Main Menu

চতুর্থ দিনের খেলা শেষ, বৃষ্টির সম্ভাবনা পঞ্চম দিনেও

খেলাধুলা ডেস্ক : চট্টগ্রাম টেস্টের যে অবস্থা, এখন একমাত্র বৃষ্টিই বাঁচাতে পারে বাংলাদেশকে। চতুর্থ দিনে তিন দফায় বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়েছে। টাইগার ভক্তদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, পঞ্চম দিনেও নাকি বৃষ্টির ভালো সম্ভাবনা আছে।

চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের সামনে কি পরিণতি অপেক্ষা করছে, সেটি বুঝতে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ হতে হবে না। লক্ষ্য ৩৯৮ রানের। এত বড় লক্ষ্য তাড়া করে কখনই জেতেনি বাংলাদেশ। জিততে হলে তাই রেকর্ডই গড়তে হবে।

ব্যাটসম্যানরা যেভাবে খেলছেন, তাতে রেকর্ড তো পরের কথা। টেস্ট হারের শঙ্কায় পড়ে গেছে টাইগাররা। তবে এরই মধ্যে আশীর্বাদ হয়ে এসেছে বৃষ্টি।

বৃষ্টির কারণে চতুর্থ দিন আগেভাগেই খেলা শেষ করে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৩৫ রান। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ৩৮ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে আছেন। সঙ্গে থাকা সৌম্য সরকার এখনও রানের খাতা খুলতে পারেননি।

ম্যাচের যা অবস্থা, তাতে আফগানিস্তানের জয় আটকে রাখা কঠিনই হবে। বাংলাদেশকে জিততে হলে এখনও ২৬২ রান করতে হবে। হাতে আছে মাত্র ৪টি উইকেট। অসম্ভবই মনে হচ্ছে।

তবে যদি কোনো ব্যাটসম্যান অসাধ্য সাধন করে ফেলেন আলাদা কথা। না হলে হারই অপেক্ষা করছে টাইগারদের। তার বাইরে একমাত্র বাঁচাতে পারে বৃষ্টি।

চতুর্থ দিনে বৃষ্টিবাধায় ওভার নষ্ট হওয়ায় আগামীকাল (সোমবার) টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে আধা ঘন্টা আগে অর্থাৎ সাড়ে নয়টায় খেলা শুরু হবে। তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, চট্টগ্রামে কালও বৃষ্টি হতে পারে।

এবং সেই বৃষ্টিটা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা সকাল নয়টার দিকে। দশটার পর কিছুটা কমলেও আবারও বিকেল তিনটার দিকে বৃষ্টি নামার সম্ভাবনা আছে। সবমিলিয়ে এখন এই টেস্টে বাংলাদেশকে বাঁচাতে পারে বৃষ্টিই।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা খারাপ ছিল না বাংলাদেশের। সাদমানের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে দেখেশুনেই খেলছিলেন লিটন দাস। প্রথম ১০ ওভার অনায়াসে কাটিয়ে দেয়ার পরই বিপদের শুরু টাইগারদের।

জহির খানের দারুণ এক ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউ হন লিটন দাস। ৩০ বলে করেন ৯ রান। প্রথম ইনিংসে দারুণ ব্যাটিং করায় প্রমোশন পেয়ে ওপরে উঠে এসেছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন। কিন্তু এবার আর কিছু করতে পারেননি।

জহির খানের দ্বিতীয় শিকার হন ১২ রান করা মোসাদ্দেক। এরপর আফগান অধিনায়ক রশিদ খানের চমক। এই লেগস্পিনারের ঘূর্ণিতে মুশফিকুর রহীম ২৩ আর মুমিনুল হক ৩ রান করে ফেরেন সাজঘরে।

সিনিয়রদের এই আসা যাওয়ার মাঝেও একটি প্রান্ত ধরে ছিলেন সাদমান ইসলাম। খেলছিলেন দেখেশুনে। তবে তরুণ এই ওপেনারও ফিরেছেন আফগান ঘূর্ণিতে পরাস্ত হয়ে। মোহাম্মদ নবীর বলটি ডিফেন্সই করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটি আঘাত হানে প্যাডে। ১১৪ বলে ৪ বাউন্ডারিতে গড়া সাদমানের ৪১ রানের ধৈর্য্যশীল ইনিংসটির ইতি ঘটেছে তাতেই।

অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও বোকা বনেছেন ঘূর্ণিতে। ৭ রানের মাথায় রশিদ খানকে ডিফেন্স করতে গিয়ে শর্ট লেগে ইব্রাহিম জাদরানের ক্যাচ হয়েছেন তিনি।






Related News

Comments are Closed