1. abulkasem745@gmail.com : abulkasem745 :
  2. Amranahmod9852@gmail.com : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. Arafathussain736@gmail.com : Arafathussain736 :
  4. didar.kulaura@gmail.com : didarkulaura :
  5. Press.loskor@gmail.com : Press loskor : Press loskor
  6. Rezwanfaruki@gmail.Com : HolyBd24.com :
  7. Sohelrana9019@gmail.com : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. syedsumon22@yahoo.com : syed sumon : syed sumon
শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২১, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রচার মিছিলে জেলা নেতৃবৃন্দের পথসভা করোনায় আক্রান্ত জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদের বন্ধ হল ট্রাম্পের স্ন্যাপচ্যাটও বিজিবি’র বাধায় বেড়া নির্মাণ বন্ধ বিএসএফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পাঁচশতাধিক ঘর পুড়ে ছাই সাভারে সালেহপুর সেতুতে ফাটল ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে তীব্র যানজট বেক্সিমকো ৩০ লাখ ডোজ টিকা বিক্রি করবে বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাকে পুঁজি করে অসহায় মানুষের জন্য কাজ করছি : প্রধানমন্ত্রী ফেব্রুয়ারিতে বিমানে আরও দুটি নতুন প্লেন যুক্ত হচ্ছে খুলনায় ভাড়া না পেয়ে ভাড়াটিয়ার ঘরে তালা: শিশুর মৃত্যু

তাহিরপুর আম্ফানের প্রভাবে পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে শতাধিক জমির একর পাকা ধান।

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৭ মে, ২০২০
  • ১৫ বার ভিউ

আমির হোসেন তাহিরপুর প্রতিনিধি::সুনামগঞ্জ তাহিরপুর উপজেলার আম্ফানের প্রভাবে দফায় দফায় বারি বৃষ্টিপাতের কারণে উজানের মেঘালয় পাহাড় থেকে নেমে আসে পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার সীমান্তবর্তী বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের ৩ টি হাওরের প্রায় ২ শতাধিক একর জমির পাকা ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

জানা যায়, সীমান্তের ওপাড়ে মেঘালয় পাহাড়ের বেশ কয়েকটি পাহাড়ি ছড়া দিয়ে বড়দল উত্তর ইউনিয়নের চিকারকান্দির হাওর, বিকিরবিল হাওর, সীমান্তবর্তী পঁচাশোল হাওরের ব্রি-২৯ জাতের পাকা ধানের প্রায় ২ শতাধিক জনি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে। এখন ৩টি হাওরের আশপাশের কৃষকরা পরিবার গুলো পানিতে নিচে তলিয়ে(ডুবে) যাওয়া অতি কষ্টের জমির পাকা ধান কেটে ঘরে তুলতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, আম্ফানের প্রভাবে গত এক সপ্তাহ যাবত বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ী ঢলের উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের চিকারকান্দি, বিকিরবিল ও পঁচাশোল হাওরের প্রায় ২ শতাধিকেরও অধিক একর জমির পাকা ধান পানির নিচে ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া ওই ৩ টি হাওরের উত্তর বড়দল ইউনিয়নের বারহাল, খাসতাল, জালালপুর, বোরখাড়া, আমবাড়ি, পৈলনপুর,চড়গাও, ইউনিয়নের আমতৈল, হলহলিয়া, পুরানঘাট ও শান্তিপুরসহ প্রায় ৩০ গ্রামের শতাধিক কৃষক ধানের চাষাবাদ করেছেন। বিকিরবিল হাওরের কৃষক বড়দল ইউনিয়ন সদস্য জিয়াউর রহমান(৩৭) বলেন, আমি এই হাওরের ১০ কেয়ার (৩০ শতাংশে এক কিয়ার) ব্রি আর-২৯ জাতের ধন লাগিয়ে ছিলাম (চাষ)। সব জমির ধানও পেকে (পাকা) গিয়েছিল। আমরা ধান কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। কিন্তু আম্ফানের প্রভাবে বৃষ্টি পাতের কারণে জমির ধান কাটিনি। কারণ ধান কাটলে ধান শুকনো যাবেনা। ধান পচে যাবে। যে চিন্তায় ধান কাটেনি এইডাই(সেটাই) পাইছে। গত সপ্তাহ খানেক ধরে মেঘের(বৃষ্টির) কারণে এই হাওরসহ আশপাশের কয়েকটি হাওরের সব পাকা ধানের জমি পানির নিচে ডুবে গেছে। এখন জমির ধান কাটতে ভাগালো ও পাচ্ছি না। নিজেরাও কাটতে পারছিনা। এখন যে কি করি। এরকম যদি কয়েকদিন জমির পাকা ধান পানির নিচে থাকে তাহলে জমির সব ধান পচেঁ যাবে।

