1. abulkasem745@gmail.com : abulkasem745 :
  2. Amranahmod9852@gmail.com : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. Arafathussain736@gmail.com : Arafathussain736 :
  4. didar.kulaura@gmail.com : didarkulaura :
  5. Press.loskor@gmail.com : Press loskor : Press loskor
  6. Rezwanfaruki@gmail.Com : HolyBd24.com :
  7. Sohelrana9019@gmail.com : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. syedsumon22@yahoo.com : syed sumon : syed sumon
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু সিলেট-তামাবিল রোডে মসজিদ কবরস্থান রক্ষায় প্রধানমমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা কেএমপি’র মাদক বিরোধী অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক ছয় সাতক্ষীরায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু খুলনায় ৩৭৪ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ ঢাকা বিভাগীয় কল্যাণ সমিতির কার্যকরী ও উপদেষ্টা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত মেহেরপুর জেলার করোনা পরিস্থিতি আপডেট যৌনপল্লিতে বিদ্যালয় সম্প্রসারণ এবং হোস্টেল নির্মাণের উদ্বোধন প্রতিটি শিশুর শিক্ষার অধিকার রয়েছে -সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রথম স্থান অর্জন করায় বাংলাদেশ পুলিশ গর্বিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত অপরাধিকে সাঁজা দিয়েই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে- আইন মন্ত্রী

তুরস্ক ও সিরিয়ার মধ্যে যেকোনো মুহূর্তে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২০
  • ৪ বার ভিউ

আন্তর্জাতিক সংবাদ
উত্তর পশ্চিম সিরিয়ায় এক বিমান হামলায় ৩৩ জন তুর্কি সৈন্য নিহত হবার পর একে কেন্দ্র করে ওই অঞ্চলে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ঘটনার পরই তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান আঙ্কারায় এক উচ্চপর্যায়ে নিরাপত্তা বৈঠক করেন এবং তুরস্কের বাহিনী সিরিয়ার ২০০টি লক্ষ্যবস্তুর ওপর স্থল ও বিমান হামলা শুরু করে । এতে ৩০৯ জন সিরিয়ান সৈন্যকে ‘নির্মূল’ করা হয়েছে এবং ৫টি হেলিকপ্টার, ২৩টি ট্যাংক, ২৩টি হাওইটজার এবং দুটি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে বলে তুরস্ক দাবি করছে।

এ ঘটনাকে কেন বিপদজনক বলে মনে করা হচ্ছে?
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই সিরিয়ার সরকারি বাহিনী ইদলিব প্রদেশ পুনর্দখলের জন্য রাশিয়ার সামরিক সমর্থন নিয়ে ব্যাপক যুদ্ধ চালাচ্ছে। ইদলিব হচ্ছে সিরিয়ার ভেতরে বাশার আসাদবিরোধী বিদ্রোহীদের সবশেষ ঘাঁটি। এখানে একাধিক তুরস্ক-সমর্থিত সিরিয়ান বিদ্রোহী, জিহাদি ও আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী আছে।

যে কারণে পরিস্থিতি জটিল আকার নিচ্ছে তা হলো, তুরস্ক হচ্ছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট নেটোর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। অন্যদিকে সিরিয়ার বাশার আসাদ সরকারের মিত্র হচ্ছে অপর পরাশক্তি রাশিয়া।

ইদলিবে অনেকগুলো সিরিয়ান বিদ্রোহী গোষ্ঠী ঘাঁটি গেড়েছে
তাই তুরস্ক আক্রান্ত হলে ইদলিবের যুদ্ধে পরাশক্তিগুলো জড়িয়ে পড়ে কিনা সেই আশংকা বেড়ে যাচ্ছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিক জোসেপ বোরেল বলেছেন, সিরিয়ায় একটি বড় আকারের আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

