1. [email protected] : abulkasem745 :
  2. [email protected] : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. [email protected] : Arafathussain736 :
  4. [email protected] : didarkulaura :
  5. [email protected] : Press loskor : Press loskor
  6. [email protected] : HolyBd24.com :
  7. [email protected] : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. [email protected] : syed sumon : syed sumon
মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু মেহেরপুরে নতুন করে ৬৮ জনের করোনা পজিটিভ মোমেনশাহী দর্পণ কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২১ অনুষ্ঠিত মেহেরপুরে নতুন করে আরোও ৬৯ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ কালের বিবর্তন: এম. সোহেল রানা ফেঞ্চুগঞ্জে হাস চুরির অপবাদ সইতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে তরুণের আত্নহত্যা  মাওলানা শামসুদ্দোহা ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক, ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী  বিশ্ববাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সামাদ মিয়া জাকারিয়া  হিংসা-বিদ্বেষ সহ মনের পশুকে পরাজিত করার বাণী নিয়ে এসেছে ঈদুল আযহা, সাইফুল্লাহ আল হোসাইন ভোগে সুখ নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ, ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী আব্দুল আজিজ মাসুক ফাউন্ডেশন এ-র পক্ষ থেকে চিকিৎসার সাহায্যার্থে নগদ অর্থ প্রদান

এমনি ভাবে আর চলবে কত কাল?

