1. abulkasem745@gmail.com : abulkasem745 :
  2. Amranahmod9852@gmail.com : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. Arafathussain736@gmail.com : Arafathussain736 :
  4. didar.kulaura@gmail.com : didarkulaura :
  5. Press.loskor@gmail.com : Press loskor : Press loskor
  6. Rezwanfaruki@gmail.Com : HolyBd24.com :
  7. Sohelrana9019@gmail.com : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. syedsumon22@yahoo.com : syed sumon : syed sumon
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর ভিত্তি স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তাহিরপুরে ছেলের হাতে বাবা খুন, ঘাতক আটক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বারের নামে সড়কের নামকরণ মাওলানা মামুনুল হকের সাংবাদিক সম্মেলনের বক্তব্যের কিছু অংশ শ্যালিকাকে ধর্ষণের দায়ে দুলাভাই গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ছেলের হাতে বাবা খুন  টাংগুয়ার হাওরে গাছ কাটা ও পাখি শিকারের মহোৎসব বিশ্বম্ভরপুরে মাঠ দিবস ও রিভিউ ডিসকাশন অনুষ্ঠিত ২৫ পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ তাহিরপুরে বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবীতে কর্মবিরতি

১৫ আগস্ট : জাতি হারালো তার পিতা অরিত্র দাস

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২০
  • ৪৪ বার ভিউ

সমগ্র দেশকে যদি একটি কুমারটুলির ন্যায় কল্পনা করা হয়, তবে সেই কুমারটুলিতে একজন পটু শিল্পী আছেন। যার নিঁখুত দক্ষতা এবং লাল-সবুজ রং তুলির আঁচড়ে ভেসে উঠেছে বাংলাদেশের প্রতিমূর্তি। পেয়েছে শিল্পের স্বাধীনতা। বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছে এর স্বকীয়তা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সেই বঙ্গ কুমারটুলির একজন কুশলী কারিগর।

মুজিব অর্থ উত্তরদাতা। যা আরবি ভাষার শব্দ থেকে উৎপত্তি। নানা শেখ আব্দুল মজিদ ভালোবেসে নাম রাখেন মুজিব। ছোটবেলায় বাবার গলা ধরে না ঘুমালে তাঁর রাতে ঘুম আসত না। বাবা-মা তাই আদর করে ডাকতেন খোকা। খোকা মাছ-মাংসের চেয়ে নিরামিষ খেতেই অধিক ভালোবাসতেন। শৈশবকালে মা-বাবার আদরের খোকা পরবর্তীকালে ছাত্র ও যুবকের কাছে ভাইজান এবং গ্রামবাসীর কাছে মিয়া ভাই নামে পরিচিতি পেয়ে যান। ড. নীলিমা ইব্রাহিমের প্রস্তাবনায় ১৯৯৬ সাল থেকে ১৭ মার্চ খোকার জন্মদিনকে বাংলাদেশের জাতীয় শিশু দিবস হিসাবে পালন করা হয়। কে জানত, সেই খোকাই বড় হয়ে হবেন বাংলাদেশের জন্মদাতা পিতা?

হয়তো পরিণত বয়সে কিছুটা আন্দাজ করতে পেরেছিলেন তাঁর জীবনসঙ্গীনী শেখ ফজিলাতুন্নেছা রেণু। শান্ত ধীর স্থির বিচক্ষণ মহিয়সী এই নারী। ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্রের সময় অনেকেই যখন বঙ্গবন্ধুকে প্যারোলে মুক্তির জন্য আইয়ুব খানের গোলটেবিল বৈঠকে যোগদানের পরামর্শ দিয়েছিলেন। তখন এই মহিয়সী নারী প্রচণ্ডরকম বিরোধিতা করে বলেছিলেন, ‘তুমি প্যারোলে কক্ষণো যাবে না, গেলে বাঙালিদের সাথে বেঈমানী করা হবে।’ বঙ্গবন্ধু স্ত্রীর কথা রাখলেন। তারও কয়েক বছর আগের কথা, ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষার স্বপক্ষে বঙ্গবন্ধু আমরণ অনশন করেছিলেন যখন, তখন বঙ্গমাতা রেনু কণ্ঠে গাম্ভীর্য এনে বলেছিলেন, জেলে থাকো আমার কোন অসুবিধা নেই, তবে নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রেখ। একদিকে মমতাময়ী নারী, অন্যদিকে আপসহীন একজন জাতির পিতার অসামান্য স্ত্রী।

