussain736 :
  4. didar.kulaura@gmail.com : didarkulaura :
  5. Press.loskor@gmail.com : Press loskor : Press loskor
  6. Rezwanfaruki@gmail.Com : HolyBd24.com :
  7. Sohelrana9019@gmail.com : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. syedsumon22@yahoo.com : syed sumon : syed sumon
বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু আবহের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় নেতা দেওয়ান ফরিদ গাজীর মৃত্যুবার্ষিকীতে আওয়ামী নেতা শহীদ কাজলের শ্রদ্ধাঞ্জলি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজীর ১০ তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল  সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি কুলাউড়ার কৃতি সন্তান আব্দুল আহাদ সিলেট নগরীতে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতে পারে দেশে করোনায় মৃত্যু বেড়ে দ্বিগুণ : একদিনে ৩৯ জন শেখ রাজিয়া নাসের ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিভাবক মোংলা বন্দরে ড্রেজিংকৃত নতুন চ্যানেলে জাহাজ চলাচল শুরু এমপিওভুক্ত হচ্ছেন খুলনাঞ্চলের ১৪৪ শিক্ষক-কর্মচারী বিএনপি বাসে আগুন দিয়েছে- এটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট : তথ্যমন্ত্রী

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ফানুসের বর্ণিল আলো আর জাহাজ ভাসা উৎসবে শেষ হলো প্রবারণা উৎসব

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২০
  • ১০ বার ভিউ

হলিবিডি প্রতিনিধিঃ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় বিচিত্র রঙ্গের ফানুস উড়িয়ে ও শেষে কল্প জাহাজ-ভাসা উৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা। এই উৎসবকে ঘিরে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ছিল উৎসবমূখর ও পর্যটকে পরিপূর্ণ। বিভিন্ন এলাকা থেকে বৌদ্ধ ধর্মের মানুষেরা এ উৎসবে যোগ দেয়।

(১ নভেম্বর) সমাপনী দিনে শহরের বৌদ্ধ মন্দিরস্থ ক্যাং পাড়াবাসী ও বড়বাজার রাখাইন সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে হাজার দৃষ্টিনন্দন কল্প-জাহাজ নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে। শোভাযাত্রায় রঙ্গ-বেরঙ্গের পোশাক পরিধান করে হাজার রাখাইন সম্প্রদায়ের মানুষ অংশ নেয়।

এসময় কল্প-জাহাজ নিয়ে ঢাক-ডোল ও বাজনা বাজিয়ে নেচে গেয়ে আনন্দ উন্মাদনায় মেতে উঠে সবাই। শোভাযাত্রা দেখতে প্রধান সড়কের দু’পাশে অসংখ্য উৎসুক জনতা ভীড় করে। প্রায় ১ ঘন্টা পর কল্প জাহাজ নিয়ে শোভাযাত্রার ইতি ঘটে সৈকতের ডায়াবেটিক পয়েন্টে এসে। সৈকতের বালিয়াড়িতে হাজার হাজার নর-নারীর সম্মিলন। জাহাজ-ভাসা উৎসবের আনন্দে যোগ দিয়েছেন ভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজনও। পরে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে সাগরের উত্তার ঢেউয়ের সাথে ভাসানো হয় কাঙ্খিত কল্প জাহাজ। ঢেউয়ের তালে তালে ভাসছে বাঁশ, বেত, কাঠ, রঙ্গিন কাগজ দিয়ে অপূর্ব কারুকাজে তৈরি নান্দনিক কল্প জাহাজ। যা নজর কাড়ে সবার। কক্সবাজার শহর ছাড়াও চৌফলদন্ডী, খুরুশকুল, হারবাং, টেকনাফ ও চকরিয়াতেও এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রবারণা পূর্ণিমার দ্বিতীয় দিনে শহরের জাদিরাম, বইল্যাপাড়া, পিটাকেট, থংরো ও অ¹মেধা ক্যাং সংলগ্ন কেন্দ্রীয় মাহাসিংদোগ্রী মন্দির প্রাঙ্গনে স্বর্গের উদ্দেশে উড়ানো হয় শত শত ফানুস। ওইসময় ফানুসের আলোয় রঙিন হয় পর্যটন নগরীর নীল আকাশ। একের পর এক আগুনমুখো ফানুস উড়ে যায় কক্সবাজারের খোলা আকাশে। বর্ণিল কাগজে তৈরি বিচিত্র আকারের ফানুস। এর মধ্যে নজর কাড়ছিল ব্যতিক্রমী কিছু ফানুস। কোনোটিতে আঁকা ধর্মীয় চিহ্ন। কোনোটিতে লেখা শান্তির বাণী। একটি ফানুসে ছিল ‘কোভিড-১৯’। শত শত ফানুসের আলোয় বর্ণিল হয়ে উঠে আকাশ।

জীর্ণতা মাড়িয়ে পরিশুদ্ধ জীবন ও করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির প্রার্থনায় মন্দির প্রাঙ্গণে মিলিত হয় হিন্দু, বৌদ্ধ, খিস্ট্রান, মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মালম্বীর হাজারো মানুষ। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সাথে হাতে হাত, কাধেঁ কাধঁ মিলিয়ে আকাশে তোলা হয় একের পর এক ফানুস। এসময় রচিত হয় সম্প্রীতির দৃঢ় বন্ধন। যে বন্ধন শত চেষ্টা করেও যেন ছিন্ন করা যাবে না।

