Main Menu

আ’লীগ থেকে শো-কোজ হচ্ছেন সিলেটের যে ১৯ জন!

হলিবিডি প্রতিনিধিঃ উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাদের মদদদাতা ১৫০ নেতাকে শোকজ করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। এ তালিকায় মন্ত্রী, এমপি ও প্রভাবশালীও আছেন। রোববার থেকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই শোকজ চিঠি পাঠানো হবে।শনিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

এদিন ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের এক বৈঠক শেষে তিনি আরও বলেন, উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী ছিলেন, তাদের শোকজের সিদ্ধান্ত আগে থেকেই ছিল। আজ সেটা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া কীভাবে দ্রুত সম্পন্ন করা যায়, সেটি আলোচনা করেছি। ১৫০ জনের মতো নেতাকে শোকজ নোটিশ ইস্যু করা হবে। শোকজের জবাবের জন্য তিন সপ্তাহ সময় দেয়া হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এমপি-মন্ত্রী যারা মদদদাতা, তারাও শোকজ পাবেন। তবে তাদের নাম প্রকাশ করতে চাননি ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, মদদদাতাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতাও থাকতে পারেন। যাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও মদদ দেয়ার অভিযোগ আছে, তারা সবাই শোকজ পাবেন। ১২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের সাময়িক বহিষ্কার ও শোকজের সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে যেসব মন্ত্রী-এমপি ও প্রভাবশালী নেতা কাজ করেছেন, তাদের কারণ দর্শানোর চিঠি পাঠানোরও সিদ্ধান্ত হয়। শোকজের জবাব যথার্থ না হলে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের কথা উঠে আসে আলোচনায়।

চলতি বছরের মার্চ ও জুনে পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮ বিভাগে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন দুই শতাধিক। এর বাইরে দলটির সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন শতাধিক।

সিলেট বিভাগের চার জেলার উপজেলাগুলোতে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন-সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফতাব আলী কালা মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াকুব আলী, জৈন্তাপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কামাল আহমদ, বিয়ানীবাজারে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন। সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মঞ্জুর আলম চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলতাব উদ্দিন। শাল্লা উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট অবনী মোহন দাস, ধর্মপাশা উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বিলকিস, জামালগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম শামীম।

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোয়েব আহমদ, জুড়ীতে হল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এমএ মোঈদ ফারুক, কুলাউড়া উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ একেএম সফি আহমদ সলমান। হবিগঞ্জ সদরে পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মো. মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, লাখাই উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহফুজুল আলম মাহফুজ ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রফিক আহমেদ, চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, বাহুবলে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আবদুল কাদির চৌধুরী, বানিয়াচং উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন খান।






Comments are Closed