1. abulkasem745@gmail.com : abulkasem745 :
  2. Amranahmod9852@gmail.com : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. Arafathussain736@gmail.com : Arafathussain736 :
  4. didar.kulaura@gmail.com : didarkulaura :
  5. Press.loskor@gmail.com : Press loskor : Press loskor
  6. Rezwanfaruki@gmail.Com : HolyBd24.com :
  7. Sohelrana9019@gmail.com : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. syedsumon22@yahoo.com : syed sumon : syed sumon
মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু এসডিজি অর্জনে সব ক্ষেত্রে অপচয় রোধ করতে হবে কালিগঞ্জে তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক পি কে হালদারকে দেশে আনা নিয়ে রুলের শুনানি মঙ্গলবার খুলনায় কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পি‌বিআই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পিকে হালদারকে দেশে আনতে কত সময় লাগবে ইয়াং বাংলার নতুন সদস্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতালির রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানালেন আইজিপি আসামি ধরতে গিয়ে দায়ের কোপে কবজি বিচ্ছিন্ন পুলিশের জুনে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর জুলাই থেকে রেললাইনের কাজ শুরু: রেলমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দূর্নীতি বিরোধী সোসাইটি সিলেট জেলা শাখার শপথ গ্রহণ সম্পন্ন

বাংলাদেশের অবজ্ঞা ভারতের জন্য আরেকটি আঘাত

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২০
  • ৬৮ বার ভিউ

ভারতের সবচেয়ে পাঠকপ্রিয় ও সর্বপ্রাচীন ইংরেজিভাষী দৈনিকগুলোর অন্যতম দি হিন্দু শনিবার পররাষ্ট্রনীতি সাংবাদিক কল্লোল ভট্টাচার্যের আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এটি ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশের প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টানা চতুর্থবারের মতো অবজ্ঞা প্রদর্শন নিয়ে।

প্রতিবেদনটি চীন ও পাকিস্তানের দিকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ‌‘ঝুঁকে পড়া’ নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারণী মহলে (তারা এই দুই দেশকে ভারতের বৈরী মনে করে) চেচামেচির বিষয়টিই প্রতিফলিত হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার ছোট ও দুর্বল প্রতিবেশীদের কোন দৃষ্টিতে দেখা হয়, প্রতিবেদনটি ভারতীয় পররাষ্ট্র দফতরের কর্মকর্তা ও পররাষ্ট্রবিষয়ক সাংবাদিকদের ওই মানসিকতারও প্রতিফলন। ভারতের পররাষ্ট্রবিষয়ক কর্মকর্তারা নিজেদেরকে ভাইস রয় এবং তাদের প্রতিবেশী দেশগুলোকে ভারতের উপনিবেশ হিসেবে দেখে।

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে একের পর এক প্রতিবেশী দেশে ভারত পররাষ্ট্রবিষয়ক জটিলতায় পড়েছে।

বিজেপির হিন্দু জাতীয়তাবাদী এজেন্ডার মদতদাতা ভারতের কৌশলবিদ, রাজনীতিবিদ, কৌশতগত বিশ্লেষক ও পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক সাংবাদিকেরা যদিও উল্লেখ করছেন যে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও কোয়াড দেশগুলোর সমর্থন পাচ্ছেন, কিন্তু ভুটান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশই নয়া দিল্লিকে সমর্থন করছে না।

২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর উরি হামলার পর থেকে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ককে যুধ্যমান হিসেবেই সবচেয়ে ভালোভাবে অবহিত করা যায়। ওই সময় নয়া দিল্লি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতে সন্ত্রাস রফতানি করার জন্য অভিযুক্ত করেছিল। দুই দেশের মধ্যে খুব শিগগির সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার কোনো ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না।

২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ভারত তার সংবিধানে জম্মু ও কাশ্মিরকে দেয়া বিশেষ মর্যাদা বিষয়ক ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে। জম্মু, কাশ্মির ও লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত ভূখণ্ডে পরিণত করে। এসব এলাকা নিয়ে ২ নভেম্বর যে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করা হয় তাতে পাকিস্তান শাসিত কাশ্মিরের তিনটি জেলাও রয়েছে।

এদিকে লাদাখে ১৫ মে থেকে চীন ও ভারতীয় সেনাবাহিনী মুখোমুখি অবস্থায় রয়েছে। চীনা কৌশলবিদেরা বিশ্বাস করেন, চীন যখন কোভিড-১৯ মহামারি দমনে নিয়োজিত থেকে সীমান্তে অরক্ষিত ছিল, তখন ভারত ছুরি মেরেছে চীনের পিঠে।

