1. abulkasem745@gmail.com : abulkasem745 :
  2. Amranahmod9852@gmail.com : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. Arafathussain736@gmail.com : Arafathussain736 :
  4. didar.kulaura@gmail.com : didarkulaura :
  5. dorothy.carrington43@bevilaqua.funny3delements.com : dorothycarringto :
  6. kristanorfleet5225@ssl.tls.cloudns.asia : jamisondeboer46 :
  7. aau.researcher@aau.edu.jo : kerittn759704438 :
  8. terrellsasser@1secmail.org : lesliellewelyn :
  9. claudegigli1988@rubelforex.ru : marcparnell :
  10. Press.loskor@gmail.com : Press loskor : Press loskor
  11. Rezwanfaruki@gmail.Com : HolyBd24.com :
  12. Sohelrana9019@gmail.com : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  13. syedsumon22@yahoo.com : syed sumon : syed sumon
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১০:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু মেহেরপুরের মুজিবনগরে গাড়ি দুর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষার্থী আহত-৪ মেহেরপুরের গাংনীতে ডাচ্ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং এর শুভ উদ্বোধন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদেরও অফিসিয়াল কাজে বিদেশ যাওয়া নিষিদ্ধ তাহিরপুরে ভূমি সেবা সপ্তাহ উদ্ভোধন আট বিভাগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস অর্থনীতি সমিতির ২০ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার বিকল্প বাজেট পেশ সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা বেতন চান সরকারি কর্মচারীরা নরসিংদীতে মা ও দুই সন্তানের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ববির জন্মদিন আজ

ট্রাম্প-মোদি দু’জনই কি সব হারাবে

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২০
  • ৪৯ বার ভিউ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃঃ   চীন-ভারত সীমান্তের পূর্ব-লাদাখে উভয়পক্ষের সামরিক তৎপরতার কথা আমরা গত ২২ মে থেকে শুনে আসছি, যা গত সপ্তাহে একধরনের শঙ্কার চরমে উঠেছিল। এরপর গত ২৮ মে কানাঘুষা ব্যক্তিগত টুইট থেকে জানা যাচ্ছিল যে, মোদি সরকার নিজ মিডিয়াকে সীমান্তে সৈন্য সমাবেশের খবর কম গুরুত্ব দিয়ে ছাপতে গোপন প্রচার চালিয়েছে যাতে পাবলিক এই ইস্যুটাকে বিশেষ গুরুত্ব না দেয়। এরপর গত ২ জুন নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকা জানায়, সামরিক নেতৃত্ব পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে ব্যাপারটা মিটিয়ে ফেলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমাদের আজকের লেখার ইস্যু এ ঘটনায় সর্বশেষ অবস্থান প্রসঙ্গে যে এটা এখন কোথায় কোন দিকে গেছে বা যাচ্ছে।

