Main Menu

বেনাপোলে রেল পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

হলিবিডি ডেস্কঃ
যশোরের বেনাপোল রেলস্টেশনের রেল পুলিশ এসআই কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। তিনি প্রতিদিন রেলস্টেশন সংলগ্ন রেলের পরিত্যক্ত স্থানের দোকানদারদের কাছ থেকে ৩০ থেকে ৫০ টাকা করে চাঁদার টাকা উত্তোলন করেন বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।
বেনাপোল রেলস্টেশন সংলগ্ন দোকানদার রোকেয়া খাতুন জানান, আমার স্বামী আসলাম হোসেনের এখানে একটি খাবার হোটেল আছে। সেই দোকান থেকে প্রতিদিন কামাল হোসেন নামে একজন পুলিশ এসে ৫০ টাকা করে চাঁদা তোলে। আমার মুদির দোকানেও চাঁদা চাইতে এসেছিল; আমি তাকে চাঁদা দিতে পারব না বলে দিয়েছি। এটা একজনের রেকর্ডের জমি। আমি সেই মালিককে ঘর ভাড়া প্রদান করি।
শহিদ নামে এক দোকানদার বলেন, আমার নিকট থেকে প্রতিদিন জিআরপি পুলিশের এসআই কামাল হোসেন ৩০ থেকে ৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করে। আজ আমার দোকান বন্ধ থাকায় সে চাঁদা না পেয়ে দোকানের ঝাপ ভেঙে ফেলে রেখেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী দোকানদার অভিযোগ করে বলেন, এখানে দীর্ঘ দিন ধরে দোকানদারি করলেও কোনো চাঁদা কাউকে দিতে হয়নি। কিন্তু মাসখানেক হলো কামাল নামে ওই এসআই আমাদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করছে।
যশোর থেকে আসা নারগিছ বেগম, সুমি আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমরা বেনাপোল থেকে কিছু পণ্য ক্রয় করে যশোর বিক্রি করে সংসার চালাই। কিন্তু পণ্য নিয়ে রেলস্টেশনে গেলে কামাল নামে এক পুলিশ আমাদের নিকট থেকে মাল রেখে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ঘুষ আদায় করে।
এ ব্যাপারে জিআরপির এসআই কামাল হোসেন বলেন, আমি এমন কোনো কাজ করি না। তবে মাঝে মধ্যে আমি রেলস্টেশনের মসজিদের জন্য কিছু পয়সা উঠিয়ে সেখানে প্রদান করি। আপনি প্রতিদিন টাকা নেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন এটা সত্য নয়।
বেনাপোল রেলস্টেশনের মাস্টার আবু সাঈদের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন- আমি শুনেছি তিনি মসজিদের জন্য চাঁদা উঠায়। তিনি এ টাকা ভোগ করেন কিনা তা আমি জানি না।
স্থানীয়রা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মসজিদ আমাদের এলাকার আমরা মসজিদের কমিটির কাছে টাকা দেব। প্রয়োজনে প্রতিদিন আমরা ১০ টাকা করে মাসে তিনশ’ টাকা দিব। কিন্তু মসজিদ কমিটির লোক না এসে জিআরপির এসআই কামাল হোসেন চাঁদা উঠায় ৫০ টাকা করে। এটা অন্যায়।






Related News

Comments are Closed