1. abulkasem745@gmail.com : abulkasem745 :
  2. Amranahmod9852@gmail.com : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. Arafathussain736@gmail.com : Arafathussain736 :
  4. didar.kulaura@gmail.com : didarkulaura :
  5. Press.loskor@gmail.com : Press loskor : Press loskor
  6. Rezwanfaruki@gmail.Com : HolyBd24.com :
  7. Sohelrana9019@gmail.com : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. syedsumon22@yahoo.com : syed sumon : syed sumon
রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু ব্যাটারি রিক্সা-টমটম উচ্ছেদ-হয়রানি বন্ধের আহ্বান শ্রমিক-মালিক সংগ্রাম পরিষদের উইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াডে চমক ৩ নতুন মুখ স্কুল খুলে দিতে বলছে ইউনিসেফ অবশেষে হোয়াইট হাউস ছাড়ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প! পাবনায় জমি নিয়ে বিরোধ : দুইভাইকে কুপিয়ে হত্যা তাপস-খোকনের দুর্নীতি প্রমাণ হলে ব্যবস্থা : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী চলতি বছরে আইসিটিতে আরো ৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান’ দশ দেশের দখলে ৯৫ শতাংশ ভ্যাকসিন: ডব্লিউএইচও আমুরোড বাজারের পুরাতন ব্যবসায়ি মরহুম আইয়ূব আলী স্মরণে শোক সভা উপশহর হাইস্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা ।

তারল্য বাড়লেও বড় চ্যালেঞ্জ ঋণ বিতরণে

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২০
  • ১৫ বার ভিউ

করোনার নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত অর্থনৈতিক প্যাকেজ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোতে তারল্যের জোগান অনেকটা বেড়েছে। সরকার, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বিভিন্ন খাতে অর্থের জোগান দিতে দেড় লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।

এর মধ্যে সরকার বাজেট থেকে দেবে ৫ হাজার কোটি টাকা, বাংলাদেশ ব্যাংক দেবে ৯৭ হাজার কোটি টাকা এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো দেবে ৪৯ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকগুলোতে থাকা বর্তমান তারল্যের অতিরিক্তি হিসাবে এ অর্থের জোগান আসবে।

এর ফলে ব্যাংকিং সেক্টরে তারল্যের জোগান বেশ আশাব্যঞ্জক। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, তারল্য জোগানে গতি বাড়লেও সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সুষ্ঠুভাবে সময়মতো ঋণ বিতরণ করা। তাদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বহুমুখী ছাড়ের কারণে ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের ক্ষমতা বাড়লেও অবকাঠামোগত সুবিধা বা ক্ষমতায়ন বাড়েনি।

অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংক বিশ্লেষকদের কয়েকজন জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলো এখন ঋণ দিতে অনেক ক্ষেত্রে ভয় পায়। তারা ঋণ বিতরণ করার সাহস পায় না। আগের সব ভয়াবহ জাল-জালিয়াতির কারণে ব্যাংকারদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি কাজ করছে। এ কারণে অনেক ব্যাংকে পর্যাপ্ত তারল্য থাকার পরও তারা ঋণ দিচ্ছে না। এ অবস্থার উত্তরণ না ঘটলে

ঋণ বিতরণ বাড়ানো সম্ভব হবে না। তখন প্যাকেজগুলো যে উদ্দেশ্যে দেয়া হয়েছে তা অর্জন করা কঠিন হবে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘প্রণোদনা প্যাকেজটি পুরোটাই ব্যাংকনির্ভর। এগুলো বাস্তবায়ন করবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। কিন্তু চেনা গ্রাহকদের বাইরে গিয়ে নতুন গ্রাহকদের ঋণ দেবে কিনা সেটি একটি প্রশ্ন। বর্তমান গ্রাহকদের ঋণ দিতেও তাদের আগ্রাসী নীতিতে দ্রুত যেতে হবে। কেননা, এখন বাজারে উৎপাদন খাতে টাকার প্রবাহ যত বেশি বাড়বো যাবে, তত দ্রুত দেশের অর্থনীতির ক্ষতি পোষানো সম্ভব হবে। তাই এ ক্ষেত্রে ঝুঁকি নিয়ে হলেও ব্যাংকারদের এগিয়ে আসতে হবে।’

ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও বিজনেস ইনিশিয়েটিভ রিডিং ডেভেলপমেন্টের (বিল্ড) সভাপতি আবুল কাসেম খান বলেন, ‘এখন দ্রুত ও সহজ পদ্ধতিতে ঋণ বিতরণ করতে হবে। সেজন্য ব্যবসায়ীদের সংগঠনগুলোও কাজ শুরু করেছে।’

