1. [email protected] : abulkasem745 :
  2. [email protected] : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. [email protected] : Arafathussain736 :
  4. [email protected] : didarkulaura :
  5. [email protected] : Press loskor : Press loskor
  6. [email protected] : HolyBd24.com :
  7. [email protected] : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. [email protected] : syed sumon : syed sumon
মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ১১:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু ঝড়ে পন্টুন থেকে নদীতে পড়া সেই মাইক্রো উদ্ধার, নিখোঁজ চালক বাজেট অধিবেশন শুরু ২ জুন চীনের ৫ লাখ টিকা নিয়ে বুধবার ফিরবে বিমান বাহিনীর প্লেন বাগেরহাটে আ.লীগের সভাপতির বাড়িতে যুবলীগ নেতার হামলা-লুট খুলনা বিভা‌গে করোনায় আক্রান্ত ৩২ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ৫৯০ ঈদ উপলক্ষে ভোমরা স্থলবন্দরে পাঁচ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ বেনাপোল সীমান্তে ৫টি পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার গোবর-গোমূত্র করোনার বিরুদ্ধে অকার্যকর, ভারতীয় চিকিৎসকদের সতর্কতা মাধবপুরে চোরাকারবারীরা বেপরোয়া আল আকসায় হামলার জবাবে ইসরায়েলে পাল্টা রকেট হামলা হামাসের

স্বাধীনতা সংগ্রামে উলামায়ে কেরামদের অবদান

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২০
  • ৪০ বার ভিউ

আব্দুল হাই আল-হাদী
.
স্বাধীনতার ইতিহাস বর্ণনা করতে গিয়ে যে বিষয়টা সর্বদাই উপেক্ষিত হয়,সেটা হচ্ছে স্বাধীনতা সংগ্রামে উলামাদের অবদান।অনেকে আবার ঢালাউভাবে উলামাদেরকে নেগেটিভভাবেও উপস্থাপন করেন।উলামাদের অবদানকে স্বীকার করতে চান না।এটা কিন্তু চরম অকৃতজ্ঞতা। আজকে আমি চাচ্ছি স্বাধীনতা সংগ্রামে উলামাদের অবদান নিয়ে কিছু আলোচনা করতে।
স্বাধীনতা মহান আল্লাহর এক বিরাট নিয়ামত।একটি জাতীর জন্য স্বাধীনতার কতটুকু প্রয়োজন এবং মূল্যবান, তা হাড়ে হাড়ে অনুভব করে ঐসব লোক যাদের স্বাধীনতা নেই।পরাধীন জাতী পদে পদে তার বহু মৌলিক অধীকার থেকে বঞ্চিত হয়। তারা মানবীক মার্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়ে পাশবিক জীবন যাবনে বাধ্য হয়।

পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে,মুসলিম জাতী সর্বদাই স্বাধীনতা প্রিয়,যুগে যুগে তারা কোথাও কখনো পরাধীনতাকে মেনে নেয়নি।স্বাধীনতার জন্য যুগে যুগে তারা রক্ত দিয়েছে,জীবন দিয়েছে এবং এ ধারা অব্যাহত।

আমরা জানি, দখলদার ব্রিটিশরা আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশকে দুই থেকে আড়াইশত বছর পর্যন্ত পরাধীন করে রেখেছিল।তাদের বিরোদ্ধে স্বাধীনতার সংগ্রামের সূচনা সর্বপ্রথম মুসলিমরাই করেছিলেন।বিশেষভাবে হক্কানী উলামায়ে কেরাম।

ইতিহাস থেকে জানা যায়,ভারতবর্ষে ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা করেন শাহ ওলিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলী (র.)।তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে উলামায়ে দেওবন্দ আন্দোলন সংগ্রাম করেন।পরে অন্যানরাও এতে যুক্ত হয়।কিছুদিন আগে ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রীও স্বীকার করেছেন, উলামায়ে দেওবন্দ না হলে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আসতনা।

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও গণভবনে উলামাদের একটি অনুষ্ঠানে সেকথাটি বলেছেন। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম ত্যাগ তিতীক্ষা আর রক্তের বিনিমেয় ১৯৪৭ সালে আমরা পেয়েছি ব্রিটিশ দখলদার থেকে মুক্তি আর ১৯৭১ সালে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে যারা যেভাবে অবদান রেখেছেন, জীবন উৎসর্গ করেছেন,আজকের দিনে সকলের জন্য মাগফিরাত কামনা করছি।

