1. [email protected] : abulkasem745 :
  2. [email protected] : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. [email protected] : Arafathussain736 :
  4. [email protected] : didarkulaura :
  5. [email protected] : Press loskor : Press loskor
  6. [email protected] : HolyBd24.com :
  7. [email protected] : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. [email protected] : syed sumon : syed sumon
বৃহস্পতিবার, ০৮ এপ্রিল ২০২১, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু রাতে বিঘ্নিত হতে পারে মোবাইল নেটওয়ার্ক দেশের ৬ বিভাগে কালবৈশাখী হতে পারে দেশে এবছরই ফাইভজি চালু হবে: জয় মাওলানা রফিকুল ইসলামকে মুক্তি দিন- হেফাজতে ইসলাম মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন চুনারুঘাটের ছাত্রলীগ নেতা হেফাজত যে তান্ডব চালিয়েছে তা সহনশীলতার মাত্রা অতিক্রম করেছে : কাদের নির্দেশনা না মানলে সংক্রমণ-মৃত্যু নিয়ন্ত্রণহীন হতে পারে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সড়ক দুর্ঘটনায় চুনারুঘাট ছাত্রলীগ নেতা শিপন নি দলে হেফাজতপন্থিদের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে আ.লীগ কলেজছাত্রীকে প্রভাষকের কুপ্রস্তাব

ভারতের ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে পাত্তা দেয় না চীন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২০
  • ২০ বার ভিউ

ভারতের তুলনায় চীন নি:সন্দেহে অনেক শক্তিশালী। অর্থনৈতিক বা সামরিক দুই দিক থেকেই। তারা দ্রুত অত্যাধুনিক প্রচলিত ও পারমাণবিক অস্ত্রে নিজেদের অস্ত্রভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে চলেছে। ভারতও পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী। পাশাপাশি তারা চীনের ব্যালিস্টিক মিসাইল বাধা দিতে পারলে তাদের প্রতিরোধক সক্ষমতা অনেকগুণ বেড়ে যাবে।

কিন্তু চীনের মিডিয়া মনে করে ভারতের পক্ষে কার্যকর কোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা সম্ভব নয়।

তাদের এই ভাবনা ভারতের সঙ্গে সমস্যার কারণে নাকি তারা বেইজিংয়ের ব্যালিস্টিক মিসাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরিতে প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করছে – সেটা বুঝা মুশকিল।

ফুদং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিআরআই ইন্সটিটিউট অব স্ট্রাটেজি অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির গবেষক ফ্যাং শিয়াওঝি লিখেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত স্বাধীনভাবে ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে কিন্তু তারা এখনো বহুরকম সমস্যার সম্মুখিন। যেমন পর্যাপ্ত অর্থ, অমসৃণ আরঅ্যান্ডডি প্রক্রিয়া, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অন্য দেশগুলোর উপর অতিমাত্রায় নির্ভরতা ও অসম্পূর্ণ সিস্টেম। সত্যিকারের একটি ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পেতে হলে নয়া দিল্লিকে অনেকদূর যেতে হবে।

চীনা সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইট চায়নামেইল.কম-এর ইংরেজি সংস্করণে প্রকাশিত এই নিবন্ধ থেকে বুঝা যায় পিপলস লিবারেশন আর্মি এর মাধ্যমে একটি বার্তা দিতে চাচ্ছে।

ব্যালিস্টিক ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা (বিএমডি) ব্যবস্থার নতুন খেলোয়াড় ভারত – বিএমডি ইন্টারসেপ্টর ও এন্টি-স্যাটেলাইট উইপন – দু ক্ষেত্রেই। ভারতের বিএমডি ১৯৬০-এর দশকের মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মতো দুই-স্তর বিশিষ্ট। মহাশূন্যে বাধাদানের জন্য রয়েছে ‘পৃথিবী’ নামক রকেট। আর নিম্ন বায়ুমণ্ডলের জন্য অ্যাডভান্সড এরিয়া ডিফেন্স মিসাইল। টার্গেট ওয়্যারহেড যখন বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে তখন বাধা দেয়ান জন্য দ্বিতীয়টি।

চলতি বছরের জানুয়ারিতেই সরকারি কর্মকর্তারা মিডিয়াকে জানিয়েছিলেন যে বিএমডি উন্নয়ন ও পরীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। এই সিস্টেম এখন মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত।

ভারতীয় নিউজ সাইট দি প্রিন্ট লিখে: সিস্টেমের উদ্ভাবক ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) রাজধানী নয়া দিল্লির কাছে এই ব্যবস্থা স্থাপন ও সক্রিয় করতে অনুমতি চেয়েছে। স্থাপনে তিন থেকে চার বছর লেগে যেতে পারে।

তবে ভারতের সফলতাকে অকার্যকর বলে বাতিল করে দিয়েছেন চীনা গবেষক। তার মতে, ভারত তার এন্টি-মিসাইল পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে বিতর্কিত পন্থা অবলম্বন করেছে। আগে থেকে সব ঠিক করা একটি টার্গেটকে প্রতিরোধ করা হয়। আসল যুদ্ধের সময় এই কৌশল কাজ দেবে না। আর ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থার সত্যিকার কার্যকারিতা পরীক্ষার পদ্ধতিও এটা নয়। পরীক্ষার ফলাফলের উপর নির্ভর করা যায় না।

ফেং মনে করেন কার্যকর ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার মতো কারিগরি মেরুদণ্ড ভারতের নেই। এটা খুবই জটিল একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে বড় বড় দেশগুলোর সার্বিক শক্তিমত্তার প্রকাশ ঘটে। এর জন্য একটি সলিড কারিগরি ভিত্তি প্রয়োজন যেমন: এন্টি-মিসাইল আর্লি ওয়ানিং সিস্টেম, মিসাইল ইন্টারসেপশন সিস্টেম ও কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম। এগুলোর কোনটিই নিজের বলে ভারত দাবি করতে পারবে না। সেই তুলনায় রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শক্তিশালী ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। ভারতের প্রযুক্তি অনেক পিছিয়ে এবং এর গবেষণা ও উন্নয়নের মধ্যে অনেক বিকৃতি ও মোচড় রয়েছে। তাছাড়া তারা এত কম পরীক্ষা করছে যে তা দিয়ে প্রযুক্তিকে ভালোভাবে বুঝাও যাবে না।

তবে ফেং-এর এই বক্তব্য থেকে বুঝা যায় যে ভারতের তৎপরতার ব্যাপারে চীন একেবারে অনাগ্রহী নয়। পশ্চিম প্যাসিফিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে ভারতের সঙ্গে চীনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়তো আড়ালে পড়ে গেছে। ১৯৬২ সালে দুই দেশ সংক্ষিপ্ত সীমান্ত যুদ্ধে লিপ্ত হয়। সেই যুদ্ধে ভারতের পরাজয় ঘটে এবং চীন ভারতের বেশ কিছু ভূখণ্ড দখল করে নেয়।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com