1. abulkasem745@gmail.com : abulkasem745 :
  2. Amranahmod9852@gmail.com : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. Arafathussain736@gmail.com : Arafathussain736 :
  4. didar.kulaura@gmail.com : didarkulaura :
  5. Press.loskor@gmail.com : Press loskor : Press loskor
  6. Rezwanfaruki@gmail.Com : HolyBd24.com :
  7. Sohelrana9019@gmail.com : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. syedsumon22@yahoo.com : syed sumon : syed sumon
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু সিলেটে ভিলেজ ডাক্তার কমিউনিটি (ভিডিসি)’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মেহেরপুরের কালাচাঁদপুর জিয়ালা বিলের পানি খালকেটে অবমুক্ত করে দিলো- পৌর মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন রায়হান হত্যা মামলার আসামী কনস্টেবল টিটু গ্রেফতার, পাচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর  ইলিশ ধরায় ৩৯ জেলের জেল-জরিমানা জনগণের ভাষা বুঝতে না পারাই বিএনপির ব্যর্থতা : কাদের ফেঞ্চুগঞ্জে আইমিত্র অপটিশিয়ান এর উদ্যোগে ফ্রী চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে  দূর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিআইজি’র নির্দেশ খুলনা শেখ রাসেল টেনিস কমপ্লেক্সের উদ্যোগে শেখ রাসেলকে স্মরণ দেড় কোটি টাকার রাস্তা ৫ মাসেই শেষ! রাসেল হত্যার মত নৃশংসতা যেন আর না ঘটে সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার -প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরেই চাকরিদাতা প্রতারক চক্র সক্রিয়!

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২০
  • ৩৯ বার ভিউ

কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঘেরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরেই চাকরিদাতা প্রতারক চক্রের সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট সক্রিয় আছে। বহিরাগত দালাল ছাড়াও এ চক্রে জড়িত প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর পিয়ন পদমর্যাদার কিছু কর্মচারী ও সশস্ত্রবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের কর্মচারী, সৈনিক ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য। অফিস চলাকালীন সময়ে অফিসের ল্যান্ডফোন ব্যবহার করে তারা বনে যান প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব, এপিএস এবং সেনাবাহিনীতে কর্মরত কর্নেল, মেজর জেনারেল ও লে. জেনারেল। অফিস শেষে পোশাক পরিচ্ছদ পরিবর্তন করে বিভিন্ন নামিদামি রেস্টুরেন্ট কিংবা কারো ব্যক্তিগত বিলাসবহুল অফিসে বসে চাকরিপ্রার্থীদের ইন্টারভিউ নেন। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ও সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার নামে এভাবে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। বছরের পর বছর ধরে চলছে এ ধরনের ভয়াবহ প্রতারণা, যা প্রশ্নবিদ্ধ করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সশস্ত্রবাহিনীর সম্মান ও মর্যাদার।

গ্যালারিঃ এই প্রতিবেদন তৈরিতে যেসব ডকুমেন্টস ব্যবহার করা হয়েছে।

সংঘবদ্ধ এ প্রতারক চক্রের সদস্যরা খুবই চাতুর্যের সঙ্গে সেনাবাহিনীর নিয়োগপত্রের মতো হুবহু অথচ ভুয়া নিয়োগপত্র নিয়োগপত্র তুলে দিচ্ছেন চাকরিপ্রত্যাশীদের হাতে। পুরো সরকারি নিয়ম-কানুন মেনে দেওয়া হয় নিয়োগপত্র। কোনো ক্ষেত্রে যাদের থেকে টাকা নেওয়া হয়, তারা নিজ যোগ্যতায় চাকরি পেয়ে যান; যা তারা পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। এমন একটি প্রতারক চক্রের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। র‌্যাব-২ এর একটি চৌকস টিম বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাবেক সেনা সদস্য, বর্তমান সেনা সদস্য ও কয়েকজন দালালকে গ্রেপ্তার করার পর প্রতারক চক্রের মূল হোতাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় দুইটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব-২।তবে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিবের পিএ শহিদুল ইসলামের সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। শহিদুলের মোবাইল ট্র্যাক করে তার এ সম্পর্কিত কথোপকথনও পেয়েছে র‌্যাব। শহিদুলসহ সেনাবাহীনির কয়েকজনের এমন প্রতারনার খবর সেনবাহীনি ও র‌্যাব থেকে জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পরও তার কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার অনুরোধে শহীদুলকে গ্রেপ্তার করেনি র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃতরা র‌্যাবের কাছে জানিয়েছেন, সেনাকর্মকর্তাদের অনেকের কাছে গিয়ে তাদের আত্মীয় কিংবা ভাইয়ের জন্য চাকরির নামে অন্যদের জন্য তদবির করতেন তারা। কয়েককটি ক্ষেত্রে তা কাজেও লেগেছে। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তদবির করা হতো। এই কাজে সেখানকার বেশ কয়েকজন জড়িত আছে। তাই তাদেরও কিছু টাকার ভাগ দেওয়া হতো। এভাবে তারা বিভিন্ন সময় বেশ কয়েকজনকে চাকরি দিয়েছেন। তবে যাদের চাকরি হয়নি, সে টাকা পুরো তারা ফেরত দিতেন না।

