1. [email protected] : abulkasem745 :
  2. [email protected] : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. [email protected] : Arafathussain736 :
  4. [email protected] : didarkulaura :
  5. [email protected] : Press loskor : Press loskor
  6. [email protected] : HolyBd24.com :
  7. [email protected] : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. [email protected] : syed sumon : syed sumon
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু বিশ্ববাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সামাদ মিয়া জাকারিয়া  হিংসা-বিদ্বেষ সহ মনের পশুকে পরাজিত করার বাণী নিয়ে এসেছে ঈদুল আযহা, সাইফুল্লাহ আল হোসাইন ভোগে সুখ নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ, ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী আব্দুল আজিজ মাসুক ফাউন্ডেশন এ-র পক্ষ থেকে চিকিৎসার সাহায্যার্থে নগদ অর্থ প্রদান আবার কবে আমার বয়স্ক ভাতা হবে! ঘূর্ণিঝড় “ইয়াস” আগে তোরা মানুষ হ- “মা” প্রতিপক্ষকে ফাঁসাথে গিয়ে, একই দিনের ঘটনায় চিকিৎসার কাগজপত্রে একমাসের পার্থক্য ফেঞ্চুগঞ্জে ছুরিকাঘাতে আহত করে আবারও আহতদের উপরে মিথ্যে মামলা করার অভিযোগ

