Main Menu

গুজব ও বাংলাদেশ ,

মো নাইম তালুকদার
আজকাল দূষিত কথা গুলোই বেশি চড়ায় । ভালো কোন কথা অতটা প্রচার হয়নি। শরীরটা অসুস্থ মনটাও বেশী ভালো নয়। ইদানীং সামাজিক যোগাযোগ ফেইসবুক সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে গুজবের ছয়লাব বইছে। ফেইসবুক ও বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে একটা বিষয় দেখতে পাচ্ছি যে পদ্মা সেতু নাকি? মানুষের মাথায় চাচ্ছে। বিষয়টি কতটুকো সত্য। একদিকে আবার সরকারি ও বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রচার দিচ্ছে এসব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আজাকাল গুজবের মধ্যেই ডুবে আছে দেশ। অপর দিকে কিছু মানুষজনের ধারণা করেন যে গুজব মানেই বাংলাদেশে। এদেশে যদি প্রতিনিয়ত গুজব হুক্কার দিয়ে আমাদের মতো সাধারণ মানুষজনের গায়ে একটু ধাক্কা দেয় তাহলে আমাদের অবস্থা কি হবে? । কারণ আজকাল আমার পল্লী অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষজন আছেন উনার গুজব কি জিনিস বুঝেন না। বর্তমান লোক মুখে যে কথাটা বেশি উড়ে উনারা তা বিশ্বাস করেন। এবং মনে কিছুটা হলেও আতংক বোধ করেন। আমাদের হাওরের জেলা সুনামগঞ্জের প্রতিটি উপজেলার মানুষের মনে পদ্মা সেতুর মাথা চাওয়া নিয়ে আতংক বইছে। অনেকে মা -বাবা ও ভাই বোনেরা কোমল মতি শিক্ষার্থীদের স্কুল মাদরাসা যাওয়াটা বারণ করছেন। পল্লী অঞ্চলে এসব নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। বিভিন্ন গ্রামের একশ্রেনীর কলেজ পড়ুয়া ছেলেরা ও বলছে এ-ই খবরটা নাকি সত্য। আসলে প্রতিটা মূহুর্তে সাথে বাংলাদেশে মিশে আছে গুজব।
বাংলার প্রতিটি মুহুর্তে বাতাসের মতো গুজবের খবর ছড়ায়। আসলে এ-ই খবর গুলো প্রচার করে কে, কার এতো বুকের পাঠা। যে খবরে মানুষের মাথায় আকাশ বেঞ্জে পরে ? বাংলাদেশে তো অনেক রকম স্পেশাল আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আছেন।

এদেরকে একটু সনাক্ত করতে পারেন নি। তবে সংবাদ প্রচারের পূর্ব মূহুর্তে সকলের মাথায় একটা চিন্তা রাখা উচিৎ। যে কি ধরণের সংবাদ প্রচার করলে কি হয় এ-ই জিনিসটা একটু বুঝতে হবে?। আর আরেক শ্রেনীর হুজুগে ভাই বোনেরা আছে কিছু বুঝেন বা নাই বুঝেন ফেইসবুকে কমপক্ষে শেয়ার দিতে চিনেন,।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হঠাৎ নানা ভুয়া তথ্য প্রচার হতেই ওটাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি। এরপর জন্ম নেয় বিতর্কের। সংকটের মুহূর্তে এসব গুজব সমাজের পরিস্থিতি আরও অস্বস্তির দিকে ঠেলে দেয়।

আর তাই যে কোন তথ্য বা ঘটনার ছবি ও ভিডিও শেয়ারের ব্যাপারে সবার সতর্ক থাকাকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে মনে করা উচিত।






Related News

Comments are Closed