Main Menu

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে সড়ক এবং সেতুতে অটোরিক্সা স্ট্যান্ড ও পার্কিংয়ের কারণে তীব্র যানজট

স্টাফ রিপোর্টার :: উপজেলার কটালপুর বাজারে অটোরিক্সা (সিএনজি) স্ট্যান্ড ও পাকিং এর কারণে প্রতিদিন তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে করে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় পথচারীদের। ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করেন পুরুষ, মহিলা ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- কটালপুর বাজারে রাস্তা থেকে শুরু করে সেতুর উপর পর্যন্ত এলোপাতাড়িভাবে সিএনজি, লেগুনা রেখে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। কটালপুরের রত্না নদীর উপর নির্মিত এই সেতু দিয়ে নদীর দুই পাড়ের মানুষ চলাচল করেন। সেতুর উপর গাড়ি রাখার কারণে পথচারীদের চলাচলের পথ সংকোচিত হয়ে পড়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্যস্ততম এই সড়কে সেতু পার হতে হয় জনসাধারণকে।

মুহিদপুর গ্রামের আফসানা বেগম বলেন- ব্রিজের মধ্যে গাড়িগুলো রাখার কারণে আমরা নিরাপদভাবে ব্রিজ পার হতে পারি না। কখনো কখনো ব্রিজ পার হওয়ার সময় দ্রুত গতিতে গাড়ি আসে। তখন মনে হয়, এই বুঝি মরে গেলাম।

কটালপুর এলাকার বাসিন্দা মাকবুল হাসান বলেন- সেতুর ওপর সিএনজি স্ট্যান্ড থাকায় সারা দিনই এই এলাকায় যানজট লেগেই থাকে। বড় যানবাহন আটকা পড়ে। আটকে থাকা গাড়ির হর্নের কারণে প্রচুর শব্দ হয়।

স্থানীয় আবু বকর বলেন- শিশুদের নিয়ে আমরা নিরাপদে এই সড়কে চলাচল করতে পারি না। স্ট্যান্ডের গাড়িগুলো রাখার কারণে বাজারের ও ব্রিজের উপরে পথচারীদের চলাচলের রাস্তা সংকোচ হয়ে গেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের ব্রিজ পার হতে হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে প্রশাসনের বড় বড় কর্মকর্তারা যাওয়া-আসা করেন। তারা কি এসব চোখে দেখেন না?

সিএনজি মালিক সমিতি কটালপুর শাখার সভাপতি লিয়াকত আলী বলেন- জায়গা না থাকায় সড়ক ও সেতুর মধ্যে অস্থায়ী স্ট্যান্ড করা হয়েছে। জায়গা করে দিলে স্ট্যান্ড এখান থেকে সরানো হবে।

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জসীম উদ্দিন বলেন- বিষয়টি সরেজমিনে দেখে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে নিরাপদ দূরত্ব স্থানে স্ট্যান্ড করা হবে। এতে একটা শৃঙ্খলা আসবে।






Related News

Comments are Closed