২১ বছরেও শেষ হয়নি যশোর উদীচী ট্র্যাজেডির বিচার

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২০
  • ৩৬ বার ভিউ

হলিবিডি প্রতিনিধিঃ উদীচী ট্র্যাজেডির ২১ বছর পূর্ণ হলো আজ। দু’দশকের বেশি সময় পার হলেও আজো অপরাধীদের শনাক্ত করা হয়নি। এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত হয়নি তাদের শাস্তি। এতদিনে ভয়াল সেই হামলায় আহতদের শারীরিক ক্ষত পূরণ হয়েছে ঠিকই, তবে যথাযথ বিচার না হওয়ায় মনের ক্ষত প্রকট রয়েছে। বিচার চাইতে গিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন নিহতের স্বজনসহ আহতরা। এ অবস্থায় প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত ও সুবিচারের জন্যে ঘটনার পুনঃতদন্তের দাবি উঠেছে। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষের সমন্বয়ে উদীচী আয়োজিত উন্মুক্ত আলোচনায় গতকাল বৃহস্পতিবার এ দাবি করেন অংশগ্রহণকারীরা।
১৯৯৯ সালের ৬ মার্চ রাত ১টা ১০ মিনিটে যশোর টাউনহল মাঠে উদীচীর দ্বাদশ জাতীয় সম্মেলনের শেষ দিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দু’টি বোমার বিস্ফোরণে নিহত হন ১০ জন। আহত হন আড়াই শতাধিক মানুষ। নৃশংস এ হত্যাকান্ডের পর দু’দশক পার হলেও বিচারের মুখোমুখি করা যায়নি ঘাতকদের। যদিও ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি হান্নান আদালতে উদীচী বোমা হামলায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। এতবড় একটি বর্বর ঘটনার বিচার এবং ঘাতকদের শাস্তি না হওয়ায় সবচেয়ে বেশি যন্ত্রণা নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন বোমা হামলায় আহতরা। গণমাধ্যমের কাছে নিজেদের ‘একদিনের হিরো’ আখ্যা দিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে সেই ঘটনায় এক পা হারানো উদীচী কর্মী সুকান্ত দাস আক্ষেপ করে বলেন, বছরের এই দিন আসলে নতুন করে স্বপ্ন দেখি সুবিচারের। কারণ এ সময়টায় গণমাধ্যম কর্মীদের তৎপরতা নতুন আশার সঞ্চার করে। যদিও এ আশা নিয়েই কেটেছে ২১ বছর। তিনি আরও বলেন, বরাবরই বলে এসেছি প্রকৃত অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্যে সরকারের আন্তরিকতা প্রয়োজন। ১৯৯৯ সালে উদীচী ট্র্যাজেডির সময় আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল। বতর্মানেও আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায়। এই সরকারের আমলে বঙ্গবন্ধু ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর হয়েছে। উদীচী ট্র্যাজেডিরও বিচার হবে এ আশা এখনো করি।
উদীচী যশোরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহবুবুর রহমান মজনু বলেন, তারা মনে করেন যে বিচার হয়েছে তা প্রহসন। ১৯৯৯ সালে তৎকালীন সরকার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তিকে পর্যদস্ত করার জন্যে উদীচী হত্যাকান্ডের মামলাকে ব্যবহার করার কারণে সুবিচার পাওয়া যায়নি।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান খান বিপ্লব বলেন, উদীচীর সম্মেলনে বোমা হামলার মধ্য দিয়ে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গণে বোমার সংস্কৃতি শুরু করে সন্ত্রাসীরা। এত বছর ধরে আমরা সেই নারকীয় হামলার বিচার চেয়ে আসছি। কিন্তু লাভ কিছুই হয়নি। আমরা বিশ্বাস করি বর্তমান সরকার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের, তারা সংস্কৃতিমনা। ফলে, তারা এ হামলার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবে।
মামলার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে উদীচী যশোর থেকে জানানো হয়, ঘটনার পর পৃথক দু’টি মামলা হয়। তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৪ ডিসেম্বর বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামসহ ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে সিআইডি। পরবর্তীতে চার্জ গঠনের সময় উচ্চ আদালতে আবেদনের প্রেক্ষিতে তরিকুল ইসলামকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। চাঞ্চল্যকর এ মামলা আদালতে গড়ানোর সাত বছর পর ২০০৬ সালের ৩০ মে মামলার রায় প্রদান করেন আদালত। রায়ে সব আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। পরবর্তীতে এ হামলার সাথে জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়ে পুনঃতদন্তের উদ্যোগ নেয় সরকার। এসময় উদীচী ও রাষ্ট্রপক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে দু’টি আপিল করে। ২০১১ সালের ৪ মে রাষ্ট্রপক্ষের দায়ের করা আপিলটি বিচারপতি সিদ্দিুকুর রহমান ও কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গ্রহণ করে খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পুনরায় আত্মসমর্পণের জন্যে সমন জারির নির্দেশ দেন। ২০১১ সালের ২০ জুন এ সংক্রান্ত আদেশ যশোর বিচারকি হাকিম আদালতে পৌঁছালে ২১ জুন মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত খালাসপ্রাপ্ত ২৩ আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। এর মধ্যে তিন আসামি মহিউদ্দিন আলমগীর, আহসান কবীর হাসান এবং মিজানুর রহমান মিজানের মৃত্যু হওয়ায় আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ২০ জন। তাদের মধ্যে ১৭ জন বিভিন্ন সময়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পায়। আসামিদের মধ্যে শফিকুল ইসলাম মিন্টা, শরিফুল ইসলাম লিটু ও সোহরাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করায় তাদের বিরুদ্ধে ২০১১ সালের ২৪ জুলাই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ২০১২ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে এ মামলার আসামি সাইফুল ইসলাম খুন হন। একই মাসে শফিকুল ইসলাম মিন্টা আটক হয় ও পরে জামিন লাভ করে। বর্তমানে জীবিত সকল আসামি জামিনে আছেন।
এ বছর দিবসটি স্মরণে যশোর উদীচী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে বিকেল চারটা এক মিনিটে টাউন হল মাঠের ঘটনাস্থলে প্রতিবাদী গান, আলোচনা সভা, শহিদ বেদীতে আলোক প্রজ্বলন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ। বৃহস্পতিবার দিবসটি উপলক্ষে প্রেসক্লাব যশোরে উদীচী আয়োজন করে মুক্ত আলোচনার। মাহবুবুর রহমান মজনুর সভাপতিত্বে এতে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির (মার্কসবাদী) সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, জেলা আ’লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সাবেক এমপি মনিরুল ইসলাম মনিরসহ সাংবাদিক এবং সংস্কৃতিকর্মীরা। বক্তারা উদীচী মামলার পুনরায় তদন্তের জোর দাবি জানান।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com