এর আগের সপ্তাহে বলেছিলাম সীমান্তে চীন-ভারত সৈন্য মুখোমুখি এই অবস্থার পেছনের যতগুলো ঘটনা আছে এর মধ্যে অন্যতম হলো ট্রাম্প-মোদির ব্যক্তিগত লাভালাভের স্বার্থ যেটা তাদের দুই সরকার বা প্রশাসনের অফিসিয়াল কোনো স্বার্থ বা ইস্যুই নয়। ট্রাম্পের প্রয়োজন আগামী নভেম্বরের নির্বাচনে নিজেকে আবার জিতিয়ে আনা। তাই ট্রাম্প তার সম্ভাব্য ভোটারদের দেখাতে চান যে তিনি চীনের বিরুদ্ধে আমেরিকার সব ধরনের স্বার্থ নিয়ে লড়াকু এক বেস্ট ক্যান্ডিডেট। যেহেতু চীনের উত্থানেই আমেরিকার গৌরব সব ধূসর ও ম্লান হয়ে গেছে। কাজেই সেই চীন-ধোলাই করতে সক্ষম একমাত্র ডোনাল্ড ট্রাম্পই আমেরিকার জন্য বেস্ট ক্যান্ডিডেট। এই হলো তার প্রপাগান্ডা মেসেজ। আর এই ইমেজ তৈরি করার ক্ষেত্রে মোদি ট্রাম্পের প্রধান সহযোগী হতে গেছেন। কারণ এতে বিনিময়ে তারও ব্যক্তি লাভ-স্বার্থ আছে। অর্থনৈতিক অবস্থার দিক থেকে করোনার আগে থেকেই ভারতের মোদি সরকার খুবই খারাপ অবস্থায় ছিল। এর ওপর এখন করোনার কারণে অবস্থা আরো খারাপ। কাজেই তার সরকারের অর্থনৈতিক পারফরম্যান্স এখন পাবলিকের কাছে বিরাট প্রশ্নবোধক। অতএব সরকারের পারফরম্যান্স ও যোগ্যতা থেকে পাবলিকের অভিযোগ অসন্তোষের মন ও চোখ সরাতে, হয় পাকিস্তান অথবা চীনের সাথে কোনো সীমান্ত টেনশন তৈরি করা আর সেখান থেকে অবাস্তব হলেও, মোদি কোনোভাবে নিজেকে অন্তত একবার বিজয় অর্জনকারী বীরের ভূমিকায় হাজির করতে পারলে তিনি মনে করেন সেটি এক ‘বিরাট অর্জন’ ও সব অর্থনৈতিক ব্যর্থতা ঢেকে ফেলার চাদর-কাভার হতে পারে। মোদির তাই লক্ষ্য হচ্ছে, ট্রাম্পের ‘খেপ মেরে’ দেয়ার বিনিময়ে নিজের জন্য এই অর্জন নিশ্চিত করা। তাই তিনি চীন-ভারত সীমান্ত টেনশনে ইতোমধ্যে ‘ট্রাম্প মধ্যস্থতা করতে চান’- এই প্রস্তাব বাজারে ট্রাম্পকে দিয়েই হাজির করাতে পেরেছেন।

এসব মিলিয়ে পরিকল্পনা মতে, গত ২ জুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ভারতের ‘নিউজ১৮’ টিভিকেই এক একান্ত সাক্ষাৎকার দিয়ে বসেন। কেন নিউজ১৮ টিভি? ব্যাপারটাকে আমরা এভাবে পাঠ করতে পারি যে, ওই সাক্ষাৎকারটার মানে হলো, ইতোমধ্যে চীন-ভারত সীমান্ত টেনশন ইস্যুতে ভারত-আমেরিকান কূটনৈতিক আলোচনা ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়ে গেছে। সেখানে পরস্পরের অসুবিধা আর প্রয়োজনগুলো নিয়ে জানা-জানানো ও পরস্পরের পছন্দ হয় এমন অবস্থানও সাব্যস্ত হয়ে গেছে। এখন ওই আলোচনায় কী সাব্যস্ত হয়েছে মোদি সরকার কী মেনেছেন এর পরোক্ষ অফিসিয়াল স্বীকৃতি বা রেকর্ড তৈরি করে রাখতেই ওই সাক্ষাৎকার দেয়া। কিন্তু তাহলে সেটা কেবল নিউজ১৮ টিভিকে দেয়া কেন? কারণ নিউজ১৮ আর সিএনএন কোনো কোনো প্রোগ্রাম জয়েন্ট ভেঞ্চারে সম্পর্কে চলে। অর্থাৎ সিএনএনের ভারতে কোনো স্বার্থ থাকলে সেটা নিউজ১৮-ই দেখাশুনা করে থাকে। এই অর্থে রাজনাথের ওই সাক্ষাৎকারটা দেয়া হয়েছে পরোক্ষে আমেরিকান সিএনএনকে। যেখান থেকে যেন ট্রাম্প প্রশাসন অফিসিয়াল ভার্সন সংগ্রহ করে নিতে পারে। অর্থাৎ এটা একটা সাক্ষাৎকারের পাবলিক ভার্সনই কিন্তু সেই ভার্সনটাই আবার ট্রাম্প প্রশাসনের সংগৃহীত অফিসিয়াল ভার্সন।

