Main Menu

নদী ও বটবৃক্ষ

এম.সোহেল রানা
.
শুনেছি…দুই শতাব্দীরও পূর্ব থেকে এই ভৈরব নদীর পাড়ে ভরা যৌবনা এক বট বৃক্ষ হেথা। দৈত্যের মত মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে এক পায়ে বট বৃক্ষের ভরা যৌবন ছিল তখন- কত শত ঝড়-ঝাপটা বন্যাকে সামলিয়েছে বাঁচিয়েছে মানুষকে নদী ভাঙ্গনের কবল হতে এখনো বেঁচে আছে সেই বট বৃক্ষ গাঁয়ের মানুষের ভালোবাসায় জড়িয়ে ভৈরব নদীর কূলে। আর নেই নদীর সেই বুক ভরা পানি হয় না আর বৃক্ষের ডালে উঠে নদীর বুকে লাফালাফি, ছেলে-মেয়েরা খেলেনা আর সাঁতার কেটে ধরাধরী নদী আর বহেনা, কিন্তু মোহনা ব’য়ে চলেছে নিরবধী। বটবৃক্ষের শিকড়গুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে বৃক্ষর বয়স হয়েছে পাতাগুলো বাতাসে ঝরে পড়ছে, শরীরটা তার ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে ফাটল ধরেছে তবুও সে মানুষকে ছাঁয়া দিয়েয় চলেছে। কত রং বেরঙ্গের পাখ-পাখালি বৃক্ষের ডালে বসে ফল খেয়ে তাদের জীবন-জীবিকা গেছে সময় আনন্দে গান গেয়ে। ক্লান্ত পথিক ছাঁয়ে বসে হিমেল হাওয়া পেয়ে শ্রান্ত হয়ে নীড়ে ফেরে শান্ত হৃদয় নিয়ে।






Comments are Closed