গতকাল বিকাল থেকে রাখাইন সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ নতুন পোশাক ও উন্নতমানের খাবার নিয়ে বিহারে গমন করেন। সেখানে সুখ-শান্তি ও মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি কামনায় প্রার্থনা করেন সবাই।
শনিবার সন্ধ্যায় শহরের পিটাকেট, মোহাজের পাড়া বৌদ্ধ বিহার, জাদিরাং বিহার ও রাখাইন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনগুলো নজরকাড়া প্রায় ৫০টি নান্দনিক প্যান্ডেল তৈরি করেছে। প্যান্ডেলগুলোর মূল আকর্ষণ বুদ্ধ। জমকালোভাবে সাজানো হয়েছে এসব প্যান্ডেল। বিহারগুলোও সেজেছে নব রূপে। বর্ণিল আলোকসজ্জায় আলোকিত করা হয়েছে সর্বত্র। প্রবারণা ঘীরে বৌদ্ধ পল্লীর ঘরে ঘরে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।

এবার মাহাসিংদোগ্রী মন্দিরে প্যান্ডেল করেছে কক্সবাজার সিটি কলেজ বৌদ্ধ ছাত্র মৈত্রি, সিটি বয়েজ, রাখাইন একতা সংঘ, বাংলাদেশ রাখাইন স্টুডেন্ট কাউন্সিল, ফ্রি স্টাইল রিলেশনশীপ, রাজধানী ফ্রেন্ডস সার্কেল, রাখাইন যুব ইউনিটি, হ্যাংগিং গার্ডেন, কে, আর ভিক্টোরিয়া, মাছবাজার রাখাইন সমাজ কল্যাণ পরিষদ, রাখাইন তরুণ সংঘ ও বৌদ্ধ মৈত্রি পরিষদ। শহরের মোহাজের পাড়া, বাজার ঘাটা, বৈদ্যঘোনা ও জাদিরাম বৌদ্ধ বিহার, মহেশখালী, উখিয়া, চকরিয়া, রামু, পেকুয়া, টেকনাফ ও নাইক্ষ্যংছড়িতেও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপিত হয়েছে।

এনজিও কর্মী উথান্ট অং বলেন, প্রবারণার মূল প্রতিপাদ্য আত্মশুদ্ধি, শুভ, সত্য ও সুন্দরকে বরণ করে অসত্য ও অসুন্দরকে বর্জন করা। আমি কামনা করি মানুষের অন্তর থেকে সব মলিনতা দূর করে অহিংসা, সাম্য, মৈত্রী, প্রেম ও দয়া জাগ্রত হোক।

বান্দরবানেও উদযাপিত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রবারণা উৎসব। ধর্মীয় ও সামাজিক এই উৎসবকে ঘিরে আনন্দ উৎসবের আমেজ বিরাজ করেছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে,যদি ও করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধুমাত্র ধর্মীয় আচার অনুষ্টান উদযাপন করেছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নারী ও পুরুষেরা।

প্রবারণা পূর্নিমা পালন বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের অন্যতম উৎসব। প্রতি বছর এ দিনটি সকল বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের জীবনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের মতে প্রবারণা পূর্ণিমার দিনই রাজকুমার সিদ্বার্থের মাতৃগর্ভে প্রতিসন্দি গ্রহণ, গৃহত্যাগ ও ধর্মচক্র প্রবর্তন সংঘটিত হয়েছিল তাই প্রতিটি বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের কাছে দিনটি বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে আজও।

প্রবারণা পুর্ণিমা পালন উপলক্ষে শনিবার সকাল থেকে বান্দরবানের বিভিন্ন বিহারে বিহারে চলেছে ধর্মীয় দেশনা, ভিক্ষুদের উদ্দেশ্যে অর্থ ও অন্নদান, ফুল পূজা আর উপাসক-উপাসিকারা গ্রহণ করেছে অষ্টশীল ও দশশীল। বিহারে বিহারে চলেছে ধর্মীয় দেশনা ও জগতের সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনা ও করোনা মুক্তির কামনায় করা হয়েছে বিশেষ প্রার্থনা। বিহারে বিহারে বৌদ্ধ ধর্মালম্বী নারী ও পুরুষেরা উপস্থিত হয়ে সুখ, শান্তি লাভ ও পারিবারিক সুস্থতার জন্য প্রার্থনায় জড়ো হয়েছে। দায়ক-দায়িকারা মোমবাতি, ধুপকাঠি প্রজ্জলন আর বৌদ্ধ ভিক্ষুদের ছোয়াইং (বিভিন্ন ধরনের খাবার) প্রদান করে দিনটি উদযাপন করেছে।

প্রবারণা পুর্ণিমা পালন উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় পুরাতন রাজবাড়ীর মাঠ থেকে মহারথ টেনে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নিয়ে যাওয়া হয় উজানীপাড়া বৌদ্ধ বিহারে, আর নানা ধরণের ফানুস বাতি উড়ানোর পাশাপাশি রবিবার মধ্যরাতে সাংগু নদীতে রথ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের এই প্রবারণা উৎসবের।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com