ওই সাক্ষাৎকারে রাজনাথ মূল যে কথাটা বলেন তা হলো, দু’পক্ষের সিনিয়র মিলিটারি অফিসারেরা বৈঠকে বসে ‘মতপার্থক্য’ দূর করে ফেলবে। বেশির ভাগ পত্রিকার শিরোনাম কথিত এই মতপার্থক্য নিয়েই। কিন্তু ‘কী নিয়ে’ মতপার্থক্য যার জন্য তিন ডিভিশন করে সেনাসামন্তের সমাবেশ ঘটাতে হলো? মিডিয়া লিখেছে ‘সীমান্ত বিতর্ক’ বা বর্ডার ডিস্পুট নিয়ে মতপার্থক্য। যারা রাজনাথকে সরাসরি উদ্ধৃত করেছে তাদের লেখায় রাজনাথ কিভাবে সীমান্ত উত্তেজনাকে মোলায়েম করে কথা বলেছেন তা লক্ষণীয়। প্রথমত, তিনি এটিকে সীমানা বিষয়ে দু’দেশের দু’রকম ধারণাজাত একেবারেই এক তুচ্ছ সমস্যা বলে দাবি ও চিহ্নিত করে সব উত্তেজনায় ক্রমাগত পানি ঢেলে গেছেন। বলেছেন, এলএসি (খঅঈ) বা ‘দু’দেশের দখলে থাকা ভূমির সীমানা নিয়ে আমাদের দু’দেশের যে পারসেপশন; এই পারসেপশনে ভিন্নতার কারণে আমাদের মতপার্থ্যক্য। আরো মোলায়েম ভাষ্য এরপরেও আছে। রাজনাথ বলছেন, ‘এতে চীনারা বেশ ভালো সংখ্যায় (গুড নাম্বার) সৈন্য সমাবেশ করেছিল। আর ভারতও তাতে ‘প্রয়োজনীয় সংখ্যক’ (হোয়াট-এভার ইজ রিকোয়ার্ড) সৈন্য জমায়েত করেছিল।’ কেন তিনি এত মোলায়েম ভাষায় কথা বলছেন সেই সাফাই গাইতে গিয়ে বলছেন, ‘এমনকি আগেও যখনই সীমানা নিয়ে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে যেমন ওই ডোকলামে (ভুটানে চীনা সীমান্ত নিয়ে) তখনো আমরা সামরিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে কথা বলেই মতপার্থক্য মিটিয়ে ফেলেছিলাম।’ সারকথায় এখানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং কেবল বলতে বাকি রেখেছেন কিন্তু যেন বুঝিয়ে দিয়েছেন যে ‘আমরা দুই রাষ্ট্র আসলে খুব ভালো। আমাদের মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। ট্রাম্প-মোদির যে ব্যক্তি লাভালাভ এ থেকে তুলে আনার কথা ছিল তা এখন উঠে গেছে। তাই আপনারা আর খামোখা চিন্তা করবেন না।’

কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। ভারতের মিডিয়াগুলো ক্রমশ অসন্তোষে ভরে উঠতে শুরু করেছে। আর তা ভরে তুলতে শুরু করেছে মূলত অবসরে যাওয়া সিনিয়র জেনারেল, লেফটেন্যান্ট-জেনারেলদের অসন্তোষ। তাদের মধ্যে অন্তত দু’জন প্রকাশ্যেই তাদের অসন্তোষ, আপত্তি ও সরকারি ব্যাখ্যায় গরমিল নিয়ে প্রশ্ন আর সর্বোপরি চীন আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি ভূখণ্ড দখল করে ফেলেছে- এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এ দু’জন ব্যক্তিত্ব হলেন-এক সাবেক উত্তরের আর্মি কমান্ডার লে. জে ডিএস হুডা (রিটায়ার্ড)। আর অপরজন হলেন লে. জে এইচএস পানাগ (রিটায়ার্ড)।
লে. জে পানাগ ক্ষ

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com