1. abulkasem745@gmail.com : abulkasem745 :
  2. Amranahmod9852@gmail.com : Amranahmod Amranahmod : Amranahmod Amranahmod
  3. Arafathussain736@gmail.com : Arafathussain736 :
  4. didar.kulaura@gmail.com : didarkulaura :
  5. Press.loskor@gmail.com : Press loskor : Press loskor
  6. Rezwanfaruki@gmail.Com : HolyBd24.com :
  7. Sohelrana9019@gmail.com : M Sohel Rana : M Sohel Rana
  8. syedsumon22@yahoo.com : syed sumon : syed sumon
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কোরবানপুর যুব সমাজের উদ্যোগে দেশের এবং প্রবাসীদের অর্থায়নে অবহেলিত রাস্তার আংশিক মেরামতের কাজ শুরু সামছুল ইসলাম লস্করের ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা মির্জাপুরস্থ বিছালী ইউনিয়ন ভূমি অফিস স্থানান্তর নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠছে আপমর জনসাধারণ জনপ্রতিনিধি-কে সর্বশ্রেষ্ঠ জনসেবক হতে হবে ফেঞ্চুগঞ্জের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুইলক্ষ টাকার চেক দিলেন ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী  ক্ষমতার অপব্যবহার করায় চেয়ারম্যান আহমদ জিলুর বিরুদ্ধে দশজন মেম্বারের অভিযোগ। “আজকের মেহেরপুর” প্রতিনিধিদের পরিচয়পত্র প্রদান রেজিস্ট্রেশন ও ডাক্তার পদবীর দাবীতে উত্তাল হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় শাহজালাল উপশহর সিল আপ গ্রুপের কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত হয় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার দাবিতে মেহেরপুর জেলা বিএনপি’র গণ-অনশন উপশহরে খেলার মাঠে মেলা দ্রুত বন্ধ করার দাবিতে মানবন্ধন

রেলওয়ে যাত্রীদের ভোগান্তি শেষ কোথায় কখন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৭৮ বার ভিউ