জালিম পাকিস্তানের দৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধু একটাই অপরাধ করেছিলেন, তা হলো- এদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন। শোষণ ও নিদারুণ বৈষম্যের মুক্তি। ধর্মের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর, বাঙালি সত্তাধিকারের দাবি তোলায় কারাগার হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর একমাত্র স্থায়ী ঠিকানা। প্রতিটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে উপযুক্ত উত্তর দিতে গিয়ে মুজিব তাঁর ক্ষণস্থায়ী জীবনের প্রায় ১৩টি বছর কারাগারে কাটিয়েছেন। সময়ের হিসাবে তা চার হাজারের অধিক দিন। স্কুলছাত্র থাকাবস্থায় ১৯৩৮ সালে সর্বপ্রথম কারাগারে যান বঙ্গবন্ধু। অতঃপর কারাগারের শিকলে বারবার বন্দি হওয়ার জ্বালা থেকে চিরস্থায়ী মুক্তি মেলে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর। সাফল্যের পথ মসৃণ নয়, জীবন আঘাতের বিনিময় ছাড়া কিছু দিতে চায় না। ফলে একটি সুদীর্ঘ সময় স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছা রেণুকে একহাতে ঘর সংসার পার্টি সামলাতে হয়েছে। কারণ গোপালগঞ্জ ছেড়ে বেগম মুজিব ছেলে-মেয়ে নিয়ে ষাটের দশকে সেই সময়ের ধানমন্ডি ৩২ নম্বর রোডে অসমাপ্ত ও নির্মাণাধীন ৬৭৭ নম্বর বাড়িতে এসে ওঠেন।

আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে ১৯৫৬ সালে নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হলে, বঙ্গবন্ধু সেখানে বাণিজ্য, শ্রম, শিল্প ও দুর্নীতি দমন মন্ত্রী হন। ঢাকা শহরে মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। বঙ্গবন্ধুর পিএস নুরুজ্জামানের মাধ্যমে পিডব্লিউডি’র কাছে একটি প্লট বরাদ্দের জন্য আবেদন করলে প্লটের একটি ব্যবস্থা হয়। বঙ্গমাতার নামে বরাদ্দকৃত প্লটের টাকা নগদ এবং কিস্তিতে পরিশোধ করা হয়। গরিবের কাছে লাখ টাকার হাতি পালার মত ব্যয়সাধ্য হলেও স্থায়ী বসবাসের জন্য বেগম মুজিবের নামে বরাদ্দকৃত জায়গাতে বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেন। পাশে এসে দাঁড়ান তৎকালীন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা রংপুরের মতিউর রহমান। তিনি বাড়ির জানালা গ্রিল সরবারহ করেন। এছাড়া বাড়ি নির্মাণকালীন কেয়ারটেকার ছিলেন টুঙ্গিপাড়ার আরজ আলী। ১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিবার পরিজন নিয়ে এই আধা সম্পূর্ণ বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। ১৯৬২ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন, ১৯৬৮ সালের আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ১৯৭০ সালের নির্বাচন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার অসহযোগ আন্দোলনসহ নানা চড়াই-উৎরাইয়ের সাক্ষী ধানমন্ডি লেকের পাড়ে এই বাড়ি।

উত্তাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের বিভিন্ন সময়ে ৩২ নম্বর রোডস্থ বাড়ির সামনে উপস্থিত হয়ে জনতার মিছিল সর্বদা স্লোগান তুলত, ‘জেলের তালা ভাঙবো, শেখ মুজিবকে আনবো।’ তারা ঠিকই মুজিবকে বারবার কারাগার থেকে মুক্ত করে এনেছিলেন। ফলে প্রতীয়মান হয়, স্বাধীনতা আন্দোলনের ছক প্রণয়ন, পরামর্শ, মিছিল-মিটিং, দলের যাবতীয় কার্যক্রম ও নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়, সাধারণ মানুষের দুঃখ, কষ্ট, ক্ষোভের কথা শোনার কেন্দ্রবিন্দু ছিলো এ বাড়ি। ১৯৬৪ সালের আগস্ট মাসে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা এ অসম্পূর্ণ বাড়িটি পূর্ণাঙ্গভাবে নির্মাণ করার জন্য গৃহনির্মাণ সংস্থার কাছ থেকে ৩২ হাজার টাকা ঋণ নেন। শেখ মুজিব নিজেই এ ঋণের গ্যারান্টার ছিলেন। যদিও পরবর্তীতে ঋণের টাকা সব শোধ করা হয়নি। এরই মধ্যে মানব সভ্যতার ইতিহাসের সবচেয়ে গভীরতম ঘৃণ্য এবং কলঙ্কিত অধ্যায়ের সূচনা হয়ে যায়। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারকে নৃশংসভাবে হত্যা করে কতিপয় বিকৃত বেপরোয়া স্বার্থোদ্ধত বাঙালি সেনা সদস্য। যে লোকটির (বঙ্গবন্ধু) অঙ্গুলি হেলনে সাত কোটি বাঙালি শ্রদ্ধাভরে দেবতা জ্ঞান করেছে, পাকিস্তানের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, সে লোকটিকে কতিপয় বাঙালিরা হত্যা করলো? পাকিস্তানিদের জেলখানায় তাকে হত্যা করে কবর দেওয়ার পরিকল্পনা করা স্বত্ত্বেও যখন তা করতে পারল না, তখন কি না তার মৃত্যু হলো শেষ পর্যন্ত তারই স্বাধীন দেশের কিছু সুবিধাবাদী বাঙালি সৈন্যের হাতে?

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, দিনটি ছিলো শুক্রবার, পবিত্র দিন। এই পবিত্র দিনে বাংলাদেশের গায়ে দাগ কাটে অপবিত্রতা। কথাসাহিত্যিক শাহাদুজ্জামানের ‘ক্রাচের কর্নেল’ এবং অ্যান্থনী মাসকারেনহাসের ‘রক্

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com