1. [email protected] : abulkasem745 :
  2. [email protected] : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. [email protected] : Arafathussain736 :
  4. [email protected] : didarkulaura :
  5. [email protected] : Press loskor : Press loskor
  6. [email protected] : HolyBd24.com :
  7. [email protected] : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. [email protected] : syed sumon : syed sumon
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু নোংরা পরিবেশে সেমাই উৎপাদন, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা নাটোরে র‌্যাবের অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক হেফাজত নেতা জাকারিয়া নোমান গ্রেপ্তার নগরীতে যুবক হত্যায় গ্রেপ্তার ৩, একজনের স্বীকারোক্তি চুনারুঘাটে ১০ কেজি গাঁজাসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার ইনজেকশন দিয়ে তরমুজে কি কিছু মেশানো হয়? যা জানা গেল রিকশাচালককে নির্যাতনকারী সেই সুলতানকে জেলহাজতে প্রেরণ গ্রামে বাড়ি করতে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অনুমতি নিতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ফকিরহাটে নবাগত ইউএনও সানদিজা বেগমের যোগদান এখনও ধোঁয়া উড়ছে সুন্দরবনে

বেড়েছে করোনা ঝুঁকি খুলনায় হাসপাতাল-ক্লিনিকে নেই নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা!

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০
  • ১৮ বার ভিউ

প্রাণঘাতী ‘করোনা’র সংক্রমণ প্রতিরোধে বেড়েছে ভাইরাস প্রতিরোধক সামগ্রীর ব্যবহার ও ক্লিনিক্যাল বর্জ্য। এসব বর্জ্য যথাযথ ব্যবস্থাপনায় ধ্বংস বা জীবাণুমুক্ত না করা হলে বয়ে আনতে পারে ভয়াবহ পরিস্থিতি, সে শঙ্কাই বাড়িয়ে দিচ্ছে। কারণ, বিভাগীয় নগরী খুলনার হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা নেই। অধিকাংশ ক্লিনিক্যাল বর্জ্য আস্তাকুঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এতে নগরের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। বর্তমান সময়ের প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রার্দুভাবে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমনে ভীতিসন্ত্রস্ত। জীবাণুমুক্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সচেতনতায় এ ভাইরাস রুখে দেবার মুখ্য হাতিয়ার। স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাত ধোয়া ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় জনসচেতনতায় দেশব্যাপী কাজ করলে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র হাসপাতাল-ক্লিনিকের পরিত্যক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে। খুলনার সরকারি হাসপাতালগুলোতে যথাযথ চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার সুযোগে ব্যাঙের ছাতার মতো যত্রতত্র গড়ে উঠেছে বেসরকারি হাসপাতাল, প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এসব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলা হচ্ছে। এতে নগরের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হয়। এসব বর্জ্যরে পরিত্যক্ত জীবাণু ও ভাইরাসের সংক্রমনে নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা থাকে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর বেসরকারি হাসপাতাল, প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে বর্জ্য ফেলা এবং তা ধ্বংস করার জন্য তাদের নিজস্ব কোনো ব্যবস্থা নেই। এসব প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য রাস্তার পাশে খোলা আস্তাকুঁড়ে অথবা রাস্তার পাশে কোনো খোলা জায়গায় ফেলা হয়।

বিএমএ খুলনার একজন সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জানিয়েছেন, ইনসিনেটরের মাধ্যমে হাসপাতালের বর্জ্য পুড়িয়ে ফেলা বিজ্ঞানসম্মত হলেও খুলনার কোনো হাসপাতালে এর ব্যবস্থা নেই। বিদেশে হাসপাতালের বর্জ্য ইনসিনেটরের মাধ্যমে একেবারে ভস্ম করে ফেলা হয়। যার পরিবেশ দূষণের মাত্রাও নগণ্য।

নগরীর ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পৃক্ত বেসরকারি সংস্থা প্রদীপনের নির্বাহী পরিচালক মোঃ ফেরদৌসুর রহমান সময়ের খবরকে বলেন, “নগরে প্রায় দেড়শ’ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এরমধ্যে মাত্র ১০৬টি প্রতিষ্ঠানের ক্লিনিক্যাল বর্জ্য প্রদীপন ব্যবস্থাপনা করে থাকে। তারা এসব বর্জ্য তাদের প্রতিষ্ঠানের বিশেষ গাড়িতে করে নিয়ে নগর থেকে দূরে রাজবাধে সিটি কর্পোরেশনের ভাগাড়ে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলে। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো ইচ্ছামতো তাদের বর্জ্য নগরের খোলা ডাস্টবিন বা রাস্তার পাশে ফেলে দেয়। ২০০২ সালের এপ্রিল থেকে প্রদীপন ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করছে।” অন্যদিকে, সম্প্রতি দৌলতপুর খালিশপুর ও খানজাহান আলী থানা এলাকায় ‘সদ্বিচ্ছা’ নামের আরেক বেসরকারি সংস্থ্য ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ২৫/২৬টি প্রতিষ্ঠানের সাশে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।

জনউদ্যোগ খুলনার আহ্বায়ক এড. কুদরত-ই খুদা বলেন, নগরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বর্জ্য খোলা ডাস্টবিন বা রাস্তার পাশে ফেলে রাখায় নগরের পরিবেশ মারাত্মক দূষিত হচ্ছে। এসব বর্জ্য থেকে রোগ-জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস সংক্রমনের প্রাদুর্ভাবে এ আশঙ্কা এখন প্রবল।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবাগত পরিচালক ডাঃ মুন্সী মোঃ রেজা সেকেন্দার বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বর্জ্য হাসপাতালের নির্দিষ্ট এক স্থানে রাখা হয়। পরে তা ধ্বংস করে ফেলা হয়। বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকেরও বর্জ্য নিজ দায়িত্বে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পুড়িয়ে ফেলা উচিত বলে পরামর্শ তার।

অন্য প্রসঙ্গে খুলনা শিশু হাসপাতালের কনসালটেন ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ বললেন, ব্যবহৃত মাস্ক, গ্লাভস্ ও পরহিত পোশক শিশুর নাগালের বাইরে রাখুন। জীবানু মুক্ত না হয়ে শিশুকে স্পর্শ না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ব্যবহার অনুপযোগী ভাইরাস প্রতিরোধকগুলো পুড়িয়ে ফেলা উত্তম বলে মন্তব্য তার। সূত্র : সময়ের খবর

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com