1. [email protected] : abulkasem745 :
  2. [email protected] : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. [email protected] : Arafathussain736 :
  4. [email protected] : didarkulaura :
  5. [email protected] : Press loskor : Press loskor
  6. [email protected] : HolyBd24.com :
  7. [email protected] : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. [email protected] : syed sumon : syed sumon
রবিবার, ০২ মে ২০২১, ০২:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু খালিয়াজুরীতে কৃষকের ধান কেটে দিলেন যুবলীগ নেতারা ফেনসিডিলসহ কথিত ‘নারী সাংবাদিক’ ধরা ক্রমাগত ‘হত্যার হুমকি’ পাচ্ছেন মুনিয়ার বোন, থানায় জিডি সাড়ে ১৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ, কারাগারে কর্মকর্তা হেফাজতের সহকারী মহাসচিব জাফর আহমদ গ্রেফতার হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল কাসেমী ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেফতার ৬ যমজ সন্তান নিয়ে জার্মান নারীর ইসলাম গ্রহণ কুমিল্লায় ইয়াবা-গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক অস্ত্র-গুলি উদ্ধার : প্রতারক চক্রের প্রধান বাদশা মিয়া সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিতরণ

পোশাক শ্রমিকরা করোনায় নয়, মরবে‌ অনাহারেই

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২০
  • ২০ বার ভিউ

হলিবিডি ডেস্কঃ ‘অ্যামবাটুর ফ্যাশন ইন্ডিয়া’ ভারতের একটি নামি পোশাক কারখানা। মালিকের নাম বিজয় মাহতানি। তাঁর একটি সাম্প্রতিক মন্তব্য ভাবিয়ে তুলেছে অনেক মানুষকে।

করোনা সতর্কতার অংশ হিসেবে বিশ্বের অধিকাংশ কারখানা এখন বন্ধ। এ অবস্থায় শ্রমিকদের পরিণতি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করতে গিয়ে বিজয় মাহতানি মন্তব্য করেন, ‘আমাদের শ্রমিকরা যদি করোনাভাইরাসে না মরে, তারা মরবে অনাহারে, না খেতে পেয়ে।’
করোনাভাইরাসের বিশ্ব মহামারি পোশাক শিল্প খাতে কী প্রভাব ফেলছে সেটি বলতে গিয়েই এ মন্তব্য করেন কারখানাটির চেয়ারম্যান।

বিজয় মাহতানির সঙ্গে ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে আছেন আরো দুজন। এঁরা হলেন অমিত মাহতানি এবং শাওন ইসলাম। তিনটি দেশে ব্যবসা পরিচালনা করেন তাঁরা। সেখানে কাজ করেন প্রায় ১৮ হাজার কর্মী। বাংলাদেশ, ভারত এবং জর্ডানে তাদের কারখানা। কিন্তু করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যবসার একটা বিরাট অংশ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন। কেবল ঢাকার কারখানাটি অংশত চালু।

শ্রমিকদের তাঁরা যে মজুরি দিতে পারছেন না সেটি কেবল করোনাভাইরাস লকডাউনের কারণে নয়। তাঁদের মূল সমস্যা যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের বড় বড় ক্রেতাদের অন্যায্য দাবি।
‘অনেক ব্রান্ড সত্যিকারের অংশীদার হিসেবে পাশে দাঁড়াচ্ছে, নীতি-নৈতিকতা মেনে চলছে। তাঁরা চেষ্টা করছেন নগদ অর্থের সরবরাহ যেন অব্যাহত থাকে, যাতে শ্রমিকদের বেতন দেওয়া যায়’- বলেন অমিত মাহতানি, জর্ডানের টাস্কার অ্যাপারেলের প্রধান নির্বাহী।

অমিত মাহতানি আরো বলেন, ‘কিন্তু আমাদের এমন অভিজ্ঞতাও হয়েছে যেখানে তৈরি হচ্ছে বা হয়ে গেছে এমন জিনিসের অর্ডার বাতিলের জন্য তাঁরা চাপ দিয়েছেন। ট্রানজিটে আছে এমন পণ্য বা বকেয়া পাওনার ওপর ডিসকাউন্ট দাবি করেছেন। অনেকে বকেয়া পরিশোধের সময় আরো ৩০ বা ১২০ দিন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।

একটি ই-মেইল দেখা গেছে, একটি মার্কিন কম্পানি সব ধরনের অর্ডারে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট চেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এরইমধ্যে ডেলিভারি দিয়ে দেওয়া পণ্যও। তাঁরা কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন ‘অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এখন যেতে হচ্ছে’।

