Main Menu

গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে প্রকৌশলী কারাগারে

শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক : গোপন সফটওয়্যারের মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী এমদাদুল হক ঈমনকে সোমবার (২২ জুলাই) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঈমন বাউবির কম্পিউটার ডিভিশনের হার্ডওয়ার ইঞ্জিনিয়ার। তিনি কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানার অনুপম এলাকার জহিরুল হকের ছেলে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোর্টের পরিদর্শক আতিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কম্পিউটারে সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন গোপন তথ্য পাচার করছিলেন।

বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে এলে রবিবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় ঈমনের বিরুদ্ধে গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকার গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বাউবির নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিক্সন মিয়া বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ ঈমনকে গ্রেফতার করে।

পরে গ্রেফতার হওয়া ঈমনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে সোমবার গাজীপুরের আদালতে উপস্থাপন করা হয়। আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আগামী ২৪ জুলাই রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য ও জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।

বাউবির উপাচার্য প্রফেসর ড এমএ মান্নান দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে দু’শতাধিক কম্পিউটার রয়েছে। এসব কম্পিউটারে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। ইঞ্জিনিয়ার ঈমন আমার কক্ষের কম্পিউটারসহ এসব কম্পিউটারগুলোতে অননুমোদিতভাবে গোপনে একটি সফটওয়্যার ইনস্টল করেন। পরে ওইসব কম্পিউটার হতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গোপন তথ্য সম্বলিত ডাটা সফটওয়্যারের মাধ্যমে তিনি অন্যত্র স্থানান্তরের মাধ্যমে পাচার করেন। এমনকি ওই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ঘরে বসে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার মনিটরিং করতেন। প্রায় দু’বছর ধরে তিনি এ কাজ করছিলেন। গত কয়েকদিনে আমার অফিস কক্ষের দু’টি কম্পিউটার হতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ডাটা স্থানান্তর করায় ওই কম্পিউটারে সেগুলো পাওয়া যায় নি। বিষয়টির তথ্যানুসন্ধান করতে গিয়ে ঈমন হাতেনাতে ধরা পড়েন।






Related News

Comments are Closed