1. [email protected] : abulkasem745 :
  2. [email protected] : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. [email protected] : Arafathussain736 :
  4. [email protected] : didarkulaura :
  5. [email protected] : Press loskor : Press loskor
  6. [email protected] : HolyBd24.com :
  7. [email protected] : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. [email protected] : syed sumon : syed sumon
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুল ইসলাম শাহ্ এ-র মৃত্যুতে আব্দুল শহীদ কাজল এ-র শোক  বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুল ইসলাম শাহ্ আর নেই  নৌকার প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব-কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিলেট জেলা যুবলীগ নেতা লিটন নৌকার প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব-কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রয়ন উত্তরণ মানবিক সংগঠন এ-র সাধারণ সম্পাদক ফয়সল ইসলাম লিটন এ-র জন্মদিনে শুভেচ্ছা  আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন আব্দুল শহীদ কাজল মেহেরপুর’র এসপি খুলনা বিভাগ সেরা হওয়ায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা জেলা শাখার পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জকিগঞ্জে হেফাযতের উপজেলার প্রধান সমন্বয়ক গ্রেফতারের দাবী জানাচ্ছে স্থানীয় আওয়ামীলীগ মেহেরপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা প্রশাসনিক এবং জনপ্রতিনিধিদের দপ্তরে শুভেচ্ছা বিনিময় ও পরিচিতি প্রদান বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব সিলেট জেলার সহ-সভাপতি মনোনীত ফেঞ্চুগঞ্জের এমরান আহমদ

মতলবের ‘এমবি মহারাজ’ লঞ্চ ট্রাজেডির সেই ভয়ংকর দিন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৩৪ বার ভিউ

মোঃ আব্দুল আলী দেওয়ান (আব্দুল্লাহ) চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ চাঁদপুরসহ সারাদেশে শোকের মাতম বিরাজ করেছিলো আজকের এই দিনে। আত্মিয়তার বন্ধনে আবদ্ধ সম্পর্কের টানে দুর দুরান্ত থেকে জড়ো হতে থাকেন মতলবের পথে ঘাটে এবং গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে স্বজন হারানো মানুষদের শান্তনা দেয়ার জন্য। এটা কোন গল্প বা মন জুরানো ইতিহাস নয় বরং এটা শরীর শিউরে উঠা মতলবের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দূর্ঘটনা এম.বি মহারাজ লঞ্চডুবির ঘটনা। ইতিহাসের একটি কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে ২০০৫ সালের আজকের এই দিন ১৯ শে ফেব্রুয়ারী ফাল্গুনে বসন্তের আনন্দের আমেজের মধ্যে সংঘঠিত স্বজন হারানোর হৃদয় বিদার বেদনা।

সেদিন ছিল ১৯ শে ফেব্রুয়ারী, রাত ১১ টায় মতলবের বড় লঞ্চগুলোর মধ্যে সবচাইতে বড় লঞ্চ এম.ভি মহারাজ কয়েক শতাধিক যাত্রী নিয়ে রাজধানী ঢাকার সদরঘাট ত্যাগ করে মতলবের উদ্দেশ্যে। ঠিক রাত ১১.৩০ এর দিকে বুড়িগঙ্গা নদীতে পাগলা নামক স্থানে ঝরের কবলে লঞ্চটি উল্টে ডুবে যায়। যাত্রীদের বেশির ভাগ ছিল মতলব উত্তর এবং দক্ষিনের সমাজের নানাহ শ্রেনী ও পেশার মানুষ এছাড়াও গুরুত্বপূর্ন কাজের উদ্দেশ্যে আসা অনেক দুরের মানুষ। দূর্ঘটনার খবর ছরিয়ে পরলে পুরো মতলবে পরে যায় শোকের মাতম। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠে মতলবের আকাশ।

একের পর এক লাশগুলি আসতে থাকে মতলবের পানে। লঞ্চ ও ট্রলার যোগে লাশগুলো মতলব থানার সামনে এনে জমা করতে থাকে। এক একটি লাশ যখন নিয়ে আসত যার যার বাড়িতে, ঐ দৃশ্যটি চোখে ভাসলে এখনো কান্না চলে আসে মতলব বাসির অন্তর থেকে। কি ভয়াল ছিল সেই মুহুর্ত টা আজো মনে আছে। মতলবের প্রতিটি মানুষ দীর্ঘদিন এই শোক বয়ে বেরিয়েছে। সাধারন হিসাব অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ছিল ১১২ জন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে নিহত হয়েছিল ২ শতাধিতের অধিন মানুষ। প্রাথমিকভাবে সরকার থেকে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল এবং প্রত্যেকের জন্য ১ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ হয়েছিল।

