Main Menu

সাতক্ষীরায় বছরের পর বছর কলেজে উপস্থিত না থেকে প্রতিমাসের বেতন ভাতা তুলছেন ছফুরননেছা মহিলা কলেজের তিন শিক্ষক

হলিবিডি প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরায় বছরের পর বছর কলেজে উপস্থিত না থেকে প্রতিমাসের বেতন ভাতা তুলছেন তিন জন শিক্ষক। সাতক্ষীরা ছফুরননেছা মহিলা কলেজের প্রদর্শক এটিএন বাংলার জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক এম কামরুজ্জামান ও তার স্ত্রী বাংলা বিভাগের প্রভাষক সেলিনা সুলতানা লিপি এবং শরীর চর্চা শিক্ষক পৌর কাউন্সিলর ফারহা দীবা খান সাথী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজের কয়েকজন শিক্ষক বলেন, এক দু’মাস পরপর ঐ তিন শিক্ষক পোপনে কলেজে এসে অধ্যক্ষের সহযোগিতায় হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে যান। সাতক্ষীরা ছফুরননেছা মহিলা কলেজের ছাত্রীরা ঐ তিন শিক্ষককে কলেজে দেখিনি এবং চেনে না। ঐ শিক্ষকদের কলেজে হাজির করলে প্রমাণ পাওয়া যাবে এবং বোঝা যাবে কলেজের শিক্ষার্থীরা ঐ তিন শিক্ষককে চেনে না। এম কামরুজ্জামান থাকেন সব সময় প্রেসক্লাবে এবং তার স্ত্রী বাংলা বিভাগের প্রভাষক সেলিনা সুলতানা লিপি স্বামীর কর্মকান্ডে সহযোগিতা করেন। শরীর চর্চা শিক্ষক পৌর কাউন্সিলর ফারহা দীবা খান সাথী সব সময় থাকেন পৌরসভায় এবং দলের কর্মকান্ড নিয়ে ব্যস্ত। কলেজের প্রদর্শক এটিএন বাংলার জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক এম কামরুজ্জামান নিজে রাজাকারের ছেলে আবার ভয় দেখান জামাতের মামলা গাছ কাটা, রাস্তা কাটা এবং সাংবাদিক বলে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের ভয় দেখিয়ে সেই খুঁটির জোর খাঁটিয়ে দীঘদিন বছছের পর বছর কলেজে উপস্থিত না থেকে প্রতিমাসের বেতন ভাতা তুলছেন তিনি এবং তার স্ত্রী বাংলা বিভাগের প্রভাষক সেলিনা সুলতানা লিপি। সেই সাথে কলেজের শরীর চর্চা শিক্ষক যুব মহিলালীগের নেত্রী পৌর কাউন্সিলর ফারহা দীবা খান সাথী কলেজ থেকে বেতন ভাতা তুলছেন এবং একই সাথে পৌরসভা থেকে ও বেতন ভাতা তুলছেন। একজন ব্যক্তি দুই প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন ভাতা পাচ্ছেন এবং সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন। যা শিক্ষা নীতিমালার পরিপন্থী। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ভদ্র লোকের মত চলছেন। এধরনের দুর্নীতি কারও চোখে পড়ছেনা। সাতক্ষীরার সচেতন মহলের দাবী ঐ তিন দুর্নীতিবাজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে ছফুরননেছা মহিলা কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়নে তাদেরকে কলেজ থেকে বহিস্কার করা হোক।






Related News

Comments are Closed