1. abulkasem745@gmail.com : abulkasem745 :
  2. Amranahmod9852@gmail.com : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. Arafathussain736@gmail.com : Arafathussain736 :
  4. didar.kulaura@gmail.com : didarkulaura :
  5. Press.loskor@gmail.com : Press loskor : Press loskor
  6. Rezwanfaruki@gmail.Com : HolyBd24.com :
  7. Sohelrana9019@gmail.com : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. syedsumon22@yahoo.com : syed sumon : syed sumon
শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৪:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু বায়তুল মোকাররম থেকে আটককৃতদেরকে আজ রাতের মধ্যে মুক্তি দিতে হবে– হেফাজতে ইসলাম করোনাকালে বেকার হয়ে পড়াদের প্রাণিসম্পদ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে আল্লামা মামুনুল-ফয়জুল সমর্থক ছাত্রদের বিক্ষোভে, লাঠি চার্জ পুলিশের খুলনায় ওয়ার্ড আ’লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক মোল্যার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন মানুষকে অবহেলা-তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না: প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর মোরাল উদ্বোধন সেখ সালাহ্ উদ্দিন জুয়েল এমপি ফকিরহাটে কন্যা শিশুর মৃত্যু নিয়ে নানান গুঞ্জন ২৫ ফুট নিচে পড়ে চিরতরে পঙ্গু মাদারীপুরের আকরাম, সাহায্যের আবেদন তাহিরপুর সীমান্তে ভারতীয় মদ ও নাসির বিড়ি আটক প্রাইভেট পড়তে গিয়ে ঘরে ফিরেনি জাহিদ হাসান পরিবারের দিন কাটছে অনিশ্চয়তায় ও দুশ্চিন্তায়

কাশ্মীর দিয়ে চিরকাল ‘স্টার’ থাকতে পারবেন না মোদি

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০
  • ৩৪ বার ভিউ

আমেরিকানদের বিরুদ্ধে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনির বীতশ্রদ্ধ মনোভাবের কারণ ছিল ইরানের শাহের প্রতি অনেক বছর ধরে আমেরিকানদের নিরবিচ্ছন্ন সমর্থন। তিনি তার দেশ থেকে আমেরিকানদের বের করে দেয়ার পর তিনি এই অঞ্চলেও আমেরিকারদের অর্থপূর্ণ কোনো ভূমিকা পালন করা দেখতে চাননি। চার দশক পর আমাদের প্রতিবেশী দেশের আরেক নেতা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একই ধরনের ‌‘আদর্শগত ঘৃণার’ রাজনীতি করছেন এবং তার রাজনীতিতে যে ভুল রয়েছে তা হলো এই যে এই নীতি এমন এক যুগে এসেছে যখন বিশ্ব ক্ষমতায় বিপ্লব, নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ও একক কর্তৃত্বের ওপর ক্ষমতা ন্যস্ত করার ধারণার প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানের দুনিয়া বহু মেরুর দুনিয়া। এই দুনিয়া অনেক নীতি ও মূল্যবোধের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে মানবাধিকার, সুরক্ষা করার দায়দায়িত্ব এবং জনগণের ওপর কোনো রাজনৈতিক ইচ্ছা (ফ্যাসিবাদ) চাপিয়ে দেয়া পরিহার করা। নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, বিশ্ব কাশ্মীরীদের দুর্ভোগের ব্যাপারে চোখ বন্ধ করে রয়েছে। তবে তাদের সংগ্রামের যথার্থতার কারণে বিশ্ব অবশ্যই একসময় তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসবে। এই আশাই তাদের আন্দোলন এবং স্বাধীনতার জন্য তাদের চূড়ান্ত যুদ্ধকে টিকিয়ে রেখেছে।

এখন বিশ্ব কাশ্মীরের সত্যটি দেখতে অক্ষম এবং প্রকৃত সত্যটি চাপা হয়ে পড়ে আছে কাশ্মীরের নানা ভাষ্যে। ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ভাষ্য, বিজেপি সরকারের ভাষ্য, স্বাধীন মিডিয়ার ভাষ্য, পাকিস্তানি ভাষ্য- সবই নিজ নিজ বাস্তবতা সৃষ্টি করছে। তবে কাশ্মীরী জনগণের আকাঙ্ক্ষার মধ্যে রয়েছে আসল ভাষ্য।