১৯৭১ সালে সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেছেন অসংখ্য উলামায়ে কেরাম ও পীর-মাশায়েখগণ।বিশেষত কওমি দেওবন্দী সুন্নী উলামায়ে কেরাম।দেশের মজলুম জনগণের স্বার্থে দেশের অনেক ওলামায়ে কেরাম তাদের জান-মালসহ সর্বশক্তি দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন।

এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবী মনে করেন স্বাধীনতা সংগ্রামে আলেম সমাজের কোনো অবদান নেই। এমনটি মনে করার কোনো অবকাশ নেই। স্বাধীনতা যুদ্ধে আলেমদের অবদান অনস্বীকার্য। আজাদী আন্দোলন, সিপাহী বিপ্লব, ইংরেজ খেদাও আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা আন্দোলনসহ দেশ ও জনগণের স্বার্থে সকল প্রকার সংগ্রামে অনেক ক্ষেত্রে আলেম সমাজ ছিলেন অগ্রগামী।

একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল ‘জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের ‘লড়াই’। এদেশের নিরীহ মানুষ ছিলেন মজলুম। বিবেকসম্পন্ন কোনো মানুষ কখনও জালিমের পক্ষাবলম্বন করতে পারেন না। বাংলাদেশের বিখ্যাত আলেম ও বুজর্গ মাওলানা মোহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জি হুজুর (রহ) সে সময় স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, ‘এ যুদ্ধ ইসলাম আর কুফরের যুদ্ধ নয়, এটা হলো জালেম আর মজলুমের যুদ্ধ’। পাকিস্তানিরা জালেম, এদেশের বাঙালিরা মজলুম। তাই সামর্থের আলোকে সকলকেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে হবে এবং এটাকে প্রধান কর্তব্য বলে মনে করতে হবে’।

বাংলাদেশের কওমী মাদ্রাসা গুলির মধ্যে অন্যতম বড় একটি মাদ্রাসা হল চট্রগ্রামের জামেয়া ইসলামিয়া পটিয়া মাদ্রাসা॥ ১৯৭১ সালে এপ্রিল মাসে প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমান এই চট্রগ্রামের পটিয়া মাদ্রাসায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান কে আশ্রয় দেয়ার অপরাধে পটিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক আল্লামা দানেশ কে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা হত্যা করে। “পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন নিশ্চিত হয় পটিয়া মাদ্রাসার আলেমরা মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেছে, তখনি ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল সেই পটিয়া মাদ্রাসার উপর জঙ্গি বিমান দিয়ে বোমা বর্ষণ করা শুরু করে॥ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর এই বোমা বর্ষনে পটিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক আল্লামা দানেশ ও ক্বারী জেবুল হাসান সহ অনেকেই শহীদ হন।” সূত্র-বেলাল মোহাম্মদ ; স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র; পৃষ্ঠা – ৫৪,৫৫ ও ১০২॥

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের প্রধান মুহাদ্দিস ছিলেন শায়খুল ইসলাম আমীমুল এহসান (রহঃ)। আমীমুল এহসান(রর্হঃ) তিনিও কিন্তু ফতোয়া দিয়েছিলেন নিরপরাধ মানুষ হত্যা ও জুলুমবাজির প্রেতাত্মা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে ইয়াহইয়া সরকার তাঁকে জোর করে সৌদি-আরব পাঠিয়ে দেয়। দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন এবং বঙ্গবন্ধু তাঁকে ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের প্রধান খতীব হিসাবে নিযুক্ত করেন।

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সিপাহশালার শাইখুল ইসলাম হোসাইন আহমদ মাদানী (রহ)-এর বিশিষ্ট খলিফা, আধ্যাত্মিক রাহবার আল্লামা লুৎফুর রহমান বর্ণভী ছিলেন একজন দূরদর্শী সিপাহসালার। তিনি তখন পাকিস্তনের পক্ষ অবলম্বন না করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং বিপদগ্রস্ত বাঙালি মানুষদের সাহায্য-সহযোগিতা করেছিলেন। তৎকালীন সময়ে একবার তিনি আল্লামা আশরাফ আলী ধর্মপুরী (রহ) কে বলেছিলেন, ‘আমি সূর্যের মতো স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি যে, কয়েক দিনের ভেতরেই এদেশ স্বাধীন হয়ে যাবে এবং পাকিস্তানি হানাদারের জুলুমের কবল থেকে এ দেশের জনগণ মুক্তি লাভ করবে’।
.
চলবে…………

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com