র‌্যাবের এক কর্মকর্তা জানায়, যে কোন অফিসের প্রতারক চক্র তৈরি হলে তার বিষয়ে কিছুটা হলেও তথ্য থাকে সেই অফিসের উর্ধ্বতর কর্মকর্তাদের। শহীদুলের বিষয়েও তাই হয়েছে। তাকে যেন গ্রেফতার করা না হয় কিংবা মামলা থেকে নাম প্রত্যাহার করা হয় সে বিষয়ে এরই মধ্যে অনেক সুপারিশ এসেছে র‌্যাব অফিসে। আর এ কারনেই তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ২০ এপ্রিল মহাখালী কাঁচাজারস্থল ঢাকা হোটেল এবং খিলগাঁও তিলপাড়ার একটি ফ্ল্যাট অভিযান চালিয়ে সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে ভর্তির নিয়োগপত্র (ব্ল্যাংক), নিয়োগ পরীক্ষার সাজেশন, বিভিন্ন ব্যাংকের ৬ টি চেক বই, দুইটি ব্যাংকের এটিএম কার্ড, ১৭ টি মোবাইল ফোন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিসহ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের নাম ও মোবাইল নম্বরের তালিকা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা শাখায় প্রবেশের জন্য ২ টি প্রবেশপত্র উদ্ধার করা হয়।

মামলার এজাহারে বাদী পুলিশ পরিদর্শন ইকবাল হোসেন বলেন, বিভিন্ন মৌখিক অভিযোগ ও গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, একটি অসাধু চক্র সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য বিভাগে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত করে আসছে। এমন অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানকালে র‌্যাব-২ এর একটি বিশেষ টিম গত ২৩ এপ্রিল ঢাকা হোটেলে অভিযান চালায়। সেখান থেকে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য কামরুজ্জামান ও আবদুল মমিনকে আটক করে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের শহিদুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর একটি শাখার ড্রাইভার মোজাম্মেল এবং এ চক্রের মূল হোতা মনির জামান ও গোপালগঞ্জের রাজুর নাম জানতে পারে র‌্যাব। তাদের দেওয়া তথ্য মতে, খিলগাঁও তিলপাতার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে কামরুল হোসেন নামে একজনকে আটক করে। তার কাছ থেকে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, ওই বিভাগীয় কমিশনারের পিএস টু এবং কুড়িগ্রামের এডিসির নাম্বারকে ফোন দিয়ে চাকরির জন্য তদবির করার অডিও পায়। নিজেকে সড়ক ও সেতু মন্ত্রীর এপিএস পরিচয় দিয়ে কয়েকজনের জন্য চাকরির সুপারিশ করেন। পরে খবর নিয়ে আরও জানতে পারে, কামাল নামে এক ব্যক্তি রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ফোন দিয়ে চাকরির তদবির করেন।

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক আসামিরা কখনো কখনো নিজেকে সামরিক বাহিনীর অফিসার, কখনো বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পিএস/এপিএস, কখনো মেজর জেনারেল/ডিজি/এসএসএফ কর্মকর্তা, সামরিক উপদেষ্টার বডিগার্ড হিসেবে তাদের পরিচয় দিয়েছেন। অভিযুক্তরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর, সেনানিবাসের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের সরকারি ল্যান্ডফোন ব্যবহার করে নিজেদের এসব পরিচয় দিয়ে চাকরির তদবির করতেন।

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন, তাদের তদবিরে অনেকের চাকরি হয়েছেন। চাকরি হয়নি এমন নজিরও আছে। আবার

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com