পঁচাশোল হাওরের কৃষক হলহলিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমান (৪২) বলেন, গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ঢলের পানিতে হাওরটি ডুবে যায়। এতে করে আমার ৬ কিয়ার জমির ধান ডুবে যায়। জালালপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল মোতালিব(৫৫) বলেন, কি আর কমু বাজান! সারা বছর ঘরের ভাত খামু ভেবে খুব কষ্ট করে ২/৩ কিয়ার জিম লাগাই ছিলাম( ধান চাষ করে ছিলাম)। ধান পাইকাও (পাকা) গেছিল। ধান কাটার জন্য বাও ( প্রস্তুত) হইছিলাম। কিন্তু গরীবের কাঁপাল ও সুখ নাই? হেইডা আল্লায় আবার প্রামান করল। সব জমির পাকা ধান এহন পানির নিচে। একদিকে করোনার কারণে কাজকাম নাই। আর মেঘের কারণে এহন পাহার তাইকা পানি আইয়া পাকনা ধান পানির নিচে।যনি ধান না কাটতে পারি তাইলে উপাসে মরুম বাজান। তাই কোন ধান কাটুরা( ভাগালো) না পাইয়া নিজেই পানিতে ডুবাইয়া ধান কাটতে শুরু করলাম। পানিতে ডুবে যাওয়া ওই ৩টি হাওরের কৃষক নুরুল ইসলাম(৪৫), আব্দুস ছালাম(৪০), শাহানুর আলম(৩০), আব্দুর রশিদ(৫৫), আক্কাছ মিয়া(৩৫) ও শাহ আলম(৩৬) সহ প্রায় শতাধিক কৃষকের জমির ধান পানিতে ডুবেছে। তারা জানায়, ওই ৩ টি হাওরের ২৫ শতাংশ ধান কৃষকরা কাটতে পেরেছে। বাকি ৭৫ শতাংশ পাকা ধানেই ৩/৪ দিন ধরে পানির নিচে তলিয় আছে।

উপজেলা উপসহাকরী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, পঁচাশোল হাওর এটি উঁচু অঞ্চলের হাওর। তাই বৃষ্টি কমলেই এই হাওরে ঢলের পানি আসে আবার না থাকলে নেমে যাবে। তবে গত ২/৩ দিনে এউ হাওরের পানির নিচে য়লিয়ে যাওয়া ধান প্রায় কাটা শেষ হয়ে গেছে। আর খাসতালের সামনে যে ২ টি হাওর আছে সে হাওর গুলোর জমির ধান প্রায় ৭০/৭৫ ভাগ ধান কেটে ফেলেছে কৃষকরা। বাকি ২০/২৫ ভাগ ধান আছে পানির নিচে। যদি আগামীকাল থেকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকে থা হলে বাকি ধানও কেটে ফেলতে পারবে কৃষকরা। আর যদি এই ২/৩ দিন আবহাওয়া ভালো থাক থাকে তাহলে পানির নিচে ডুবে যাওয়া কিছু ধান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com