যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা পেলে রোগী আর বিদেশে যাবে না

প্রকাশিত হয়েছে : ৫:১৫:৪৩,অপরাহ্ন ১৬ জুন ২০১৯ | সংবাদটি ২৬ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ আন্তর্জাতিকমান ও পরিকল্পিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা গেলে চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশের রোগীদের বিদেশে যাওয়ার হার কমবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্বখ্যাত কার্ডিয়াক সার্জন, ভারতের নারায়ণা হেলথের চেয়ারম্যান ডা. দেবী প্রসাদ শেঠী।

গতকাল শনিবার সকালে নগরের পাহাড়তলী এলাকায় প্রতিষ্ঠিত ইম্পেরিয়াল হসপিটাল লিমিটেডের (আইএইচএল) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে তিনি এ কথা বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডা. দেবী প্রসাদ শেঠী হাসপাতালে আন্তর্জাতিকমানের পরিকল্পিত স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন ব্যবস্থা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এই হাসপাতাল বাংলাদেশে সঠিক ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সংযোজন। ’
শেঠী বলেন, ‘প্রতিবছর বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ ভালো চিকিৎসার জন্য ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যান। ইম্পেরিয়াল হসপিটাল প্রতিষ্ঠার ফলে এ প্রবণতা অনেকাংশে কমে আসবে। ’

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ইম্পেরিয়াল হসপিটালের বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন বলেন, ‘উন্নত স্বাস্থ্যসেবার অপ্রতুলতায় বহু রোগী বিদেশে যেতে বাধ্য হন। এতে সংশ্লিষ্টদের আর্থিক, মানসিক ও শারীরিক চাপের মুখে পড়তে হয়। এ অবস্থা থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে উন্নত বিশ্বের আলোকে হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ’

দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি, কমিশনিং কনসালটেন্ট অ্যাড লি হ্যানসন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমজাদুল ফেরদৌস চৌধুরী বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ডা. দেবী শেঠী পরিচালিত ভারতের নারায়ণা হেলথের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইম্পেরিয়াল হসপিটালের হূদরোগ বিভাগের কার্যক্রম চলবে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, রোগী নিরাপত্তা এবং কর্মী নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে হাসপাতালটি নির্মাণ করা হয়েছে। সাত একর জমির উপর প্রায় ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি ভবন নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে এই হাসপাতাল। এর সঙ্গে আছে নার্স ও টেকনিশিয়ানদের জন্য একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ইম্পেরিয়াল হসপিটালে সার্বক্ষণিক ইমার্জেন্সি সেবা সুবিধা রয়েছে। কার্ডিয়াক, ট্রান্সপ্ল্যান্ট, নিউরো, অর্থোপেডিক ও গাইনি অবস্ বিষয়ে ১৪টি মডিউলার অপারেশন থিয়েটার আছে। আরো আছে ১৬ নার্স স্টেশন।

৬২ কনসালটেন্ট রুমসহ বহির্বিভাগ এবং ৬৪টি ক্রিটিক্যাল কেয়ার বেড। নবজাতকদের জন্য ৪৪ শয্যার নিওনেটাল ইউনিট এবং আটটি পেডিয়াট্রিক আইসিইউ আছে।

রোগীর স্বজনদের জন্য হাসপাতাল পরিধির মধ্যে থাকার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ১০ শতাংশ শয্যা সংরক্ষিত আছে আর্থিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের জন্য।

About rezwan rezwan

https://gnogle.ru/project/edit/102
WP2FB Auto Publish Powered By : XYZScripts.com