Main Menu

“ভলো বাসা চাই”

শহরে জীবন অত্যন্ত কষ্ট,বিশেষ করে ব্যাচেলরদের জন্য।আমি ব্যাচেলরদের একজন।ভলো পড়াশুনা আর টুকিটাকি কাজ করে কিছু টাকা সংগ্রহ করাই আমার লক্ষ্য।যার জন্য গ্রামের বাড়ির আয়েশের ঘর দোর বিছানা আর মায়ের হাতের রান্না  খাওয়া ছেড়ে এই শহরে আসা। কিন্তুু আমার দুঃখ ৬বৎসরেও এখনও কোথাও স্যাটেল হতে পারলাম না।ব্যাচেলরদের কেউ বাসা ভাড়া দিতে চায় না,তাই খুজতে থাকি হোস্টেল,পেয়েও যাই কয়েকটা কিন্তুু হোস্টেল উঠতেই শুনিয়ে দেয় এক গাদা নিয়মাবলী,

১,রাত নয়টার মধ্যে হোস্টেলে চলে আসা

২,টেলিভিশন দেখা যাবে না,

৩,নিজ দায়িত্ব খাওয়া(সকল ছাড়া)

৪,মেহমান নিয়ে আসা যাবে না,

কে মানতে চায় এতো  নিয়ম,তাই ছেড়ে দিলাম এগুলো,খুজতে থাকি নিয়ম ছাড়া হোস্টেল,যেখানে স্বাধীনতা কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।দেখলাম এ পর্যায়ে.”আবাসিক ছাএবাস”। এখানে এসে মনে হলো নিয়ম থাকাটাই মনে হয় ভলো।আমার যে রুমমেট তাকে আমি কখনো সিগারেট ছাড়া দেখিনি,আর যে ধোয়া ছাড়ে তার পুরোটাই আমার মুখে।আমাকে যে সিগারেট খাওয়ার অফার করেনা তা নয়,আমাকে প্রায় গুনে গুনে  অফার করতে লাগল,প্রতিদিন  সকালে একবার রাতে একবার,বলে ভাই একটা টান দেউক্কা দেখবা দুনিয়ার সব শান্তি গুলে।

আমি ওসবে কান দেই না,থাকছিলাম নিজের মতো করেই,কিন্তুু অন্য দিকেও বিরাট সমস্যা ছিল তা জানতাম না,এখানে রাজনীতি তুলনামূলক একটু বেশিই ছিল,আমাকে নিয়ে তাদের মধ্যে ভিতরে ভিতরে ছিল তুমুল প্রতিযোগীতা। আমি কোন দলে যাবো?ছাএলীগ না ছাএদল,আমি যখন তা বুঝতে পারলাম,তখন থেকেই ভাবলাম এখানে আর টিকতে পারবো না,তাই একদিন সবার অলক্ষণেই সরে পরলাম এখান থেকেও। আমি বেশি কিছু না একটা ঝামেলামুক্ত বাসস্তান চাই,যেখানে থেকে সুন্দর একটা জীবন গড়ে তুলতে পারি।আজকের এই দুনিয়ায় বিভিন্ন  অপরাধের জন্ম হয়,এসব বিশৃংখলা সমাজ পরিবেশ বাসস্তান

অসৎ সংঘ প্রভৃতির মাধ্যমেই।অনেক সহজ সরল ছেলেরা গ্রাম থেকে শহরে এসে শুধুমাএ পরিবেশের প্রভাবেই অসৎ পথে পরিচালিত হয়,

তাই আমাদের নিজেদের সভ্য সমাজে টিকিয়ে রাখতে চাই ভলো পরিবেশের সন্ধান

করা,আমি এজন্য একটি সাইনবোর্ড তুলেছি “ভালো বাসা চাই”আপনি চাইলেও তুলতে পারেন ‘Excuse me’ মধ্যের গ্যাপটি দিতে ভুলবেন না,নয়তো বা মিশনটি অন্য দিকে মোড় নিতে পারে।


লেখক 
আরাফাত হোসেন






Leave a Reply

Your email address will not be published.