বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী গ্রামকে শহরে রুপান্তরিত করার কাজ শুরু হয়ে গেছে। ।শিল্পমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে : ১:৪০:৪১,অপরাহ্ন ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | সংবাদটি ৩৭ বার পঠিত

হলিবিডি ডেস্কঃ শিল্পমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেন, ‘বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী গ্রামকে শহরে রুপান্তরিত করার কাজ শুরু হয়ে গেছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বড়, মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পকারখানা গড়ে তোলা হবে। আর দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য একটি শিল্প বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে।’

রবিবার ( ১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প (জিপিইউএফপি) পরিদর্শন করেন শিল্পমন্ত্রী ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। প্রকল্পটি পরিদর্শন এক মতবিনিময় সভায় শিল্পমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের এখন বছরে প্রায় ১৭ লাখ মেট্রিক টন সার আমদানি করতে হয়। জিপিইউএফপি প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আমাদের আর সার আমদানি করতে হবে না বরং রফতানি করতে পারব।’

বর্তমানে পলাশ উপজেলায় ইউএফএফএল ও পিইউএফএফএল নামে যে দুইটি সারকারখানা রয়েছে। এ কারখানা দুটি প্রতি টন ইউরিয়া উৎপাদনে গ্যাসের ব্যবহার, ডাউন টাইম এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যায় অস্বাভাবিক বৃদ্ধির পেয়েছে। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিসিআইসি পলাশ ইউরিয়া সারকারখানার জায়গায় যথাযথ প্রক্রিয়ায় বিল্ডার ফাইনেন্স পদ্ধতির কারখানা স্থাপন করবে। যে কারখানা দৈনিক ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন (বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন) গ্রানুলার ইউরিয়া উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন হবে। এছাড়াও এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ও পরিবেশ বান্ধব সারকারখানা হবে। যার প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৪ শত ৬০ কোটি টাকা। প্রকল্পটির আগামী জুনে শুরু হয়ে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে শেষ হবে। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে একনেকের সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন হয়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ক্রমবর্ধমান ইউরিয়া সারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি সুলভ মূল্যে কৃষকদের ইউরিয়া সার সরবরাহ করা যাবে। এর মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। ইউরিয়া সারের আমদানি হ্রাস হলে কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। দেশেও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রকল্পটি সম্পূর্ণরূপে পরিবেশবান্ধব সারকারখানা। এটাই বাংলাদেশে প্রথম সারকারখানা যেখানে পরিবেশ দূষনকারী কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসকে গ্রহণ করবে। সেই কার্বন ডাই অক্সাইড ব্যবহার করে ১০ শতাংশ বেশি ইউরিয়া সার উৎপাদন সম্ভব হবে।’

জিপিইউএফপি প্রকল্প পরিচালক মো. রাজিউর রহমান মল্লিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ, জহিরুল হক ভূঞা মোহন, বিসিআইসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান, নরসিংদী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল মতিন ভূইয়া, শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব জিয়াউর রহমান খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহরিয়ার আলম প্রমুখ ।

About rezwan rezwan

https://gnogle.ru/project/edit/102
WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com