কাদের বিমান হামলায় নিহত হলো তুর্কি সৈন্যরা?
খবরে জানা যাচ্ছে, ইদলিব প্রদেশে বাশার আসাদ-বিরোধী বাহিনী সারাকেব নামে একটি শহর দখল করে নেয়ার পর ওই বিমান হামলা চালানো হয়। সেখানে তুর্কি সৈন্যরা জিহাদি যোদ্ধাদের পাশে নিয়ে যুদ্ধ করছিল বলে বলা হয়, যদিও তুরস্ক তা অস্বীকার করছে।

তুরস্কের হাতায় প্রদেশের গভর্নর রাহমি ডোগান বলেছেন, ‘আসাদের বাহিনীর বিমান হামলায় আমাদের ৩৩ জন সৈন্য শহীদ হয়েছেন।

তিনি যদিও বলছেন সিরিয়ান বাহিনীর কথা – কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব বিমান হামলা চালায় বাশার আসাদের মিত্র রুশ বাহিনী। কিন্তু রাশিয়া বলেছে, বালিউন নামে ওই এলাকায় রুশ বাহিনী যুদ্ধ করছিল না।

তাহলে বালিউন এলাকায় আসলে কী ঘটেছিল?
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, বালিউন এলাকায় তুর্কি সৈন্যরা তাদের ভাষায় ‘সন্ত্রাসীদের’ সাথে মিলে যুদ্ধরত থাকার সময় এক ‘বোমাবর্ষণে’ নিহত হয়।

এখানে হায়াত তাহরির আল-শাম গোষ্ঠী বা সাবেক আল-নুসরা বাহিনীর যোদ্ধারা – সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালাচ্ছিল।

রাশিয়া বলছে, ইদলিবে যাতে তুরস্কের সৈন্যরা আক্রান্ত না হয় – সে জন্য তারা সব সময় তুরস্কের সাথে যোগাযোগ রেখে চলছিল। কিন্তু বালিউন এলাকায় যে তুরস্কের সৈন্যরা সক্রিয় আছে তা তাদের জানানো হয়নি।

রাশিয়া বলেছে, ওই এলাকায় তাদের বিমান কোন আক্রমণ চালাচ্ছিল না।

কিন্তু তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, কোথায় তুরস্কের সৈন্য আছে তা রাশিয়াকে জানানো হয়েছিল এবং আক্রান্ত তুরস্ক সৈন্যদের কাছাকাছি কোন সশস্ত্র গোষ্ঠী ছিল না।

এ পরিস্থিতিতে নেটোর পক্ষ থেকে ইদলিবের সব পক্ষকে যুদ্ধ বন্ধ করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

তা ছাড়া শুক্রবার সকালেই এরদোগান ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে এক জরুরি টেলিফোন-আলাপ হয়েছে বলেও জানা গেছে।

ইইউ উদ্বিগ্ন: আরো অভিবাসী ঢুকে পড়তে পারে ইউরোপে
তুরস্ক এর আগেই বলেছিল, ইদলিবে তাদের অভিযানের উদ্দেশ্য হচ্ছে উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় একটি নিরাপদ এলাকা তৈরি করা- যাতে যুদ্ধের কারণে সিরিয়া থেকে পালাতে থাকা বেসামরিক লোকদের সিরিয়ার ভূখন্ডের ভেতরেই আশ্রয় দেয়া যায় এবং তারা তুরস্কের ভেতরে ঢুকে না পড়ে।

কারণ তুরস্ক বলছে তারা প্রায় ৩৭ লাখ সিরিয়ান অভিবাসীকে আশ্রয় দিয়েছে এবং তাদের দেশে আর কাউকে আশ্রয় দেবার জায়গা নেই।

তুরস্কের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে শরণার্থীদের দলগুলো ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে ঢোকার চেষ্টায় তুরস্ক-গ্রীস সীমান্তের দিকে যাচ্ছে।

এর আগেই খবর বেরোয় যে তুরস্ক পশ্চিমা দেশগুলোকে সতর্ক করে দিয়েছে যে ইদলিব অভিযানে তাদের সমর্থন না পেলে- যেভাবে তারা সিরিয়ান অভিবাসীদের ইউরোপে ঢোকা ঠেকিয়ে রেখেছে, তা আর করবে না।

