1. [email protected] : abulkasem745 :
  2. [email protected] : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. [email protected] : Arafathussain736 :
  4. [email protected] : didarkulaura :
  5. [email protected] : Press loskor : Press loskor
  6. [email protected] : HolyBd24.com :
  7. [email protected] : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. [email protected] : syed sumon : syed sumon
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০২:৫৯ অপরাহ্ন

পাকিস্তানকে যেভাবে সামরিক পাওয়ার হাউসে পরিণত করছে চীন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২০
  • ৩৯ বার ভিউ

হলিবিডি ডেস্ক ঃ
গত দুই দশকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক তিক্ত হতে থাকায় পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী মোটামুটিভাবে চীনা সরঞ্জাম সরবরাহের দিকে তাকিয়ে ছিল। চীন অনেক দিন ধরেই পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর সরবরাহ করে এলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা জোরদার হয়েছে। চীনা রফতানি সরঞ্জামের প্রধান ক্রেতায় পরিণত হয়েছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের কাছে চীনের সবচেয়ে শক্তিশালী যেসব অস্ত্র বিক্রি করেছে বা লাইসেন্স দিয়েছে, এখানে তার কয়েকটির কথা বলা হলো।

১. পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি

১৯৯০-এর দশকের পরমাণু অস্ত্র অর্জনকে মনে করা হয় পরমাণু বিস্তাররোধ ব্যবস্থার অন্যতম ব্যর্থতা। তবে ব্যাপকভাবে বলা হয় যে এ কিউ খানের গুপ্তচর বৃত্তির বাইরে পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচিতে তাৎপর্যপূর্ণ সহায়তা করেছে চীন। অভিযোগ রয়েছে যে ক্ষেপণাস্ত্র উপাদান, যুদ্ধাস্ত্রের নক্সা, এবং এমনকি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পর্যন্ত যোগান দিয়েছে চীন। এর পেছনে থাকা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পরিষ্কার। ভারতের ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উচ্চাভিলাষ ভণ্ডুল করে দিতে পাকিস্তান সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পরিষ্কার যে পরমাণু সহায়তাই চীন/পাকিস্তান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সবচেয়ে ভয়াবহ উদাহরণ।

২. জেএফ-১৭ জঙ্গিবিমান

জেএফ-১৭ এখন পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে প্রধান মাল্টিরোল জঙ্গিবিমান। আগে এই অবস্থানে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৬সি। বিমান থেকে বিমানে, আকাশ থেকে স্থলে গোলাবর্ষণের ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিমান একদিকে স্বল্প খরচের এবং সেইসাথে আবার অত্যাধুনিক নানা সক্ষমতায় পরিপূর্ণ। থ্রাস্ট-টু-ওয়েট অনুপাত ও টার্ন রেটের দিক থেকে ভারতের সু-৩০এমকেআইয়ের বিরুদ্ধে আকাশযুদ্ধে অসুবিধাজনক অবস্থায় থাকলেও দৃষ্টির বাইরে থাকার ক্ষেত্রে জেএফ-১৭ কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।

৩. এ-১০০ মাল্টিপল রকেট লঞ্চার

মাল্টিপল রকেট লঞ্চার (এমআরএল) যুদ্ধক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্র। ডানবাসের যুদ্ধ অভিজ্ঞতায় প্রমাণিত হয়েছে যে কোনো ইউনিট যদি স্থির ও অপ্রস্তুত থাকে তবে এমআরএল ওই ইউনিটকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে ফেলতে পারে। এ-১০০ হলো সর্বাধুনিক এমআরএল সিস্টেম। এর অপারেশনাল সক্ষমতা প্রায় দুই হাজার। ২০০৮ সালের দিকে চীন থেকে পাকিস্তানে আসে প্রথম চালানটি। এরপর থেকে পাকিস্তান এর জন্য দেশীয়ভাবে রকেট উৎপাদন করার জন্য স্থাপনা নির্মাণ করেছে। ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই দূরপাল্লার এমআরএল মোতায়েন করেছে। ভারতীয়রা সোভিয়েত/রাশিয়ান বিএম-৩০ সিমর্চ এমআরএল মোতায়েন করেছে। প্রচলিত যুদ্ধের শুরুতেই রকেট আর্টিলারি বড় ধরনের হতাহত ঘটাতে পারে। ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের জন্যই প্রচলিত ভীতি প্রদর্শনের কৌশলের অংশ বিবেচনা করা হয় এমআরএল সিস্টেমকে।

৪. ভিটি-১এ

ভিটি-১এ বিকল্পভাবে আল-খালিদ বা এমবিটি-২০০০ নামে পরিচিত। এটি এই অঞ্চলের সবচেয়ে বিধ্বংসী ট্যাঙ্কের অন্যতম। পাকিস্তান ও চীনের যৌথ প্রকল্প হিসেবে নক্সা করা হলেও তা করা হয়েছিল একেবারে নতুন করে। প্রডাকশন ট্যাঙ্কের রয়েছে থার্মাল গার্নার সাইট, প্যানোরমিক কমান্ডার্স সাইট ও একটি ১২৫ এমএম কামান। আধুনিক রুশ বা পাশ্চাত্যের ট্যাঙ্কটগুলোর মতো মানসম্পন্ন না হলেও ভিটি-১এ ভারতীয় ট্যাঙ্ক বহরে থাকা টি-৭২এম-এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম। অবশ্য, আরো আধুনিক টি-৯০ হতে পারে ভিটি-১এ-এর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অবশ্য, চীনের ভিটি-১এ-এর উন্নত সংস্করণ ভিটি-৪ সংগ্রহের চিন্তা করছে পাকিস্তান।

৫. এইচকিউ-১৬

পাকিস্তান সামরিক বাহিনী তাদের বিমান প্রতিরক্ষার জন্য দীর্ঘ দিন ধরেই বিমান বাহিনীর ওপর নির্ভর করে থাকলেও তারা চীনা এইচকিউ-১৬ মধ্যম পাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য (এসএএম) ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ করেছে। রাশিয়ার বাক এসএএমের ব্যাপক আধুনিকায়নে তৈরী এই এইচকিউ-১৬ বেশ ফলপ্রসূ। এইচকিউ-১৬-এর ব্যাটারিগুলোও অত্যন্ত ক্ষিপ্রগতিসম্পন্ন। ফলে সেগুলো আর্টিলারি ও এসইএডি/ডিইএডি হামলা এড়াতে পারে। চীনা দূরপাল্লার এইচকিউ-৯ সিস্টেমও সংগ্রহ করা নিয়ে আলোচনা করছে পাকিস্তান। এগুলো রুশ এস-৩০০ দূরপাল্লার এসএএমের মতো।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com