‘শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ কীভাবে রক্ষা করা যায় সেটাই কেবল তাঁদের চিন্তা, গার্মেন্টস শ্রমিকদের কথা তারা বিবেচনাতেই রাখছে না। দায়িত্বশীলভাবে পণ্য সংগ্রহের যে কথা তারা বলে, তার তোয়াক্কা না করে তারা এখন ভণ্ডামির আশ্রয় নিচ্ছে’- বলেন বিজয় মাহতানি।

বিজয় আরো বলেন, ‘ব্রান্ডগুলোর মনোযোগ থাকে শেয়ারের দামের দিকে। তাদের হাতে এই দুর্যোগের সময় যথেষ্ট অর্থ নেই। পুরো সাপ্লাই চেইনে তারাই এখন সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে। তারা এখন আমাদের কাছে আবেদন জানাচ্ছে সাহায্যের জন্য। যখন তাদের কীনা দেউলিয়াত্ব থেকে বাঁচতে মার্কিন সরকারের আর্থিক প্রণোদনা পেতে আবেদন করা উচিত।’

এসব ঘটছে এমন এক সময় যখন করোনাভাইরাস লকডাউনের কারণে পোশাক প্রস্তুতকারকরা দুদিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত।

প্রথম সমস্যা দেখা দিয়েছিল গত ফেব্রুয়ারিতে, যখন চীন থেকে কাঁচামাল আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। চীন হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কাপড় রপ্তানিকারক। বছরে ১১৮ বিলিয়ন ডলারের কাপড় রপ্তানি করেন তারা।

এরপর সম্প্রতি যখন চীনের টেক্সটাইল কারখানাগুলো খুলতে শুরু করে, গার্মেন্টস কারখানা মালিকরা আশা করছিলেন এবার তারা উৎপাদন আগের অবস্থায় নিয়ে যেতে পারবেন। কিন্তু তারপর এলো দ্বিতীয় ধাক্কা- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লকডাউনের কারণে বন্ধ হয়ে গেল দোকান-পাট। চাহিদা পড়ে গেল রাতারাতি।

গুরুত্বপূর্ণ শিল্প
চীনকে বলা হয় সারা বিশ্বের কারখানা। কিন্তু তৈরি পোশাকের বেলায় বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, ক্যাম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম এবং মিয়ানমার পালন করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

‘গত ১০ বছর ধরে তৈরি পোশাক শিল্প চীন থেকে অন্যান্য দেশে সরে যাচ্ছে। কারণ চীনে এখন খরচ পড়ছে বেশি’, বলছেন পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান ‘লিভার স্টাইলে‌’র স্ট্যানলি সেটো। নামকরা সব ব্রান্ডের পোশাক সরবরাহ করে তার কোম্পানি।

এর মানে হচ্ছে এশিয়ার অনেক উন্নয়নশীল দেশের জন্য পোশাক শিল্প এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী এখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পোশাক রফতানিকারক চারটি দেশের দুটি হচ্ছে বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনাম । বিশ্ব বাজারে মোট রফতানির ৬ দশমিক ৭ শতাংশ যায় বাংলাদেশ থেকে, আর ৫ দশমিক ৭ শতাংশ ভিয়েতনাম থেকে।

বাংলাদেশে গার্মেন্টস শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখ। গত বছর বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এসেছে এই খাত থেকে। ক্যাম্বোডিয়া এবং শ্রীলংকাও এই শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। তাদের রফতানির ৬০ শতাংশ হচ্ছে তৈরি পোশাক। বাংলাদেশে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে যত মানুষ কাজ করে, তার প্রায় অর্ধেক এই শিল্পে নিয়োজিত। অন্যদিকে ক্যাম্বোডিয়ায় আরো বেশি, প্রায় ৬০ শতাংশ।

ইউনিভার্সিটি অব ডেলাওয়্যারের ফ্যাশন অ্যান্ড অ্যাপারেল স্টাডিজের শেং লু বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, ক্যাম্বোডিয়া এবং ভারতের গার্মেন্টস শিল্পে ৪ হতে ৯ শতাংশ পর্যন্ত মানুষ কাজ হারাতে পারে। এ কারণেই বাংলাদেশ সরকার তৈরি পোশাক শিল্পকে সাহায্য করার চেষ্টা করছে।

বাংলাদেশের স্প্যারো অ্যাপারেলসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাওন ইসলাম বলেন, ‘সরকার খুবই উদার এক আর্থিক প্রণোদনা ঘোষণা করেছে।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com