Main Menu

খুলনায় ট্রাক শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট, সড়ক আইন সংশোধনের দাবি

হলিবিডি প্রতিনিধিঃ
নতুন সড়ক আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধনের দাবীতে খুলনা বিভাগীয় ট্রাক শ্রমিকরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) ভোর থেকে ‘ফাঁসিতে ঝুলবো না, রাজপথে নামবো না’ – এ স্লোগানে কর্মবিরতি শুরু করে তারা। তবে পন্য পরিবহনের মালিক-শ্রমিকদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে কর্মে ফিরতে বলেছেন আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

নতুন সড়ক আইনে চালকদের ফাঁসির দন্ড, ৫ লাখ টাকা জরিমানা, পার্কিংয়ে জরিমানা, হাইওয়ে পুলিশের হয়রানিসহ কয়েকটি ধারা সংশোধন চেয়েছে খুলনা বিভাগীয় ট্রাক শ্রমিকরা। একইসাথে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ রেখেছে তারা।

কর্মবিরতির প্রথম দিনে শনিবার সকালে খুলনার মানিকতলা-রেলিগেট এলাকার ট্রাক শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে রেলিগেটে মহাসড়কের পাশে অবস্থান নেয়। এসময়ে নতুন আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধনের দাবী জানানো হয়।

শ্রমিকরা বলেন, অবিলম্বে তাদের দাবী মেনে নেওয়া না হলে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির সাথে কঠোর আন্দোলনে কর্মসুচি ঘোষণা করা হবে।

ট্রাক চালক সাদ্দাম হোসেন বলেন, নতুন সড়ক আইনের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু দেশের রাস্তা-ঘাটের দূরবস্থা ঠিক না করে ও পার্কিং এর কোন ব্যবস্থা না করে নতুন আইন করা হয়েছে। এই আইনের অযুহাতে কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাকে ঘুষ বানিজ্য আর চাঁদাবাজীর সুযোগ করে দেওয়া হলো।

এদিকে শ্রমিকদের কর্মবিরতির খবর শুনে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) এডিসি (ট্রাফিক) মো. কামরুল ইসলাম এবং দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মোস্তাক আহম্মেদ খুলনা বিভাগীয় ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের রেলিগেট কার্যালয়ে তাদের সাথে বৈঠক করেন।

খুলনা বিভাগীয় ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের রেলীগেট জয়েন্ট ট্রান্সপোটের সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, বৈঠকে আমরা আইনের বেশ কিছু ধারা সংশোধনের জোর দাবী জানিয়েছি। দাবী মেনে নেওয়া না হলে কেন্দ্রীয় কর্মসুচির সাথে তাল মিলিয়ে কঠোর আন্দোলন করা হবে।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, সড়কে যাতে কেও কোন অরাজকতা সৃষ্টি করতে না পারে সে জন্য ট্রাক শ্রমিক এবং নেতাদের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। আমরা সকলকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে কর্মে ফিরে যাওয়ার আহবান জানিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, নতুন এই আইনের ফলে এই অঞ্চলের চালকরা যেন কোন হয়রানির স্বীকার না হয়, সে নির্দেশ দিয়েছেন কেএমপি কমিশনার।






Related News

Comments are Closed