লিপুধুরা, লিপুলেখ ও কালাপানি অন্তর্ভুক্ত করে ভারত যে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিল, নেপাল তার প্রতিবাদ জানায়। ১৫ মে থেকে ভারত-নেপাল সম্পর্ক নিম্নাবস্থায় রয়েছে।

নরেন্দ্র মোদির সরকার ২০১৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাস করার পর থেকে আলোচনার জন্য ভারতের কয়েকবারের অনুরোধ বাংলাদেশ প্রত্যাখ্যান করেছে। ওই আইনের ফলে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতীয় এলাকায় প্রবেশকারী আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নাগরিক হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টানেরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবে।

ভারত সরকার ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করলেও সিএএর ফলে বাংলাদেশে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার বাংলাদেশী হিন্দু অভিবাসীদের নাগরিকত্ব প্রদান করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা ক্ষমতায় রয়েছেন ২০০৯ সাল থেকে।

সিএএ পাসের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ২০১৯ সালের ১২-১৪ ডিসেম্বর নয়া দিল্লিতে নির্ধারিত সফর বাতিল করেন।

সিএএ প্রশ্নে অসন্তুষ্টির কারণেই মোমেন ও বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের ভারত সফর বাতিল করা হয় বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সময় পার্লামেন্টের যৌথ অধিবেশনে রাজ্যসভায় কংগ্রেসের সদস্য বিপ্লব ঠাকুর বলেন, সিএএ নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ার পর থেকে ২০২০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশের মন্ত্রীরা চারবার নয়া দিল্লির আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

তিনি বাংলাদেশের মন্ত্রী বা তাদের পদের কথা উল্লেখ না করলেও এটা পরিষ্কার যে বিজেপির জাতীয়তাবাদী এজেন্ডার ফলে প্রতিবেশী দেশে ভারতের প্রভাব হ্রাস পাচ্ছে।

দি হিন্দু পত্রিকায় প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময়টিও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এখন লাদাখে চীন-ভারত সামরিক উত্তেজনা চলছে। বেইজিংয়ের সাথে নয়া দিল্লির উত্তেজনা চলার সময়ই ১০ জুন বাংলাদেশ ও চীন শুল্কমুক্ত চুক্তি সই করে। এই চুক্তির ফলে ৯৭ ভাগ বাংলাদেশী পণ্যকে করমুক্ত সুবিধা দেবে চীন।

চীনের সাথে বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদার করছে। ওসমানি বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনাল নির্মাণের কাজ একটি চীনা কোম্পানিকে দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের ভোরের কাগজের উদ্ধৃতি দিয়ে দি হিন্দু জানায়, ভারতীয় হাই কমিশনার অন্তত চারবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাত করতে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করা হয়।

আরও পড়ুনঃ শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করার সুযোগ পাননি ভারতের হাই কমিশনার

ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ভারতের উদ্বেগ সত্ত্বেও সিলেট বিমানবন্দরের টার্মিনাল নির্মাণের দায়িত্ব চীনকে দেয়া হয়। ভারতের হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলি চার মাস ধরে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু তিনি পাননি।

তিনি বলেন, এমনকি কোভিড-১৯ মহামারিতে ভারতীয় সহায়তার জবাবে ধন্যবাদও জানায়নি বাংলাদেশ।

হিন্দু পত্রিকায় আরো খবর প্রকাশ করে যে ২০১৯ সালে শেখ হাসিনা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বাংলাদেশে ভারতীয় প্রকল্পগুলো মন্থর হয়ে পড়ে এবং চীনা অবকাঠামো প্রকল্পগুলো গতিশীল হয়।

ইরানের কাছ থেকে একই ধরনের অবজ্ঞার শিকার হওয়ার পর বাংলাদেশের কাছ থেকে এই পরিস্থিতির মুখে পড়ল ভারত। তেহরান তার চাবাহার রেলওয়ে প্রকল্প থেকে ভারতকে বাদ দিয়ে চীনকে দায়িত্ব দিয়েছে। ভারত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে বিলম্ব করায় এই সিদ্ধান্ত নেয় ইরান।

ভবিষ্যতের জন্য অতীতের ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে তা এড়ানোর চেষ্টা করা যেতে পারে। কিন্তু ভারতের বেলায় বিপরীতটিই সত্য হচ্ছে। বিজেপি সরকার অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ করছে না। তারা একের পর এক ভুল করে যাচ্ছে।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com