1. abulkasem745@gmail.com : abulkasem745 :
  2. Amranahmod9852@gmail.com : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. Arafathussain736@gmail.com : Arafathussain736 :
  4. didar.kulaura@gmail.com : didarkulaura :
  5. Press.loskor@gmail.com : Press loskor : Press loskor
  6. Rezwanfaruki@gmail.Com : HolyBd24.com :
  7. Sohelrana9019@gmail.com : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. syedsumon22@yahoo.com : syed sumon : syed sumon
মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু এসডিজি অর্জনে সব ক্ষেত্রে অপচয় রোধ করতে হবে কালিগঞ্জে তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক পি কে হালদারকে দেশে আনা নিয়ে রুলের শুনানি মঙ্গলবার খুলনায় কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পি‌বিআই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পিকে হালদারকে দেশে আনতে কত সময় লাগবে ইয়াং বাংলার নতুন সদস্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতালির রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানালেন আইজিপি আসামি ধরতে গিয়ে দায়ের কোপে কবজি বিচ্ছিন্ন পুলিশের জুনে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর জুলাই থেকে রেললাইনের কাজ শুরু: রেলমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দূর্নীতি বিরোধী সোসাইটি সিলেট জেলা শাখার শপথ গ্রহণ সম্পন্ন

সাবমেরিন ধ্বংসে কি ধরনের অস্ত্র-সস্ত্র প্রয়োজন?

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২০
  • ৮৩ বার ভিউ

সাবমেরিন পানির ওপরের না বরং পানির নিচের যান। তাই প্রথাগত অ্যান্টি শিপ মিসাইল দ্বারা সাবমেরিন ধ্বংস করা সম্ভব হয় না। কারণ পানির নিচে ডুবন্ত টার্গেটে হিট করা অ্যান্টি শিপ ক্রুজ মিসাইল দ্বারা সম্ভব না। এর জন্য দরকার টর্পেডো। টর্পেডো বলতে গেলে মিসাইলের মতোই, তবে টর্পেডো পানির নিচে কার্যকর।

সাবমেরিন ধ্বংসে টর্পেডো ব্যবহার হয়ে থাকে সাধারনত। যদিও সমুদ্রে সাবমেরিনকে ডিটেক্ট করা অনেক কঠিন তবে খুজে পাওয়া গেলে টর্পেডো দ্বারাই সাবমেরিন ধ্বংসের চেস্টা করা হয়ে থাকে। এছাড়াও অ্যান্টি সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার উপযোগী রকেট ও ডেপথ চার্জ ও ব্যবহৃত হয় তবে তার সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।

তো বলা যায় শিপ ধ্বংসে যেমন মিসাইল তেমনি সাবমেরিন ধ্বংসে চাই টর্পেডো। এ টর্পোডো ছোড়ার বেশ কিছু উৎস আছে। টর্পেডো সাবমেরিন থেক, জাহাজ থেকে অথবা হেলিকপ্টার বা বিমান থেকেও ছোড়া যায়। সবচেয়ে ভয়ংকর হলো এয়ার লঞ্চড টর্পেডা বা বিমান থেকে ছোড়া টর্পেডো কারন সাবমেরিনে বিমান ধ্বংসের জন্য সার্ফেস টু এয়ার মিসাইল থাকে না। তাই করুন নিয়তিই মেনে নিতে হয়। তবে যেটা কঠিন তাহলো এ বিশাল সমুদ্রে সাবমেরিনকে খুঁজে বের করা।

এবার দেখি মায়ানমার কিভাবে আমাদের সাবমেরিন ধ্বংসের চেস্টা করবে। মিয়ানমার নৌবাহিনীর সবচেয়ে শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ হলো কিয়ান সিত্তাহ ক্লাস ফ্রিগেট। এই ক্লাসের ফ্রিগেট গুলির দূর্বলতা হচ্ছে এর সি স্টেট ৪ অব্ধি কেবল সহ্য করতে পারে অর্থাৎ এগুলো গভীর সমুদ্রে যেতে পারে না, উপকূলের কাছাকাছি থাকতে হয়। এমতাবস্থায় আমাদের সাবমেরিন এর খোঁজে এই বিশাল সমুদ্র চষে বেড়ানোটা অতটা সহজ নয়। ধরলাম যে আমাদের সাবমেরিন ই ওদের উপকূলের কাছে গেলো। যদি ফ্রিগেটের সোনার এ ধরা পরেও তবুও ফ্রিগেট গুলোর ৪-৫ কি.মির কাছে যাওয়ার আগে মায়ানমার নৌবাহিনী সাবমেরিন টির গায়ে আচ ফেলতেও সক্ষম না।

অন্যদিকে আমাদের সাবমেরিন চাইলেই ১৩-১৪ কি.মি দূর হতে ওদের ফ্রিগেটকে ধ্বংস করতে সক্ষম। ১৮টি টর্পেডো বহন করে একটি মিং ক্লাস সাবমেরিন। আমাদের বহরে এমন ২ টা আছে এখনো অব্ধি। তো একসাথে ৩৬ টা টর্পেডো আর সেগুলো যদি ৩৬ টাই টার্গেটে হিট করে তবে শুধু দুইটি মিং ক্লাস দিয়েই মায়ানমার নৌবাহিনীর ভবলীলা সাঙ্গ করে দেওয়া যেতে পারে। সাবমেরিন দুটোকে কি এখনো খুব অকেজো মনে হচ্ছে?

আর যদি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে নতুন যুক্ত হতে যাওয়া সাবমেরিনগুলো বিবেচনা করি তবে তাতে অ্যান্টি শিপ মিসাইল ও থাকবে প্রায় ২৩০-২৮০ কি.মি রেঞ্জের। সে সাবমেরিন গুলোকে কাউন্টার করার চিন্তাও মাথায় আনতে পারবে না মিয়ানমার নৌবাহিনী।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com