Main Menu

বেতাগী সরকারি কলেজে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ

হলিবিডি ডেস্ক
বরগুনার বেতাগী সরকারি কলেজে এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষায় ৫ লক্ষ ৮৯ হাজার টাকার বাণিজ্য হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে গরিব শিক্ষার্থীরা।

এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা গেছে, এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বেতাগী সরকারি কলেজ থেকে তিন বিভাগের ৬৮২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ব্যবহারিক পরীক্ষার ফি বাবদ বিজ্ঞান বিভাগে ৭৫৫ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩৯৫ টাকা আদায় করে নেওয়া হয়।

কলেজের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, মূল বিষয়ে পরীক্ষার পর ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতায় স্ব-স্ব বিভাগের শিক্ষকগণ স্বাক্ষর করতে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা জন প্রতি আদায় করেছেন। আইসিটি বিষয়ে ৬৮২ জনের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪০০ টাকা, ভূগোলে ১৮০ জন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ২০০ টাকা করে ৩৬ হাজার, কৃষি ও মৃত্তিকা বিষয়ে ২৯৫ জন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে দুই বিষয়ে ৬০০ শ টাকা করে ১ লাখ ৭৭ হাজার, রসায়ন (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) ২০০ জনের কাছ থেকে ৮০ হাজার, পদার্থ বিদ্যা (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) ২০০ জনের কাছ থেকে ৮০ হাজার এবং জীববিজ্ঞান (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) ২০০ জনের কাছ থেকে ৮০ হাজার করে মোট ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৪০০ টাকা আদায় করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতায় সই করার নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে। তারা আরো অভিযোগ করেন, ফরম পূরণের সময় বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য ফি আদায় করে নেওয়া হয়েছে।

পরবর্তীতে আবার কেন টাকা নেওয়া হচ্ছে বুঝতে পারছি না।এ উপজেলার মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গরিব। কৃষক ইউনুস আলীসহ একাধিক গরিব শিক্ষার্থীর অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, ভর্তি ফি, বই, নতুন গাইড ক্রয়, প্রাইভেট, প্রাতিষ্ঠানিক পোশাক তৈরি, ফরম পূরণ করাতেই হিমশিম খেতে হয়। এরপর আবার ৯ বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত টাকা প্রদান করতে খুব কষ্ট হচ্ছে। ধার-দেনা করে এ টাকা দিতে হয়েছে।

বেতাগী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. নুরুল আমিন বলেন, টাকা আদায় করা হয়েছে কি না এ বিষয় আমার জানা নেই। তবে শিক্ষার্থীদের ওপর যাতে কোনো প্রকার চাপ সৃষ্টি না হয় সে বিষয় খেয়াল রাখার জন্য আগে থেকেই নির্দেশ দিয়েছি।






Related News

Comments are Closed