1. [email protected] : abulkasem745 :
  2. [email protected] : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. [email protected] : Arafathussain736 :
  4. [email protected] : didarkulaura :
  5. [email protected] : Press loskor : Press loskor
  6. [email protected] : HolyBd24.com :
  7. [email protected] : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. [email protected] : syed sumon : syed sumon
বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু ফেসবুকে লকডাউন বিরোধী পোস্ট করায় যুবক গ্রেফতার কয়েক মাসেই নিয়ন্ত্রণে আসবে করোনা: ডব্লিউএইচও কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহচরসহ আটক ৩ সবাই জানে হেফাজতের তাণ্ডবে বিএনপি জড়িত : কাদের করোনায় প্রাণ গেল খুলনা জিলা স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষিকার লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি ভারি বর্ষণে সৌদিতে বন্যা, তুষারপাত হাইল ও আসিরে কয়েক মাসের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে আসবে করোনা দাবি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আরো ৭ হেফাজতকর্মী গ্রেপ্তার ১৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫০ বোতল ফেন্সিডিল এবং ১৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ০৫ (পাঁচ) জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করা হয়।

যেভাবে করোনা ঠেকিয়ে আগের মতোই সচল তাইওয়ান

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৩ মে, ২০২০
  • ২০ বার ভিউ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃঃ   জুনান শহরের এক প্রান্তে পাহাড়বেষ্টিত চোখজুড়ানো এলাকায় অবস্থিত ন্যাশনাল হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউট। এখন থেকে যাচ্ছি চংলি শহরে অবস্থিত ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনারে যোগ দিতে। ট্রেনের এই যাত্রাপথে একপাশে ফারমোজা প্রণালী যা তাইওয়ানকে চীন থেকে পৃথক করেছে, অন্য পাশে বিশাল সব পাহাড়। ট্রেনের জানালা দিয়ে সাগরের তীরে সারি সারি ঘূর্ণায়মান বায়ুকল দেখতে দেখতে ভাবছিলাম প্রিয় দেশের কথা। অজানা আতঙ্কে আমাদের দেশের জনমানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন যখন এলোমেলো, তখন তাইওয়ানের সব কিছুই প্রায় আগের মতোই সচল।

আমাদের দেশে যখন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অজানা সময়ের জন্য বন্ধ, তখন এদেশে স্কুল-কলেজ, কিংবা ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস-পরীক্ষা, খেলাধুলা সব কিছুই হচ্ছে স্বাভাবিক সময়ের মত। পৃথিবীর অনেক দেশের অর্থনীতির চাকা যেখানে স্থির হয়ে গেছে, তখন এখানে প্রায় আগের মতই সরকারি কিংবা বেসরকারি কলকারখানা, অফিস, সুপারশপ, গণপরিবহনব্যবস্থা সচল। বিভিন্ন দেশের প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলো, তাইওয়ান করোনা ভাইরাসকে চীন সাগরে আটকে রাখতে পেরেছে বলে স্বীকৃতি দিচ্ছে। কিন্তু আজকের এই অবস্থায় আসার জন্য তাদেরকে করতে হয়েছে অনেক পরিশ্রম এবং নিতে হয়েছে আগাম সব ব্যবস্থা।
উদাহরণ হিসাবে বলা যায় একটি ছোট অভিজ্ঞতার কথা। এই বছরের জানুয়ারি মাসে আমি গিয়েছিলাম ভারতের নয়াদিল্লিস্থ তাইপেই ইকোনমিক অ্যান্ড কালচারাল সেন্টারে তখন চীনে করোনাভাইরাস নিয়ে সবেমাত্র কথা হচ্ছিল। সেই শুরুর সময়েই তারা কালচারাল সেন্টারে প্রবেশের আগে রেসপাইরেটরি ডিজিজ প্রতিরোধের প্রাথমিক তিনটি নিয়ম- মাস্ক পরা, হাত জীবাণুমুক্তকরণ এবং শরীরের তাপমাত্রা মাপা বাধ্যতামূলক করে দিয়েছিল। যদিও সে সময়ে ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল ছিল দিল্লি থেকে হাজার কিলোমিটার দূরে চীনের উহানে, এমনকি তখন ইন্ডিয়াতে কেউ আক্রান্ত হয়েছে এমন তথ্যও ছিল না। তারপরও তারা যে ব্যবস্থা নিয়েছিল সেটা হলো আগাম প্রতিরোধব্যবস্থা। এই সময়ে আক্রান্ত দেশগুলো থেকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে এনে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করেছে সেই সাথে নিয়েছে বিমান যোগাযোগ বিচ্ছিন্নকরণ ব্যবস্থা।
আজকে সকালে যখন বাস এ উঠছিলাম তখন বাসচালক ইশারা দিয়ে মনে করিয়েদিল মাস্ক ব্যবহারের কথা, আসলে তাড়াহুড়া করতে গিয়ে ভুলেই গিয়েছিলাম। এখানে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থান থেকে শুরু করে বাস, ট্রেন, ক্লাস্রুমসহ প্রায় সবখানে ফেসমাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক। না হয় বড় অংকের জরিমানার মুখে পড়তে হবে। খুব স্বাভাবিকভাবেই মাস্কের জন্য হাহাকার শুরু হয়ে যাবার কথা ছিল, কিন্তু এটা হয়নি। একদম শুরুর দিকেই মাস্ক উৎপাদন এবং বিতরণের মধ্যে ভারসাম্য করা হয়েছে। প্রথমদিকে বিতরণব্যবস্থা সরকার নিজের হাতে নিয়ে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সপ্তাহে দুটি মাস্ক নিশ্চিত করেছিল, এখন যা বাড়িয়ে করা হয়েছে তিনটি।

মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় এমন রোগ প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান উপায় হল লক্ষণ প্রকাশ পাবার দ্রুততম সময়ের ভেতর আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা করে ফেলা যেন অন্য কেউ সংক্রমিত না হয় এবং একই সাথে আক্রান্ত ব্যক্তিকে তার মৌলিক চাহিদা চিকিৎসা দেওয়া যায়। করোনাভাইরাস বাহকের অন্যতম প্রথমিক লক্ষণ যেহেতু শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, তাই তাইওয়ানের প্রতিটি মেট্রোরেল স্টেশনে থার্মাল স্ক্যানার লাগানো। সারিবদ্ধভাবে যাত্রীরা প্লাটফর্মে ঢুকছে, আর তাদের অজান্তেই মাপা হচ্ছে তাদের গায়ের তাপমাত্রা। এমনকি প্রথমদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্লাস্রুমে ঢোকার আগেই ইনফ্রারেড থার্মোমিটার ব্যবহার করত, এখন আর এসবের ব্যবহার নাহয়ে প্রবেশমুখে স্থান নিয়েছে স্ক্যানার। এইরকমভাবে তাপমাত্রার রেকর্ড রাখার পাশাপাশি সব প্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখে রাখা আছে হাত জীবাণুমুক্তকরণব্যবস্থা। সত্যি কথা বলতে, এখানে থার্মাল স্ক্যানারের প্রাচুর্যতা দেখে হীনমন্যতা আর আফসোস দুটোই খুব বেড়েছে। করোনাভাইরাস ক্রাইসিসের শুরুর দিকে আমাদের দেশের খবরের কাগজে পড়েছিলাম, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্মাল স্ক্যানার বিকল, এমনকি স্থলবন্দরগুলিতেও ছিল না কোনো ব্যবস্থা। যদি আমাদের দায়িত্বশীল ব্যাক্তিরা একটু আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিত, তাহলে হয়ত আজকের এই অনিশ্চিত পরিবেশ তৈরি হতো না। যদিও আক্রান্ত হবার পর ব্যবস্থা যাকে আমরা বলি রোগ প্রতিকার, এই নীতির ওপর চলতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হয়েছে ইউরোপ আর আমেরিকা। কিন্তু উন্নত দেশগুলোর রোগ প্রতিকারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, অবকাঠামো, প্রশিক্ষিত লোকবল রয়েছে যার ওপর ভিত্তি করে খুব দ্রুতই রোগের বিস্তার অনেকটা সীমিত সীমার ভিতর নিয়ে আসতে পারবে। কিন্তু এই প্রতিকারের নীতি আমাদের মত গরীব দেশগুলোর জন্য বড্ড বেমানান। আমাদের বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন ছিল তাইওয়ান মডেল। যদিও অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে, তারপরও একাগ্র চিত্তে কাজ করলে এখনো অবস্থার উন্নতি ঘটানো সম্ভব।

প্রয়োজন প্রচুর টেস্ট, আর সেই সাথে আক্রান্ত রোগীদের শনাক্ত করে দ্রুততম সময়ের ভেতর আলাদা করে ফেলা। ব্যাপক সংখ্যায় পরীক্ষা, সেই সাথে আইসোলেশন-এই দুটোকে এখন বলা হচ্ছে গেইম চেঞ্জার। এটাই বর্তমানে উন্নত দেশগুলোতে করা হচ্ছে, তাদের প্রাথমিক ভুল বুঝতে পেরে এখন তারা প্রতিদিন প্রচুর সংখ্যক মানুষকে পরীক্ষার আওতায় নিয়ে আসছে। দক্ষিণ কোরিয়া এই নীতিতেই সফল হয়েছে। না হলে তারাই হতো চীনের পর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী। আমাদের দেশেও এটা করতে হবে, সেই সাথে উৎসাহিত করতে হবে গবেষণায়, দেশীয় প্রযুক্তিতে বের করতে হবে কিভাবে অল্প খরচে কম সময়ের ভেতর বেশি সংখ্যক রোগীকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করে ফেলা যায়। এক্ষেত্রে দেশে উদ্ভাবিত কিট হতে পারে খুব ভালো বিকল্প ব্যবস্থা।
আমাদের মনে রাখতে হবে, এটা সংক্রামক রোগ, এটা গোপন করলে শুধু নিজের ক্ষতি নয় আমাদের চারপাশের সুস্থ মানুষদের জন্যও ভয়ানক। তেমনিভাবে এটা এখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব তার জনগণের ওপর হুমকিস্বরূপ যেসব এসিমটোমেটিক বাহক আছে তাদের বের করে আ

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com