সেই দিনের ভয়ংকর রাতে লঞ্চ দুর্ঘটনায় মতলবের যেসব গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিরা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের মধ্যে উল্লেখিত কয়েকজন হলেন- নারায়নপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী ও তার কন্যা মতলব কঁচি-কাঁচা প্রি-ক্যাডেট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী শিলাত জাহান অর্থি, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি জনাব আব্দুল হাই মাস্টার, আই. সি. ডি. ডি. আর. বি.’র ডাক্তার মো. মাসুম, দগরপুরের প্রকৌশলী মোঃ ফারুক দেওয়ান, মতলব বাজারের সার ব্যবসায়ী ইয়াসিন মৃধা, ডেফোডিল ইউনির্ভাসিটির কর্মকর্তা ফরুক দেওয়ান পুরো পরিবারসহ, দশপাড়া গ্রামের মফিজুল ইসলাম, বাইশপুর গ্রামের ছোট খোকন ও বড় খোকন, মতলব উত্তরের বারহাতিয়া গ্রামের ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী মোঃ শাহআলম সহ নাম জানা নাজানা আরো বহু সাধারন এবং সম্মানিত ব্যাক্তি অনেকের গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত লাশগুলো তখন মতলব দক্ষিণ থানার সামনে সারিবদ্ধ ভাবে তাবু টানিয়ে রাখা হয়েছিল। এবং মতলবের আকাশ বাতাশ শোকের কান্নায় জর্জরিত হয়ে ছিল একই সাথে ছড়িয়ে পরেছিল দুঃখ রুপে পঁচা লাশের গন্ধ। চারিদিকে বইছিল স্বজনদের শুধু কান্নার রোল ও লাশ পাওয়ার তিব্র থেকে তিব্রতর আকাঙ্খা।

অধিকাংশ লাশের মুখমন্ডল ও শরীর গলে যাওয়ায় তাদের চিনতে আত্মীয় স্বজনদের হিমশিম খেতে হয়েছিল। লাশের পরনে থাকা পোশাক এবং জন্মগত কোন চিহ্ন দেখে অনেক লাশ সনাক্ত করেছে স্বজনরা। আর যে সকল লাশের কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি তাদের ছবি তুলে তাদের লাশ বে-ওয়ারিশ হিসেবে মতলব দক্ষিন ‘ঢাকিরগাঁও রিয়াজুল জান্নাত সামাজিক কবরস্থানে’ দাফন করা হয়। এবং এই কবরস্থানের মাটিতে সমাহিত করা হয় অজানা বহু মা-বাবার সন্তান, বহু সন্তানের পিতা-মাতা, বহু স্ত্রীর স্বামী ও বহু স্বামীর স্ত্রী এবং বহু বন্দনের আত্বীয়-স্বজন।

এই বেওয়ারিশ লাশের কবরের পাশে এসে লাশ খুঁজে না পাওয়া স্বজনরা দূর-দূরান্ত থেকে এসে কবর জিয়ারত ছাড়া অন্য কোন উপায় ছিল না তাদের। তারা তাদের পরম আত্বিয়তার ও রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ মানুগুলোকে এখানেই পরম সুখে গুমিয়ে আছে বলে মনের শান্তিটুকু পায় এবং এখনো সেখানে স্বজনরা চোখের পানি ফেলে মাগফেরাত কামনা করে নিজ অন্তরকে শান্তনা দেন। যে সকল লাশ পাওয়া যায়নি তারাও এখানেই এসে মরহুম ও মরহুমাদের জন্য দোয়া করে নিজ আত্মাকে কিছুটা স্বস্তি দেয়। এযেন ঢাঁকিরগাও রিয়াজুল জান্না কবরস্থানটি আজ বহু স্বজন হারানো মানুষের একটি স্বস্তির ঘাটি। প্রতি বছর তাদের স্মরন করে দোয়া ও মাগফেরাতের ব্যাস্থাও হয়ে থাকে মতলবের নানাহ সংঘঠনের উদ্দৌগে।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com