Main Menu

তাহিরপুর প্রেসক্লাব সভাপতি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী

ব্যুরো অফিস সুনামগঞ্জ :: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি ও সমকাল তাহিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভূয়া ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ উপলক্ষে এক জরুরী সভার অনুষ্ঠিত হয়। তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি ও যায়যায়দিন প্রতিনিধি বাবরুল হাসান বাবলুর সভাপতিত্বে জরুরী সভায় মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন,প্রেসক্লাব উপদেষ্টা রমেন্দ্র নারায়ন বৈশাখ,প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক,ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মানবজমিন প্রতিনিধি এম.এ রাজ্জাক, অর্থ সম্পাদক, ভোরের কাগজ প্রতিনিধি এস এম সাজ্জাদ শাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক, সংবাদ প্রতিনিধি কামাল হোসেন, নয়া দিগন্ত প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়া,সিলেট ভয়েস ২৪.ডটকম প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, সুনামগঞ্জের সময় প্রতিনিধি সামায়ুন কবীর,মুবিনূর মিয়া,সাংবাদিক রোমান আহমেদ তুষা প্রমূখ। সভায় সাংবাদিকরা বলেন,সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম ছাত্র জীবন থেকেই তিনি আওয়ামীলীগ করে আসছেন। তাহিরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের দুই বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি (১৯৮৮-১৯৯০,১৯৯০-২০১)।২০০৩ সালে গঠিত তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ছিলেন তিনি। ২০১৪ সালের তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের কমিটিতেও তিনি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে অদ্যাবধি দায়িত্ব পালন করছেন। তাহার জন্মসনদ ও এএসসি পরীক্ষার সনদ অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ পহেলা আগষ্ট ১৯৭১ সাল। ১৯৭১ সালে যখন পাকিস্থানী হানাদারের বিরুদ্ধে দেশের মুক্তিকামী মানুষজন যখন জাতির পতিা বঙ্গবন্ধুর আহবানে অস্ত্র হাতে তোলে নিয়ে যুদ্ধ করেন তখন তার বয়স ছিল ৫ মাস। আর এই ৫মাসের শিশু কিভাবে যুদ্ধাপরাধে জড়িত থাকে তা নিয়ে উপজেলা জুড়ে নানান প্রশ্ন উঠেছে। উল্লেখ্য গত ২০ আগষ্ট একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের উপজেলার ভাটি তাহিরপুর গ্রামের জাতীয় দৈনিক সমকালের তাহিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে তাহিরপুর আমল গ্রহণকারী বিচারিক হাকিম আদালতে একটি মামলা করেন উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের দুধের আউটা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা সুজাফর আলী। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে,আমিনুল ইসলাম চিহ্নিত খুনি, লুটেরা ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী পরিবারের সন্তান। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তাদের পরিবার এলাকায় লুটপাট, হত্যা, ধর্ষণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল।অভিযুক্ত আসামি আমিনুল ইসলাম শান্তি কমিটির সক্রিয় সদস্য হিসেবে সোর্সের দায়িত্ব পালন করেছেন। এ বিষয়ে মামলার বাদী বীর মুক্তিযোদ্ধা সজাফর মিয়া জানান,সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম নামে কোন ব্যক্তির সঙ্গে আমার পরিচয় নাই। আমি কারো বিরোদ্ধে যুদাধাপরাধে অভিযোগে মামলা করিনি। তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার মুক্তিযোদ্ধা রৌজ আলীর সঙ্গে আমার ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে একটু ঝামেলা চলছে। আর এ বিষয় নিয়ে আমি একটি লিখিত অভিযোগ দিতে গেয়েছিলাম সুনামগঞ্জে, এর চেয়ে বেশী কিছু জানেন না বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান। উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি ও সমকাল প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম বলেন,আমি মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী পরিবারের সন্তান,ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে আমি এ পর্যন্ত এসেছি। সামনে তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন। এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে স্বধীনতা বিরোধী একটি চক্র আমার সম্মান হানির জন্য এ সমস্ত তৎপরতা চালাচ্ছে। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আমার বয়স ছিল ৫ মাস।






Related News

Comments are Closed