1. [email protected] : abulkasem745 :
  2. [email protected] : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. [email protected] : Arafathussain736 :
  4. [email protected] : didarkulaura :
  5. [email protected] : Press loskor : Press loskor
  6. [email protected] : HolyBd24.com :
  7. [email protected] : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. [email protected] : syed sumon : syed sumon
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের সাবমেরিন: সাগরতলে নৌবাহিনীর যুদ্ধ ক্ষমতা বাড়ছে

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২০
  • ২০ বার ভিউ

যেকোন ধরনের নৌঅভিযানের মধ্যে সাবমেরিন-বিরোধী যুদ্ধ সবচেয়ে জটিল। এরজন্য অত্যন্ত দক্ষ জনবল, যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন ও বিমানের পাশাপাশি সুসজ্জিত উপকূলীয় স্থাপনা থাকা প্রয়োজন।

এক কথায় বলতে গেলে এ ধরনের সফিসটিকেটেড অপারেশন ব্যয়বহুল। উন্নত দেশগুলোর এই সুবিধা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ আমেরিকা, এশিয়া প্যাসিফিক ও মধ্যপ্রাচ্যের উন্নয়নশীল দেশগুলোও ক্রমেই বেশি মাত্রায় সাবমেরিন ব্যবহারের দিকে ঝুকেছে।

বাংলাদেশের পাশে থাকা শাক্তিশালী ভারত রাশিয়া ও জার্মানির তৈরি সাবমেরিন পরিচালনা করে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে চীন দুটি সাবমেরিন বিক্রি করলে এর জবাবে ভারত তার একটি কিলো-ক্লাস সাবমেরিন মেরামত করে মিয়ানমারের কাছে বিক্রি করেছে।

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে থাকা দুটি মিং ক্লাস (টাইপ ০৩৫জি) ডিজেল-ইলেক্ট্রিক সাবমেরিন সাম্প্রতিক সময়ে পূর্ণ অপারেশনাল সামর্থ্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশী সাবমেরিনাররা এখন চীনা প্রশিক্ষকদের সাহায্য ছাড়াই সাবমেরিন পরিচালনায় সক্ষম। এরই মধ্যে তারা নিজেদের সামর্থ্য বাড়ানোর জন্য বিস্তৃত পরিসরে বেশ কিছু অভিযানও পরিচালনা করেছে।

নৌবাহিনী সূত্রে জানা গেছে যে ২০২০ সালের শেষ দিকে নির্ধারিত নৌমহড়ায় বাংলাদেশের সাবমেরিনগুলো অংশ নেবে।

সাবমেরিনগুলো বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অপারেশনে নতুন মাত্রা যোগ করবে। তবে এগুলোর সামর্থ্য দক্ষিণ এশিয়ার আরেক নৌবাহিনী – পাকিস্তান নৌবাহিনীর (পিএন) তুলনায় এখনো কম।

এন্টি-সাবমেরিন আধুনিক প্লাটফর্মের স্বল্পতা রয়েছে বাংলাদেশের। বহরে যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা কম। আরো সোনার সিস্টেম ও এন্টি-সাবমেরিন টর্পেডো থাকা উচিত ছিলো।

মিয়ানমারের কাছে ভারত শুধু সাবমেরিনই বিক্রি করেনি দেশটিকে এন্টি-সাবমেরিন টর্পেডোও সরবরাহ করেছে। মিয়ানমার নৌবাহিনীকে ‘হল মাউন্ডেট সোনার এডভান্সড’ সজ্জিত ফ্রিগেটও সরবরাহ করেছে ভারত। বাংলাদেশে নৌবাহিনী অবশ্য চীনা হল মাউন্টেড সোনারের বদলে পশ্চিমাদের তৈরি সোনার ব্যবহারে আগ্রহী। তবে চীনের সিস্টেম ফ্রান্স ও রাশিয়ার ডিজাইন অনুসরণ করে তৈরি।

বর্তমানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর শুধু বিএনএস বঙ্গবন্ধুর ব্যাপকভিত্তিক এন্টি-সাবমেরিন যুদ্ধ করার ক্ষমতা রয়েছে। এরও একটি ঘাটতি রয়েছে। এর কোন এন্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার হেলিকপ্টার নেই। তাছাড়া খুলনা শিপইয়ার্ডে নিজস্ব ডিজাইনে তৈরি দুটি ডারগাম ক্লাস এএসডব্লিউ এলপিসি-তে এন্টি-সাবমেরিন টর্পেডো রয়েছে। এগুলো ২০১৭ সালে কমিশন করা হয়।

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নবগঠিত এভিয়েশন শাখা এখনো কোন ডেডিকেটেড এন্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার এয়ারক্রাফট বা হেলিকপ্টার পায়নি। তবে ইটালির লিওনার্দোর তৈরি এডব্লিউ১৫৯-এর মতো এয়ারক্রাফট ও হেলিকপ্টার কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। তহবিল পাওয়া গেলে সেগুলো কেনা হবে।

তবে তহবিলের কারণে সরঞ্জাম কেনা আটকে থাকলে শত্রুর সাবমেরিন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর বহরের ব্যাপক ক্ষতি করতে পারবে।

তাই এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের নজর দেয়া উচিত।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com