রেজওয়ান আহমেদঃ বাংলাদেশ রেলের সময় পরিবর্তন করে রেলের ভোগান্তি শেষ নাই আগের মত চলছে ।গতকাল শনিবার ২৫, ১২, ২০২০সাল সিলেট জয়েন্তিকা সময় ছিল ১১ʼ১৫ রাতের ট্রেনে যারা যাত্রিছিল তাহারা ঠিক সময় ষ্টেসনে উপস্থিত হল ।কিন্তু সময় পাস হওয়ার পর কর্মকর্তারা কিছু জানেনা বলেন। সময় শেষ হওয়ার পরে আবার টিভি স্কিনি আবার সময় পরিবর্তন করল ২ঘটিকার সময় দেখানো হয়। সকালের ট্রেইন যখন বিকালে অর্থাৎ ২ঘটিকার সময় দেওয়া হল। তখন ও রেলের কোন খবর নেই ।অপেক্ষায় পালা শেষ নেই। আবার ও টিভি স্কিনে আসল ২ʼ৫০ঘটিকার সময় ঢাকা থেকে ছাড়বে।যখন ২ʼ৫০ সময় তারপর ও কোন রেলের খবর নেই । কর্মকর্তা কেহ জানেন না।ঢাকা থেকে কালনি আবার ৩ঘটিকার সময় ছাড়ার সময় হল ।কিন্তু জয়েন্তিকা ও কালনি কোনটার খবর নাই কেহ জানেনা রেল কর্তৃপক্ষ কিছু বলতে চায় না।।যাত্রীদের অভিযোগ কান দেননা ।সঠিক সময় বলতে পারেন না।টিকেট রিফান্ড নিতে চান না।বলে ট্রেইন আসতেছে আমরা বললাম ট্রেইন আসতেছে সকাল থেকে দেখতেছি অপেক্ষা করতেছি এখন ও কোন সঠিক সময় আসবে কি না।কর্মকর্তা বলেন রাস্তায় কালনি ৩,৩০ আসছে এবং ছেড়ে যাবে ৩,৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে কালনি ও পর্যন্ত সঠিক সময় আসেনি এবং সঠিক সময় থেকে এক ঘন্টা পর ছাড়লো ঢাকা থেকে।যখন ৩ʼ৪০ সময় হল জয়েন্তিকা ৬নং প্লাটফর্মে আসল সকাল থেকে অপেক্ষায় ভোগান্তির পর যাত্রা শুরু করলো ৪টা সময় ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করলো। এই ভোগান্তি শেষ নাই রাত ১২টায় এসে গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছে তখন দুর দুরান্তে যাবে যারা বিয়ানীবাজার গোলাপগন্জ বিশ্বনাথ বালাগন্জ যাত্রী যারা তাহারা কি ভাবে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে ।না আছে বাস না সি এন জি যে গুলি আছে চড়া দাম অতিরিক্ত ভাড়া চায় গরিব অসহায় যারা সামান্য পরিমাণ টাকা আছে তাহারা কি করবে সারারাত জাগ্রত থাকে রাস্তায় ট্রেইন ষ্টেশনে এত ভোগান্তি পোহাতে হয়।এই হল ট্রেইন সঠিক সময় ।আসেনা সঠিক সময় ছাড়ে না সঠিক সময় কিন্তু রেলমন্ত্রী বা রেলওয়ের কতৃপক্ষ এই অবস্থা ।পারাবত জয়েন্তিকা কালনী উপবন উদয়ন সব একই ভাবে যাত্রীদের হয়রানী এবং ভোগান্তি আছে ।অথচ প্রতিবছর সংসদে বাজেট রেলের জন্য যাত্রীদের সেবা জন্য উন্নয়নে বাজেট হয় কিন্তু এই সেবা বা উন্নয়নে পাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় যাত্রীদের হয়রানী এবং ভোগান্তি পোহাতে হয়। রেলমন্ত্রী সবিচ ও রেল কর্তৃপক্ষ ঠিকমত বাজেট কাজে লাগিয়ে দিলে এটা একটি সরাহা হত জনগন সেবা পেত ।হয়রানী ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেত।আজ তিন চার দিন থেকে প্রিন্ট মিডিয়া ও অনলাইন মিডিয়ায় আসতেছে রেলের ৫০০ শত কোটি টাকা দুর্নীতি ও উধাও টেন্ডারিং ।সরকার ও প্রশাসনের কোন উদ্যোগ নেই মুখ খুলছে না কেহ ।দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এই বিষয়ে আলোচনা বা নজরে আনেন নি এই দুর্নীতি আমলে নিলে এই অবস্থা হতনা।এই হল বাংলাদেশ রেলেওয়ের অবস্থা। কিন্তু আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত তাদের রেল টিকেটের বাংলাদেশ থেকে তুলনামূলক অনেক কম টিকেট মূল্য ।তাদের দেশে রেলে খাত থেকে প্রতিবছর বাংলাদেশের একবছরের বাজেটের মত আয় হয় ।কেন আমাদের দেশে রেল থেকে আয় হয় না লাভজনক হয়না। দুর্নীতির কারনে ও প্রতিবছর ক্ষতি হয়। আমাদের দেশে যতদিন যাচ্ছে রেলে হয়রানী ও ভোগান্তি জন্য রেলের যাত্রী কমতেছে। প্রতিবছর নতূন নতুন ইন্জিন ও বগি ক্রয় করেন ।কিন্তু দুঃখের বিষয় আমরা নতুন ইন্জিন ও বগি কয়টি দেখতে পেলাম ।
জার্নি করেন তারা সাবধান আমাদের হিজরা যারা তাহারা যাত্রীদের হয়রানী এবং অসভ্যতা করে এর রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় না।তাহারা চাদা দাবি করে না দিলে অকাট্য ভাষায় গালিগালাজ করে উলঙ্গ হয়ে যায়। অথচ পুলিশ রেলওয়ের আছে তাদেরকে বললে নিশ্চুপ হয়ে থাকে কোন কথা বলে না আমি এস আই সেলিম নামে লোকটাকে বললাম সে বলে এটা তাদের বিষয় নয় ।এই জন্য কারন পুলিশ এই চাদা থেকে ভাগ বাটুরা করে নেয় তাই তাহারা সুযোগ করে দেয়। না হলে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে পারতো।
গত কয়েক বছরে রেললাইনের বিভিন্ন স্পট থেকে প্রায় দেড়শ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মৃতদেহ পাওয়া যায় আখাউড়া- ভৈরব- কিশোরগঞ্জ- কসবা এবং বি-বাড়িয়া হয়ে নরসিংদী সকল ট্রেইন পর্যন্ত। পুলিশ এই লাশগুলোর বেশিরভাগ অজ্ঞাত পরিচয় দিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে রেকর্ড করে। তারপর মর্গ হয়ে মাটিচাপা। লাশের পরিচয় হিন্দু কিংবা মুসলিম এখানে দেখা হয় না। ডোম মৃত ব্যক্তির জামাকাপড় রেলওয়ে ডোমঘরের সামনে ঝুলিয়ে রাখে।
যদি বছর দুয়েকের ভেতর মা-বাবা এসে জামা কাপড় দেখে তাদের সন্তাকে যদি সনাক্ত করতে পারে তাহলে কবর দেখিয়ে দেয়া হয়। তবে জামাকাপড় রোদে শুকিয়ে এবং বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যায় বেশিরভাগ সময়। জামাকাপড় দেখে কারও পরিচয় জানা অসম্ভব হয়ে পড়ে তখন।
রেললাইনে পাওয়া এ লাশগুলোর বেশিরভাগই কিন্তু মার্ডার কেস। দশ-বিশ-পাঁচশ টাকা কিংবা পকেটে থাকা মোবাইল ফোন ছিনতাই করার জন্য মার্ডারগুলো করা হয়। বিশ টাকার জন্যও ট্রেনে থাকা ছিনতাইকারীরা মানুষ খুন করছে।
ছিনতাইয়ের নিয়মটা হচ্ছে ট্রেনের দুই বগির মাঝখানে করিডোরের মতো থাকে। দুই পাশে দরজা এবং বাথরুম। রাতের ট্রেনে এসব জায়গায় সুবিধামত সময়ে লোক পেলে ছিনতাইকারী চক্রের দুইজন পেছন থেকে আক্রমণ করে। আক্রমণের নিয়ম হচ্ছে গামছাকে পেঁচিয়ে চিকন করা হয় প্রথমে। তারপর দুই মাথা দুইজন ধরে যাকে আক্রমণ করা হবে, তার গলায় পেছন থেকে এক প্যাঁচ দিয়ে দু’পাশ থেকে হেঁছকা টান। ১৫ সেকেন্ডের ভেতরই ওই লোক মারা যাবে। না মরলেও তার জীবন ওইখানেই শেষ।
এরপর ভিকটিমের পকেট থেকে যা নেওয়ার নিয়ে পাশের দরজা দিয়ে ফেলে দেবে। রাতের ট্রেনে সবাই ঘুমায়। তাছাড়া ট্রেনের আওয়াজ থাকে। কেউ কিচ্ছু টের পাবে না। পুরো কাজটা করতে সময় লাগে সর্বোচ্চ দেড় মিনিট।এই ছিনতাইকারী চক্রের লোক ধরা পড়ে কিন্তু আবার জামিনে বের হয়। আদালতের কাছে এভিডেন্স থাকে না পর্যাপ্ত। এভিডেন্স না থাকলে বিচারও করা সম্ভব হয় না।এরকম তথ্য জানিয়ে রাতের ট্রেনে যারা ভ্রমণ করেন তাদের সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেছেন পুলিশের এক সাব-ইন্সপেক্টর।
এই ব্যাপারটা নিয়ে কোন টিভি নিউজ চ্যানেল প্রিন্ট পেপার ও অনলাইন অনেক দেওয়া হয় । প্রচার করেছিল যেটাতে এসকল ছিনতাইকারীরা এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানায় যে তাদের ওই গামছা দিয়ে মারার অস্ত্র টার নাম হচ্ছে কৃষ্ণ মালা আর এর থেকে বাঁচার কোন উপায় নেই তাদের একটা কথা ছিল “কৃষ্ণ মালা যাকে পড়ানো হয় সে ওখানেই শেষ”।