এদিকে ব্যাংকগুলো যাতে বেশিমাত্রায় ঋণ বিতরণ করতে পারে সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। যাতে ব্যাংকগুলো বেশি পরিমাণে ঋণ বিতরণ করতে পারে। এছাড়া ব্যাংকগুলো যাতে বেশি গ্রাহকদের ঋণ দিতে পারে সেজন্য ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইসহ বিভিন্ন চেম্বার বা অ্যাসোসিয়েশেনের পরামর্শ দিতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেননা, প্রায় সব ব্যবসায়ীই কোনো না কোনো অ্যাসোসিয়েশন বা চেম্বারের সঙ্গে জড়িত। এ জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী চিহ্নিত করতে তাদের সঙ্গেও ব্যাংকগুলোকে সংযুক্ত হতে বলা হয়েছে। যেসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এসব চেম্বার বা অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে জড়িত নয় তাদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন মার্কেটকেন্দ্রিক গ্র“পভিত্তিক ঋণ দিতে বলা হয়েছে। অপরদিকে অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের এনজিওদের মাধ্যমে ঋণ দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৫ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করেছে।

সূত্র জানায়, ব্যাংকগুলো আগে তারল্য সংকটে ছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকার জোগান দেয়ায় এখন আর তারল্য সংকট নেই। রফতানিমুখী শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিতে যে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে, তা থেকে অর্থ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা ছাড় করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এর বিপরীতে ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যাংকগুলোকে দিয়েছে।

গ্রাহকদের জরুরি চাহিদা মেটাতে ব্যাংকগুলোকে মোট আমানতের বিপরীতে গড়ে ৫ শতাংশ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হতো। এখন তা দেড় শতাংশ কমিয়ে সাড়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে আমানত রয়েছে প্রায় ১২ লাখ কোটি টাকা। এ হিসাবে ১৮ হাজার কোটি টাকা ইতোমধ্যে ব্যাংকগুলো তারল্যের মধ্যে চলে এসেছে।

ব্যাংকগুলো আমানতের সব অর্থ বিনিয়োগ করতে পারে না। ঝুঁকি কমানোর জন্য আগে সাধারণ ব্যাংকগুলো মোট আমানতের ৮৫ শতাংশ এবং ইসলামী ব্যাংকগুলো মোট আমানতের ৯০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারত। এ থেকে ২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে বিনিয়োগের ক্ষমতা। অর্থাৎ এখন সাধারণ ব্যাংকগুলো মোট আমানতের ৮৭ শতাংশ এবং ইসলামী ব্যাংকগুলো ৯২ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে। এ খাতে ব্যাংকগুলোর হাতে চলে এসেছে ২৪ হাজার কোটি টাকা।

চলতি অর্থবছরে ২৪ হাজার ১২৪ কোটি টাকার কৃষি ঋণ বিতরণের জন্য বরাদ্দ রেখেছে ব্যাংকগুলো। ফেব্র“য়ারি পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আরও ১৪ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হবে জুনের মধ্যে। এ খাতে সুদের হার ৯ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ করা হয়েছে এবং ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

কেননা, করোনার থাবা মোকাবেলা করতে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ জন্য কোনো কৃষি জমি যাতে পতিত না থাকে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে অর্থের অভাবে যাতে কৃষক পণ্যের উৎপাদন থেকে পিছিয়ে না যায় সেজন্য এ খাতে ঋণ প্রবাহ বাড়ানো হবে।

জামানত ছাড়াই বর্গাচাষীসহ অন্যান্য কৃষকদের ঋণ দেয়া হবে। একই সঙ্গে কৃষি পণ্যের বিপণন, প্রক্রিয়াকরণ খাতেও ঋণ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ৫ হাজার কোটি টাকা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১০ হাজার কোটি টাকার দুটি তহবিল গঠন করেছে।

ব্যাংকগুলোকে তারল্যের জোগান বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী সুদের হার দুই দফায় দশমিক ৭৫ শতাংশ কমানো হয়েছে। সরকারকে ঋণের জোগান দিতে ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগ করে। এখন সেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিক্রি করে টাকা ফেরত দিতে পারবে। এছাড়া শেয়ারবাজারে এসব বন্ড বেচাকেনার নিয়ম রয়েছে। সেখান থেকেও বাংলাদেশ ব্যাংক কিনে টাকার জোগান বাড়াবে।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com