তুরস্কের সরকারি সূত্রে এমন আভাস দেয়া হয়েছিল বলেও খবর বের হয়। তবে তুরস্ক অভিবাসীদের ব্যাপারে তার নীতি পরিবর্তনের কথা অস্বীকার করেছে।

তবে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলছে, সিরিয়ার ঘটনাবলী তুরস্কের ওপর অভিবাসনের চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু শত শত সিরিয়ান অভিবাসী গ্রীসের লেসবস দ্বীপে যাবার জন্য সীমান্তের দিকে যাত্রা শুরু করেছে এমন খবরের পর গ্রীস সীমান্তে প্রহরা জোরদার করেছে।

এই গ্রীস দিয়েই ১০ লাখেরও বেশি অভিবাসী ইউরোপ ঢুকেছিল এবং ২০১৫ সালে তুরস্ক ও ইইউর এক চুক্তির অধীনে সেই অভিবাসনের জোয়ার নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

পূর্ণমাত্রার সংঘাতের পরিস্থিতি?
বিবিসির বিশ্লেষক জোনাথন মার্কাস বলছেন, তুরস্ক এবং সিরিয়ার মধ্যে এখন পূর্ণ-মাত্রার সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

কিন্তু তিনি বলছেন, প্রশ্ন হলো আঙ্কারা বা দামেস্ক এ ক্ষেত্রে পিছু হটবে কিনা। মস্কোকে যদিও এখানে কোন নিরপেক্ষ দেশ বলা যায় না – কিন্তু তারা উত্তেজনা হ্রাসে কোন ভুমিকা রাখবে কি?

তারা কি বাশার আসাদ সরকারের ইদলিব পুনর্দখলের অভিযান বন্ধ করতে পারবে?
এ নিয়ে সংশয় আছে কারণ, বাশার আসাদ চাইছেন তিনি সিরিয়ার পুরো ভূখন্ডের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ পুনপ্রতিষ্ঠা করবেন এবং এ কাজে রাশিয়া তাকে বরাবর সাহায্য করে চলেছে।

খবর পাওয়া যাচ্ছে যে ক্রুজ মিসাইল সজ্জিত দুটি রাশিয়ান ফ্রিগেট এখন বসফরাস প্রণালী পার হয়ে ভূমধ্যসাগরের দিকে যাচ্ছে। যদিও মস্কো বলছে, এর সাথে সিরিয়ার ঘটনাবলীর কোন সম্পর্ক নেই।

নেটোর মহাসচিব ইয়েন্স স্টোলটেনবার্গ সিরিয়ার বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে রাশিয়া ও বাশার আসাদের বাহিনীর অভিযান থামাতে বলেছেন। নেটো জোটের পক্ষ থেকে ইদলিবে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।

কিন্তু দামেস্কের সরকারি কর্মকর্তারা বরেছেন, ইদলিবে তার ভাষায় সন্ত্রাসীদের তৎপরতা দীর্ঘায়িত করতে পশ্চিমাদের কোনো চেষ্টা তারা মেনে নেবেনা।

প্রেসিডেন্ট এরদোগানের একজন মুখপাত্র বলেছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে বলা হয়েছে সিরিয়ার সরকারের সাথে সস্পৃক্ত যে কোন কিছুই তুরস্কের বৈধ টার্গেট, এবং তাদের আঘাত করা হবে। আঙ্কারার অনুরোধে আজই ব্রাসেলসে নেটো জোটের এক জরুরি বৈঠক হতে যাচ্ছে।

তবে বিবিসির বিশ্লেষক জোনাথন মার্কাস বলছেন, এ ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভুমিকা প্রায় দর্শকের মতো হয়ে পড়েছে। কারণ রাশিয়া ছাড়া এখানে উত্তেজনা কমাতে কার্যকর ভূমিকার পালন করার মতো কেউ নেই।

তিনি বলছেন, এতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতির ব্যর্থতা বোঝা যায়। বিবিসি।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com