আমি নিজেও এমন কিছু ছিনতাইকারীকে প্রস্তুতি নিতে দেখেছি নরসিংদী, ব্রাম্মনবারিয়া রুটে ও সিলেট চট্টগ্রাম রোডে।
তারা এতটাই আগ্রাসি টাকা তাদের চাই অনেক সময় টাকা না থাকার ক্ষোভেও তারা আক্রমন করে বসে।

সবাই সাবধানে থাকবেন।আমি বিনীত অনুরোধ করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মাননীয় রেলমন্ত্রী ও রেলের প্রশাসনের প্রতি এই বিষয়ে আপনাদের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে দেশ জাতি যাত্রীএর ভোগান্তি ও মুত্য থেকে মুক্তি পাবে।

নিউজ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উপদেষ্টা মন্ডলী

কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম,
এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ,
প্রভাষক ডাঃ আক্তার হোসেন,
প্রকাশনা ও সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ,
প্রধান সম্পাদক কবি এম এইচ ইসলাম,
বার্তা সম্পাদক এমরান আহমদ,
ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আব্দুল আলী দেওয়ান আব্দুল্লাহ,
সহ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক আমির হোসেন,
সাহিত্য সম্পাদক কবি সোহেল রানা,
বিভাগীয় সম্পাদক আমিনুর ইসলাম দিদার

© All rights reserved © 2020 Holybd24.com
Design & Developed BY Serverneed.com