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪৪ বার ভিউ

-এম. সোহেল রানা, মেহেরপুর।
এমনি ভাবে মিথ্যা, অহংকারী, দূর্নীতিবাজ, স্বার্থপর, গোড়ামী, মূর্খদের শোষিত সমাজে আদি সংস্কৃতির মনোভাবাপন্ন লোকের পিছনে ভবিষৎ নবাগত প্রজন্মের স্বপ্নগুলো অনাদরে দলে পিশে ঘুনেধরা এ সমাজে বসবাস করতে হবে আর কত কাল? আর কত কাল তাদের গোলামী করলে ধ্বসেপড়া সমাজের হাল নবাগত প্রজন্মদের হাতে তুলে দিবে। আমাদের এই সমাজের কিছু স্বার্থান্নেষি মানুষের, মিথ্যাবলা, অহংকারী, দূর্নীতিবাজ কি আর পরিবর্তন আসবেনা কোন দিন? তারা কি ভবিষৎ প্রজন্মকে নিয়ে স্বপ্ন দেখবে না কোন দিন? এটা আমাদের অনেকেরই মনের মধ্যে প্রশ্ন জাগে! ফাটা-ভাঙা মাটির কলসের এতো যত্ন করে কি হবে, নতুন মাটির কলস কি আসবে না? না নতুন মাটির কলস তৈরি হবে না। মাটির কলস মানুষের উপকার আসে তখন যখন সে কলসে পানি ভর্তি করে রাখা হয়, মানুষের উপযুক্ত ব্যবহারের ফলে বা পানি পান করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু মাটির কলসটা যখন পুরান ফাটা বা ভাঙা হয় তখন সেটা পরিবর্তন করতে হয়। এবং নতুন মাটির কলসের আগমনে পুরান কলসের একটা নাম বা অহঙ্কার এমন হয়ে থাকে যে এতো দিন আমি মানবের কল্যাণ বা উপকার করেছি, এখন আমি না থাকলেও নতুন কলস কিনে আনবে সেই কলস আবার এই মানবের কল্যাণে উপকার করতে থাকবে। সে যেই আসুক না কেন সেই তো মানব কল্যাণে আসতে পারছি। এতেই মাটির কলস ধন্য হয়ে যায়। কিন্তু আমরা মানুষ নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে জীবন গেলেও ছাড়তে নারাজ। কারণ সেই অবস্থানের সকল সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ভয়ে। এই জিনিসটা আমি তৈরী/বানিয়েছি ভালো-মন্দ যায় হোক আমি বেঁচে থাকা কালিন পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করতে দিব না, তার ভিত্তিতেই পূর্বের চেয়ে একটু সংস্করণ করতে চাইলেও ঈর্ষা-হিংসায় জর্জরিত। আবার বলে কি না আমরা মরে যাবার পর তোমরা সংস্করণ করিও আমরা বেঁচে থাকতে নয়। এই আমাদের নিচু মনের বৃহৎ ভবিষৎ পরিকল্পনা। এই আমাদের সামাজিক চরিত্র, ভালোকে ভালো বলতে জানিনা, ভালো বললে তো সে নিজের চেয়ে অনেক উন্নত হয়ে গেল না? বহু বছর আগে ইংরেজ চলে গেছে কিন্তু তাদের রেখে যাওয়া কিছু কিছু চরিত্র আমরা আমাদের এই ঘুনেধরা সমাজের কিছু মানুষ এখনো অন্তরের খোরাক হিসাবে পুঁষে বেড়াচ্ছি।
যদি অযথা এখনো পুরান পাতিলের জন্য বুক ভাসিয়া কাঁদতে থাকতাম, তাহলে নতুন আলোর সন্ধানে সূর্য উদয় এখনো মনে হয় দেখতে পেতাম না। আবার যদি আদিম কালের পুরান সংস্কৃতি আঁকড়ে ধরে থাকতাম তাহলে হয়তো যুগে যুগে পরিবর্তন আমরা প্রযুক্তির নতুন যুগে এসে পৌঁছাতে পারতাম না, এবং প্রযুক্তির এই সুবিধাগুলো ভোগ করতে পারতাম না।
জানি “নিজের বুঝতো পাগলেও বোঝে” কিন্তু আমাদের এই ঘুনেধরা সমাজের কিছু কিছু স্বার্থপর লোক শুধু নিজের বুঝটাই বোঝে, সমাজ মাটি ও মানুষের জন্য কিছুই বুঝতে চাই না। সে আপন স্বার্থের জন্য অনেক নিচু কাজ করতেও দ্বিধাবোধ করে না। এই সমাজে কিছু অবুঝ মূর্খ বিদ্যমান যারা- দেখে না দেখার ভান করে, শুনেও না শুনার ভান করে, বুঝেও না বোঝার ভান করে। তেল ফেলে পাগলী সেঁজে পাগলামি করে থাকে।
সেই দিন বুঝবে যেদিন নিজের ক্ষমতা থাকবে না আর চলাফেরার মত। একদিন সম্মানহানী করে বিতাড়িত করবে, তিলে তিলে গড়া পরিবর্তনের সমাজ হতে সে দিন কিছুই থাকবেনা অবশিষ্ট্য তাঁদের বলার মত মুখের ভাষা। শুধুই অনুসূচনা করবে- হায়! থাকতে সম্মান কেন যে দিলাম না ছেড়ে, ভবিষৎ ভেবে নতুন প্রজন্মের হাতে সম্মান অক্ষুণ্য রাখতে সম্মানের সেই মসনদ। সুবিধাভোগী কুট বুদ্ধি দেওয়া সেই কুটনীতিগুলো আর কেহ থাকবে না পাশে। আবার মুখে বল- সমাজে আর বড়দের সম্মান দেয়না ছোটরা! কেন দেবে সম্মান তাদের এই সমাজে তো শেখানো হয়নি সম্মান দেওয়া, তাঁরা তোমাদের দেখে দেখে শিখেছে মিথ্যা বলা, দূর্নীনিবাজ, স্বার্থপরতা, তবে কেন কি ভাবে আশা কর নতুন প্রজন্মের সাথে সম্মান পাবার? দেওয়া হয় নি তো কখনো নতুন প্রজন্মকে ভালো কাজের উৎসাহ, সমাজের কোন ভালো কাজ শেখানোর জন্য রাখা হয়নি সাথে। দেওয়া হয়নি তাদের স্নেহ-ভালোবাসা। আপন অবস্থান টিকিয়ে রাখতে নেশা গ্রস্থদের ন্যায় ক্ষমতা নেশার ঘোরে যুদ্ধ করে চলেছো প্রজন্মের পর প্রজন্মদের সাথে। বঞ্চিত করেছো তাদের সামাজিক অধিকার থেকে। তোমরা বুঝি জেনে গেছো তোমরা চিরঞ্জিব হয়ে গেছো তোমাদের মৃত্যু আসবে না মনে হয়। তোমার ক্ষমতাও বুঝি ছাড়তে হবে না। তাই চিরতরের লাগি বুঝি গেঁড়ে গেছো নিজের অবস্থান না ছাড়ার মতলবে। নতুন প্রজন্ম ঘুনেধরা সমাজের ঐ সমস্ত অহংকারী, দূর্নীতিবাজ, মিথ্যুক ব্যক্তিদের ন্যাক্কার জনক ধিক্কার জানায় তোমাদের ঐ মূর্খতার বিবেক বুদ্ধিকে স্বার্থান্বেষীর মাধ্যমে জীবন পরিচালিত করছো ক্ষমতার দাপটে!
তোমরা নিজের দোষে পুঁড়ে মরো ভাগ্যের নামে দাও চালিয়ে। এখনো সময় আছে নিজেকে বুঝবার, নিজেকে সুধরাবার সময় থাকতে নিজেকে সুধরিয়ে চলবার মূর্খতার জগৎ ছেড়ে নতুন প্রজন্মের সাথে চলে দেখো। তাদের ব্যক্তগুলো প্রাধান্যের সহিত শুনতে চেষ্টা কর। তাঁরা কি বলতে চাই, তারা কত গতি সম্পন্ন। এটা তোমাদের সময় কালের গরুর গাড়ীর গতির বেগে চলার সময় না, এখন সময় এসেছে উন্নত তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পন্ন জেনে বুঝে ব্যালেঞ্চ ঠিক রেখে দ্রুতগতি বেগে চলাবার। “কারো সাথে সম্মান পেতে হলে, স্নেহ ভালোবাসা দ্বারা সম্মানি পাত্র তৈরি করতে হবে এবং অপরকেও সম্মান করতে হবে”।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com