1. abulkasem745@gmail.com : abulkasem745 :
  2. Amranahmod9852@gmail.com : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. Arafathussain736@gmail.com : Arafathussain736 :
  4. didar.kulaura@gmail.com : didarkulaura :
  5. Press.loskor@gmail.com : Press loskor : Press loskor
  6. Rezwanfaruki@gmail.Com : HolyBd24.com :
  7. Sohelrana9019@gmail.com : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. syedsumon22@yahoo.com : syed sumon : syed sumon
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু মেহেরপুর জেলার করোনা পরিস্থিতি আপডেট কালীগঞ্জে মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় যুবকের আত্মহত্যা থানায় সেবা নিতে আসা মানুষদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করুন : খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ড.খ: মহিদ উদ্দিন ফেঞ্চুগঞ্জে –  চার ভাই এন্টারপ্রাইজ এর – শুভ উদ্ভোধন ফেঞ্চুগঞ্জে  সিএনজি চালিত অটোরিকশা উল্টে গোলাপগঞ্জের একজন নিহত    স্কুল-কলেজ খোলার চিন্তা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, ১০ মাস পর যুবক গ্রেফতার তাহিরপুরে ইএলজি প্রকল্পের ষান্মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার আত্মহত্যাই বলে দিল মর্জিনার সব কুকীর্তি বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রশাসক সুজন অযোগ্য ও কাজে অবহেলাকারীর স্থান নেই

খুমেক হাসপাতালে সরকারি ওষুধ লিখতে চিকিৎসকদেরখুমেক অনীহা!

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২০
  • ৪ বার ভিউ

হলিবিডি প্রতিনিধিঃ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন প্রতিদিন গড়ে ১৩শ’ রোগী। ১০ টাকার টিকিট কেটে বিনামূল্যে সেবা নিতে আসা বেশিরভাগ রোগীই গ্রামাঞ্চলের হতদরিদ্র মানুষ। হাসপাতালের ফার্মেসীতে পর্যাপ্ত সরকারি ওষুধ সাপ্লাই থাকা সত্ত্বেও রোগীদের তা লেখেন না চিকিৎসকরা। হাসপাতালে ১৩শ’ রোগীর বিপরীতে গড়ে ৩শ’ রোগীও সরকারি ওষুধ পায় না। এতে সরকারি ওষুধ মেয়াদউত্তীর্ণ হওয়ার ঘটনা যেমন ঘটছে ওষুধ না পেয়ে রোগ না পেরে ধুকে ধুকে মড়ছে সাধারণ মানুষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, খুমেক হাসপাতালে বহির্বিভাগের ফার্মেসীতে রোগীদের বিনামূল্যে প্রদানের জন্য চলতি মাসে ২৭ ধরনের ওষুধ রয়েছে। এর ভিতরে প্যারাসিটামল ও এন্টিহিসটামিন-এর মত সহজলভ্য ও কমদামী ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন দামী এন্টিবায়টিকও রয়েছে।
হাসপাতালের সাবস্টোর ও ফার্মেসীর হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ন্যূনতম ২৫ থেকে ৩৫ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে প্রদানে ব্যবস্থা রয়েছে। সরবরাহযোগ্য এসব ওষুধের তালিকা বহির্বিভাগে সকল চিকিৎসকে চার্ট আকারে প্রদান করা হয় ফার্মেসীর পক্ষ থেকে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিন রোগী আসে গড়ে ১৩শ’। গত ১১ দিনে ১৩৯৯২ জন রোগী বহির্বিভাগে টিকিট কেটে চিকিৎসা নিয়েছে। যা প্রতিদিন ১৩শ’ রোগীর বেশি।
হাসপাতালের ফার্মেসীতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১০ দিনে মোট ওষুধ দেয়া হয়েছে ৩১২২ জন রোগীকে। শতকরা হিসাব করলে চার ভাগের একভাগ রোগীও সরকারি ওষুধ পায় না। গত কয়েকদিন রোগীদের পরামর্শপত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বেশির ভাগ ওষুধই প্যারাসিটামল, এন্টিহিস্টামিন এবং ওমিপ্রাজল ওষুধ। তুলনামুলক কম লেখা হয় অন্য ওষুধগুলো।
এন্টিবায়টিক ওষুধ-এর বাজার মূল্য তুলনামুলক অনেক বেশি হওয়ায় হাসপাতালে আসা হতদরিত্র রোগীদের অনেকেই এমন ওষুধ কিনে কোর্স সম্পন্ন না পারার কারণে একই রোগে বার বার আক্রান্ত হয়ে ধুকে ধুকে মারা যাচ্ছে।
এদিকে অনুসন্ধানে দেখাগেছে, বহির্বিভাগে শর্ট ¯িপের মাধ্যমে ওষুধ চুরি হাসপাতালের পুরনো ও নৈমিত্তিক ঘটনা হলেও এখন তা সিস্টেম পাল্টে আবারও একই ধরনের ঘটনা ঘটছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে অন্তত ৫০-৬০ জন ফ্রি সার্ভিস কর্মচারী হাসপাতালে ঢোকার সময় রোগী সেজে একাধিক টিকিট কাটে। বাড়ি যাওয়ার আগে তার চিকিৎসককে দিয়ে ঐ টিকিটের বিপরীতে বিভিন্ন ওষুধ লিখিয়ে ফার্মেসী থেকে নিয়ে বাড়ি যায়। এ ভাবে মাসের লক্ষ টাকার ওষুধ পাচার হয়ে যাচ্ছে খুমেক হাসপাতালের ফার্মেসী থেকে ফ্রি সার্ভিস ও চিকিৎসকদের দালালদের মাধ্যমে। অনেক চিকিৎসক ফ্রি সার্ভিস রা বেতন পায়না বলে এটাকে জায়েজ করার চেষ্টা করে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাসপাতালের বহির্বিভাগে ৩০ জন চিকিৎসক রোগীদের সেবা দিয়ে থাকে। যার বেশিরভাগই সঠিকভাবে সরকারি ওষুধ রোগীদের প্রেসক্রিপসনে লেখেন না। ডেন্টাল সার্জন, নাক কান গলা ও গাইনী বিভাগের রোগীদেরকে ওষুধ দেয়া হয় বলে জানা গেছে ফার্মেসী থেকে।
জানা যায় সম্প্রতি হাসপাতালের পরিচালকের দপ্তর থেকে সরকারি ওষুধ লেখার জন্য বহির্বিভাগের চিকিৎসকদের মৌখিক নির্দেশনা ও লিখিত চিঠিও দেয়া হয়েছে। এরপরও ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের নিকট থেকে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে সাধারণ মানুষকে সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত করছে এক শ্রেণীর চিকিৎসক।
খুলনা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডাঃ এ টিএম মোর্শেদ সময়ের খবরকে বলেন বর্তমানে হাসপাতালে প্রায় ত্রিশ ধরনের ওষুধ সাপ্লাই আছে। সাধারণত রোগীদের যে সকল ওষুধের প্রয়োজন হয়, তার বেশিরভাগই সাপ্লাই রয়েছে। এরপর বহির্বিভাগের কিছু কিছু চিকিৎসক ওষুধ কম লেখেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সতর্কও করা হয়েছে।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com