এই মাত্র পাওয়া খবর
|
সর্বশেষ
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মুরাদ ও সেলিনার জয়।         মাছে ফরমালিন বা অন্য বিষাক্ত কিছু মেশালে দুই বছরের জেল অথবা ৫ লাখ টাকা জরিমানা         অসাধু ব্যবসায়ীদের যারা সাহায্য করেছেন তারাও দায়ী। উভয়েরই বিচার করা হবে। আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো।’অর্থমন্ত্রী         বিশ্ব ৬০টি দেশে বাংলাদেশে উৎপাদিত পাট ও পাটজাত পণ্য ব্যবহৃত হচ্ছে ।।বস্র ও পাটমন্রী।।         ১২টাকার ইনফেকশন ১০০০টাকা বিক্রি জরিমানা করছে মাজিট্রেইট         দ্বিতীয় বার ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাহেদ খান বিজয়ী         পদ্মা সেতুর নবম ও দশম স্প্যান স্থাপন করা হয়েছে আরো দুটি স্প্যান স্হাপন শেষ হল।         সিলেটের ১২ উপজেলার মধ্যে ৭ উপজেলায় নৌকার প্রতীকের প্রার্থীরা ও ৫টি নৌকাকে চিনিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।         কুলাউড়া উপজেলা নির্বাচনে নৌকা’র বিদ্রোহী প্রার্থী সলমান জয়ী         ইকবাল চৌধুরীর ৩৯তম জন্মদিন আজ         সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় কাপ পিরিচের জয় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেই নৌকা         সিলেটের ১২ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী যারা         মন্ত্রী পরিষদে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে         গোলাপগঞ্জে শান্তিপুর্ণ ভোট শেষে চলছে গণনা, ফলাফলের অপেক্ষায় প্রার্থীরা         মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে ১৬২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৮ মার্চ বিদ্যুৎ ভবনের বোর্ড সভাকক্ষে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর সাথে মানিকগঞ্জ পাওয়ার বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।        

ভুয়া দুদক কর্মকর্তা হতে সাবধান

প্রকাশিত হয়েছে : ৫:৫৭:৩৭,অপরাহ্ন ১৪ মার্চ ২০১৯ | সংবাদটি ১৩ বার পঠিত

হলিবিডি ডেস্কঃ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে টেলিফোনে কিংবা ব্যক্তিগতভাবে নিকটজন পরিচয়ে বিভিন্ন কৌশলে ভয় দেখিয়ে সরকারি-বেসকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এ ধরণের বেশ কিছু ঘটনার প্রমাণ পাওয়ার পর সর্ব সাধারণকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দুদক।

একইসঙ্গে দুদক পরিচয়ে প্রতারণা থেকে প্রতিকার পেতে তাৎক্ষণিকভাবে দুদকের পরিচালক (গোয়েন্দা) মীর মোঃ জয়নুল আবেদীন শিবলী ( মোবাইল ০১৭১১-৬৪৪৬৭৫) অথবা উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য ( মোবাইল নং-০১৭১৬-৪৬৩২৭৬) এর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

প্রতারক চক্র থেকে সাবধান হওয়ার পাশাপাশি প্রতিকারের বিষয়টি জানিয়ে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘অনেক প্রতারক রয়েছেন যারা কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারি এমনকি কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন দপ্তর বা সংস্থায় বিভিন্ন অনৈতিক তদবির করছেন। প্রতারকচক্র কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের কর্মকর্তাদের আত্মীয়, বন্ধু কিংবা অন্য কোনো স্বজন পরিচয় দিয়ে অনৈতিক তদবির করছেন। কমিশন এ জাতীয় কর্মকাণ্ড বন্ধে বহুমাত্রিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

তিনি জানান, কমিশনের নিজস্ব গোয়েন্দা উৎসসহ বিভিন্ন উৎস হতে কমিশন অবহিত হয়েছে যে, দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তা এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নাম ব্যবহার করে দেশে-বিদেশে একাধিক প্রতারক বা প্রতারকচক্র কমিশনের মামলা অথবা কমিশনের কাল্পনিক মামলা অথবা কাল্পনিক অভিযোগ থেকে অব্যাহতি অথবা অভিযুক্ত করা হচ্ছে জানিয়ে টেলিফোনের মাধ্যমে অনৈতিক অর্থ দাবি করছে। কমিশন এ জাতীয় কর্মকাণ্ড বন্ধে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

দুদক জানায়, কমিশনের গোয়েন্দা তৎপরতায় ২০১৮ সালের ৭ নভেম্বর, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউ’র রাজ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে থেকে প্রতারক ফয়সল রানা ওরফে মোঃ ফয়েজ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এ বিষয়ে রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তী সময়ে গত ২৪ জানুয়ারি রাজধানীর ৩০ নয়াপল্টন, ভিআইপি রোডে ‘গোল্ডেন প্লেট রেস্টুরেন্ট’ এলাকা থেকে দুদক কর্মকর্তা পরিচয়দানকারী ভুয়া দুদক কর্মকর্তা হাসান মুন্না ওরফে রফিককে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

এছাড়া গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দুদকের গোয়েন্দা ইউনিটের অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‌্যাব-২ এবং ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেল (এনটিএমসি) এর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে আরেক ভুয়া দুদক কর্মকর্তা নাজমা, যার প্রকৃত নাম রাজু মিয়াকে গ্রেপ্তার ও মামলা করা হয়।

একইভাবে ২ ফেব্রুয়ারি, ভুয়া দুদক কর্মকর্তা কথিত সিরাজুল ইসলাম ওরফে হাজী জহিরুল হুদা ওরফে প্রশান্ত ওরফে সুশান্ত ওরফে মনিরুজ্জামান মিয়া ওরফে শহিদুল ইসলাম, যার প্রকৃত নাম আনিসুর রহমান বাবুল, তাকে ঢাকার হাজারীবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দুদক আরো জানায়, প্রতারকদের আইন-আমলে আনা একটি জটিল প্রক্রিয়া যা কমিশন নিরলসভাবে পরিচালনা করছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। কারণ, দুর্নীতি দমন কমিশনের আইন অনুসারে কোনো একক ব্যক্তির অভিপ্রায় অনুসারে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার যেমন কোনো সুযোগ নেই, তেমনি অভিযুক্ত হওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কমিশনের কর্মকর্তাদের অভিযোগের অনুসন্ধান ও তদন্ত বিষয়ে শুধু পত্রের মাধ্যমেই যোগাযোগের নির্দেশনা রয়েছে, টেলিফোন বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নয়। এ প্রেক্ষাপটে যদি কোনো ব্যক্তি কমিশনের কর্মকর্তা কিংবা কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নাম ব্যবহার করে টেলিফোন করে বা ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে কমিশনের কর্মকর্তা বা তাদের স্বজন পরিচয় দিয়ে অনৈতিক কোনো বিষয়ে তদবির করে তাহলে ওপরের মোবাইল ফোন নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

About rezwan rezwan

https://gnogle.ru/project/edit/102
WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com