ইতিহাসের খুবই সংক্ষিপ্ত মেয়াদে বিজেপি সরকারের উচ্চাভিলাষী লোকজন কাশ্মীরে শাসক ও শাসিতের মধ্যে বিদ্যমান সামাজিক চুক্তি ছিঁড়ে টুকরা টুকরা করে ফেলেছে। সামরিক বাহিনী হাতে নিয়েছে বন্দুক আর নীতিনির্ধারকেরা তাদের আদর্শগত কলম নিয়ে সব ধরনের সামাজিক চুক্তি লঙ্ঘন করে নতুন কাশ্মীর গড়ার দিকে মনোনিবেশন করছে।

রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য কাহিনী আছে। এটি আমাদেরকে ক্ষমতার নিজস্ব মিথ সৃষ্টিকারী নেতার কী ঘটে তা জানায়। ইসরাইলি লৌহমানবক মেনাহেম বেগিন ও তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যারিয়াল শ্যারন ছিলেন ১৯৮২ সালের জুনে লেবাননে ইসরাইলি আক্রমণের পরিকল্পনাকারী। বেগিন ইসরাইল সৃষ্টির আগে থেকেই রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। তিনি ছিলেন তার জাতির শ্রেষ্ঠ বক্তা। তবে শেষ পর্যন্ত একেবারে নীরব হয়ে যান। ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি আন্দোলন ওই সময় তার বাড়ির সামনে বিশাল একটি প্লাকার্ড স্থাপন করে লেবাননে মরতে থাকা ইসরাইলিদের জন্য তার কাছে জবাব দাবি করে। বেগিন কাজ করার জন্য বাইরে গেলেই ওইসব লোকদের সামনে পড়তেন। এর জের ধরে ১৯৮৩ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি পদত্যাগ করেন, নিজেকে তার অ্যাপার্টমেন্টে বন্দী রাখেন, আর কখনো বের হননি। বলা হয়ে থাকে, বেগিন নিজেকে দোষী সাব্যস্ত করে নিজেকে কারাবন্দী করে রেখেছিলেন।

মোদির কাশ্মীর কৌশলও আত্ম-প্রবঞ্চনার ভিত্তিতে প্রণীত। এ কারণেই এই নীতি তাকে রাজনৈতিক ও সামরিক বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেকে মহান রাজনৈতিক প্রতিভা মনে করেন বলেই মনে হয়। মোদির স্বার্থপর রাজনীতি একটি চরমপন্থী ও কৃত্রিম ভারত সৃষ্টি করেছে। মোদির সবচেয়ে বড় ভুল হলো এই যে তিনি মতৈক্য সৃষ্টি করতে পারেননি।

ইতিহাস আমাদেরকে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতার কথা বলে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত সব ধরনের লোকজন তাদের নিজস্ব দেশ গঠন করতে পেরেছে। কিন্তু কাশ্মীর ও ফিলিস্তিন ট্রেন মিস করেছে। পুরো কাশ্মীর পাকিস্তানের অংশ হতে পারেনি এবং ফিলিস্তিন কখনো স্বাধীন দেশে পরিণত হতে পারেনি।

আমরা যে বিশ্বে বাস করি, সেখানে যুদ্ধ করে এক ইঞ্চি জমিও কেউ ফিরে পেতে পারে না। বাস্তবতা হলো, পরমাণু শক্তি যুদ্ধ করে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে নমনীয় অবস্থান, কূটনৈতিক শক্তি, নৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থনই কাশ্মীরীদের প্রতি দিতে পারে পাকিস্তান।

শুরুর কথাই আবার বলা যাক। একসময় আসবে, যখন কাশ্মীরের বাস্তবতা মোদির ভারত ও খোদ মোদিকেও আঘাত করবে। ওই সময় তিনি হয়তো বেগিনের মতো রাজনৈতিক মহত্বের পরিচয় দিয়ে নিজেকে বিচার করে শাস্তি দেবেন না। তবে তিনি নিশ্চিতভাবেই বুঝতে পারবেন যে সারা জীবনের জন্য তাকে খ্যাতি এনে দেয়ার মঞ্চ নয় কাশ্মীর। আর এটিই কাশ্মীরী জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও ইচ্ছার বাস্তব প্রতিনিধিত্বকারী।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com